× UCB Sticker Card
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

স্বপ্না চক্রবর্তী

প্রকাশিত: জুন ২৪, ২০২৬, ০৬:২৭ এএম

মালিকানার ফাঁদে সুপার স্পেলাইজড হাসপাতাল

তিনপক্ষের রশি টানাটানি

স্বপ্না চক্রবর্তী

প্রকাশিত: জুন ২৪, ২০২৬, ০৬:২৭ এএম

তিনপক্ষের রশি টানাটানি

আওয়ামী লীগের বিলাসী প্রকল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র শাহবাগে বিশাল এলাকাজুড়ে গড়ে ওঠা সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালটি। তৎকালীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) বর্তমানে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয়ের (বিএমইউ) অধীনে প্রতিষ্ঠিত অসাধারণ স্থাপত্যশৈলীর আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসংবলিত দৃষ্টিনন্দন হাসপাতালটিতে ডাক্তার-রোগী তো দূরে থাক পূর্ণাঙ্গ স্টাফ পর্যন্ত নেই। এখনো হাসপাতালে নিয়োগ হয়নি নিজস্ব একজন চিকিৎসকও। বিগত সরকারের সময় মাঝে মাঝে দুই/একটি অস্ত্রোপচার হলেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর জটিলতা তৈরি হয় এর দখলদারিত্ব নিয়ে। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয় চায় তাদের অধীনেই পরিচালিত হোক হাসপাতালটি। আর নির্মাণকারী কোরিয়ান কোম্পানি চায় তাদের অধীনে পরিচালিত হোক। আবার সরকারের একটি পক্ষ চায় এটিকে সরকারি হাসপাতালে পরিণত করতে। দখলদারিত্বের এই খেলায় বছরের পর বছর পেরিয়ে গেলেও হাসপাতালটি ভুতুড়ে স্থাপনা হিসেবেই পড়ে আছে। ফলে নষ্ট হচ্ছে হাজার কোটি টাকার মালামাল। দিনদুপুরে চুরিও হয়ে যাচ্ছে অনেক মালামাল।

হাসপাতাল-সংশ্লিষ্টরাও স্বীকার করছেন, দেশের উচ্চতর চিকিৎসাসেবার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল মালিকানা ও পরিচালনাগত জটিলতার কারণে নতুন সংকটের মুখে দীর্ঘদিন যাবৎ। হাসপাতালটির উন্নয়ন, পরিচালনা ও সম্পদের মালিকানা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কোরিয়ান প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিরোধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় সম্প্রসারণ কার্যক্রম এবং সেবার মানোন্নয়নের উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নাম প্রাকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের এক কর্মী রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, চোখ ধাঁধানো অবকাঠামো আর আধুনিক যন্ত্রপাতির সমন্বয়ে হাসপাতালটি তৈরি করেছে কোরিয়ান কোম্পানি। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার থাকতে এটি বিশ^বিদ্যালয়ের অধীনে থাকলেও এখন কোরিয়ান কোম্পানিটি নিজেরাই পরিচালনা করতে চাচ্ছে। এদিকে বিশ^বিদ্যালয় আবার মালিকানা ছাড়তে নারাজ। নিজেদের জমিতে বিশাল স্থাপনা পরিচালনার লোভ কে সামলাতে পারে বলেন? এদিকে সরকারের একটি পক্ষ থেকে দাবি উঠেছে, এটি সরকারি হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার। সব মিলিয়ে জনমানুষের সেবার জন্য গড়ে ওঠা স্থাপনার মালিকানা নিয়ে যে রশি টানাটানি শুরু হয়েছে তার শেষ কোথায় কেউ জানে না। আর এই রশি টানাটানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এখানে চিকিৎসা কার্যক্রম পুরোদমে চালু হওয়ারও সুযোগ নেই।

হাসপাতাল-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, প্রকল্পের সম্পদ, ভবন ব্যবস্থাপনা, পরিচালনা অধিকার এবং ভবিষ্যৎ আয় বণ্টনের বিষয়গুলো নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মতবিরোধ রয়েছে। কোরিয়ান অংশীদার প্রতিষ্ঠান তাদের চুক্তিগত অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলছে, অন্যদিকে দেশীয় সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো জাতীয় সম্পদের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরছে। এ বিরোধের কারণে বেশ কিছু উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের পরও বাস্তবায়ন পর্যায়ে যেতে পারেনি বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে বিএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি হাসপাতালটির সব কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার। কিন্তু হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠার সময় বিদেশি সহযোগিতার মাধ্যমে যে কাঠামো ও ব্যবস্থাপনা মডেল গড়ে তোলা হয়েছিল, তার বিভিন্ন শর্ত ও মালিকানা ব্যাখ্যা নিয়ে এখন মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে। ফলে ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ, অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে আমরা সমাধানের চেষ্টা করে যাচ্ছি। খুব শিগগিরই একটা সফলতা আসবে বলে আমরা আশা করছি।

