× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বরগুনা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ৪, ২০২৬, ০৫:৫৪ এএম

বরগুনায় ডাকবাংলো থেকে মা ও দুই মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

বরগুনা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ৪, ২০২৬, ০৫:৫৪ এএম

বরগুনায় ডাকবাংলো থেকে  মা ও দুই মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

বরগুনা জেলা পরিষদের ডাকবাংলো থেকে এক নারী ও তার দুই শিশুকন্যার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার বিকেল ৪টার দিকে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেনÑ বরগুনা শহরের কালীবাড়ি এলাকার বাসিন্দা দুলাল চন্দ্র বিশ্বাসের স্ত্রী ইতি রানী বিশ্বাস (৩৪), তাদের বড় মেয়ে আরাধ্য বিশ্বাস (১২) এবং ছোট মেয়ে অনুরাধা বিশ্বাস (৩)। জানা গেছে, ইতি রানী বিশ্বাস জেলা পরিষদের ডাকবাংলোতে খ-কালীন ঝাড়–দার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

ঘটনার খবর পেয়ে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা, বরগুনার পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মোহাম্মদ ইব্রাহিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

ডাকবাংলোর তত্ত্বাবধায়ক লিটন জানান, গতকাল দুপুর ২টার দিকে তিনি ডাকবাংলোয় আসেন। খাবার খাওয়ার পর ওপরে উঠে পাশাপাশি থাকা দুটি কক্ষের মধ্যে একটি কক্ষের দরজা খোলা দেখতে পান। কাছে গিয়ে দেখেন, ইতি রানী বিশ্বাসের বড় মেয়ে আরাধ্য বিশ্বাস অচেতন অবস্থায় খাটের ওপর পড়ে আছে। তিনি আরও বলেন, পাশের আরেকটি কক্ষের দরজা বন্ধ ছিল। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় আমি পুলিশকে খবর দিই। পরে বরগুনা থানার পুলিশ ও ডিবি পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে মরদেহগুলো উদ্ধার করেন।

নিহত ইতির স্বামী দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, সকালে তিনি সুপারি নিয়ে আমতলী বাজারে যান। বাজার থেকে ফিরে স্ত্রী ও সন্তানদের বাড়িতে না পেয়ে প্রতিবেশীদের কাছে খোঁজ নেন। তখন তাকে জানানো হয়, ইতি তার বোনের বাড়িতে বেড়াতে গেছেন।

দুলাল বলেন, কিছুক্ষণ পর এলাকার এক বড় ভাই আমাকে জেলা পরিষদের ডাকবাংলোয় নিয়ে যান। সেখানে গিয়ে স্ত্রী ও দুই মেয়ের এমন অবস্থা দেখতে পাই।

নিহত ইতি রানী বিশ্বাসের বড় বোন রিতা রানী জানান, তাদের পরিবারে কোনো পারিবারিক কলহ বা বড় ধরনের সমস্যা ছিল না। তবে বিভিন্ন ঋণ ও কিস্তির চাপ নিয়ে ইতি সব সময় মানসিক দুশ্চিন্তায় ভুগতেন।

বরগুনার পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা বলেন, ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। মরদেহ তিনটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছেÑ এটি আত্মহত্যার ঘটনা হতে পারে। তবে বিস্তারিত তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। পুলিশ বলছে, সব দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত চালানো হচ্ছে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!