যেখানে দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা নিতে গিয়ে নাজেহাল হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষজনকে, সেখানে রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে এমন একটি স্থাপনা অকেজো হয়ে পড়ে থাকায় ক্ষোভ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মাঝে। সম্প্রতি দেশজুড়ে বেড়েছে হামের সংক্রমণ। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডগুলোর একেকটি বিছানায় ৩ থেকে ৪ জন করে শিশুকে চিকিৎসা দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। আর একমাত্র শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে টাকা খরচ করেও একটি সিট পেতে অভিভাবকদের হাহাকার যেকোনো মানুষের মনকে আর্দ্র করে দিচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বিএমইউর উত্তর পাশে ৩ দশমিক ৮ একর (প্রায় ১২ বিঘা) জমির ওপর গড়ে ওঠা মনোরম অবকাঠামোর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালটি  কোনো কাজে না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করে হাম আক্রান্ত শিশুর পিতা আনিসুর রহমান বলেন, গত তিন দিন ধরে শিশু হাসপাতালে ঘুরে বাচ্চাকে ভর্তি করানোর জন্য একটি বেড পাইনি। ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গিয়েছিলাম। সেখানকার শিশু ওয়ার্ডে মনে হয় সরকারের পক্ষ থেকে কখনো কেউ পরিদর্শনে যান না। এমন নোংরা পরিবেশেও একেকটি বিছানায় ভর্তি রয়েছে ৩ থেকে ৪ জন করে শিশু। এই দৃশ্য দেখে আর নিজের বাচ্চাকে ভর্তি করানোর সাহস পাইনি। তাই এখন একটি বেসরকারি হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দিচ্ছি। সঞ্চিত অর্থ যা ছিল তা দিয়ে চলছে চিকিৎসা। কিন্তু সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের মতো এত বড় স্থাপনাটি যদি সাধারণ মানুষের চিকিৎসার জন্য সচল রাখা হতো তা হলে আমাদের এত দুর্ভোগ পোহাতে হতো না।

একই রকম আক্ষেপ করেন শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে একটি এনআইসিইউর বেড পেতে এক সপ্তাহ যাবৎ পরিচালকের দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা নবজাতক সন্তানের মামা সাব্বির আহমেদ। তিনি জানান, আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী ৬ মাসের গর্ভাবস্থায় বাচ্চা প্রসব করেছে। তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালের ইনকিউবিটরে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে তার চিকিৎসায় গ্রামের জমি বিক্রি করতে হয়েছে। এখানেও একটি এনআইসিউ বা ইনকিউবিটর পেতে টাকা লাগে। কিন্তু তা কিছুটা সহনীয়। যদি একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি শিশু হাসপাতাল থাকত তা হলে দেশের লাখো বাবা-মায়ের শিশুসন্তানের চিকিৎসার জন্য এমন অনিশ্চিয়তার প্রহর গুনতে হতো না।

হাসপাতালটিকে সাধারণ মানুষের চিকিৎসার জন্য দ্রুততম সময়ে সচল করা যায় কি না তা সরকারের ভাবা উচিত মনে করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, আমার জানামতে হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে রয়েছে ১৪টি অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার, ১০০ শয্যার আইসিইউ, জরুরি বিভাগে আছে ১শটি শয্যা, আছে ভিভিআইপি কেবিন ৬টি, ভিআইপি কেবিন ২২টি এবং ডিলাক্স শয্যা ২৫টি। সেন্টারভিত্তিক প্রতিটি ওয়ার্ডে স্থাপন করা হয়েছে ৮টি করে শয্যা। রয়েছে নিউম্যাটিক টিউব যার মাধ্যমে রক্ত সংগ্রহের পর অটোমেটিক্যালি নির্দেশিত বিভাগে চলে যায়, যা সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত হয়। কিন্তু কোনো বিভাগেই নিজস্ব জনবল না থাকায় প্রায় সব যন্ত্রপাতিই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এসব রক্ষণাবেক্ষণেও নেই পর্যাপ্ত বরাদ্দ। দিনের পর দিন অব্যবহৃত থাকায় এসব যন্ত্রপাতির অনেকটিই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। শুনেছি কিছুদিন আগে দিনে-দুপুরে ট্রাকে করে মালামাল চুরি করে নিয়ে গিয়েছে কিছু দুর্বৃত্ত। এতে হাসপাতালের কয়েকজন কর্মীরও যোগসাজশ ছিল। কিন্তু যদি হাসপাতালটিতে চিকিৎসকদের সার্বক্ষণিক আনাগোনা থাকত, তাহলে এমনটি ঘটার আশঙ্কা থাকত না। আমরা একবার হিসাব করে দেখেছিলাম হাসপাতালটি পরিচালনা করতে ১৮০০-এর মতো জনবল প্রয়োজন। কিন্তু এখন পর্যন্ত এর ধারেকাছেও জনবল নিয়োগ হয়নি। হাসপাতালটির ভিআইপি কেবিন তো দূরে থাক সাধারণ কেবিনেও কোনো রোগীর দেখা মিলে না। বিএমইউতে বা ঢাকা মেডিকেল বা অন্য যেকোনো হাসপাতালে একটা কেবিন পাওয়ার জন্য মানুষের হাহাকার লেগেই থাকে। প্রয়োজনে বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের মানুষেরও সুপারিশ নিতে হয়। কিন্তু এখানে এতসব সুবিধা সত্ত্বেও রোগী আসছে না। এর একমাত্র কারণ জনবল সংকট। জনবল নিয়োগ না হলে পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে না। সাম্প্রতিক হাম আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায়ও যদি এটির ব্যবহার হয় তা হলেও মানুষের আনাগোনা বাড়বে। আর মানুষের আনাগোনা বাড়লে চুরি-চামারি না হয়ে একটি স্থাপনা দেশের মানুষের কল্যাণে কাজে লাগবে বলে আমি মনে করি।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালটিতে প্রতিদিন শ’খানেক রোগী এলেও সেবার পরিধি সম্প্রসারণে বিলম্ব হওয়ায় রোগীরা প্রত্যাশিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের চিকিৎসা খাতে চাপ ক্রমাগত বাড়ছে। এই অবস্থায় একটি সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের কার্যক্রম থেমে থাকলে তার প্রভাব পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর পড়বে। রয়েছে আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কাও। স্বাস্থ্য খাত বিশ্লেষকদের মতে, মালিকানা বিরোধ দীর্ঘায়িত হলে শুধু উন্নয়ন কার্যক্রমই নয়, বরং হাসপাতালের আর্থিক স্থিতিশীলতাও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। নতুন বিনিয়োগ বিলম্বিত হলে প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি, প্রযুক্তি হালনাগাদে বাধা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তবে হাসপাতালটিকে সক্রিয় করার কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। রূপালী বাংলাদেশকে তিনি বলেন, আমরাও জানতে পেরেছি এটির পরিচালন নিয়ে একটি দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে। কিছু চিকিৎসক নেতা চাচ্ছেন এটি সরকারের অধীন পরিচালিত হোক। আবার বিএমইউ তাদের মালিকানা ছাড়তে নারাজ। আবার কোরিয়ান যে কোম্পানি এটি বানিয়েছে তারাও এটা চালাতে চায়। তাই একটা জটিলতা তৈরি হয়েছে। তবে যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালটিকে প্রাণবন্ত করতে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। প্রয়োজনে সরকার সরাসরি হস্তক্ষেপ করবে এর সব সমস্যা নিরসনে।

প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালটির অবকাঠামো উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই বছরেরই ২৭ ডিসেম্বর থেকে সুপারের ১৪টি বিভাগে রোগী দেখা শুরু করেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা (অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও সহকারী অধ্যাপক)। তবে এদের কেউই এই হাসপাতালের সরাসরি নিয়োগকৃত নন। বিএমইউর চিকিৎসকরাই শিডিউলভিত্তিক সেবাদান শুরু করেন; যা এখন পর্যন্ত চলার কথা থাকলে সরকার পতনের পর ওই সব চিকিৎসকের অনেকেই কর্মস্থলে আসছেন না। নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এলেও খুব একটা পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। ফলে যে সামান্য সেবাটুকু পাওয়া যেত তাও পাওয়া যাচ্ছে না। এতে করে কাক্সিক্ষত সেবা পেতে বেগ পেতে হচ্ছে সাধারণ রোগীদের। অথচ দেশের রোগীদের যাতে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে না হয় এবং দেশেই রোগীরা লিভার, কিডনি, হার্টের রোগ, ক্যানসার, বন্ধ্যত্ব, জয়েন্ট নি-রিপ্লেমেন্টসহ সবধরনের জটিল রোগের সর্বাধুনিক উন্নত চিকিৎসাসেবা পান সে জন্যই তৈরি হয়েছিল সুপার কাঠামোর এই হাসপাতালটি।

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!