× UCB Sticker Card
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রংপুর ব্যুরো

প্রকাশিত: জুন ২৪, ২০২৬, ০৬:২৮ এএম

বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি

রংপুর ব্যুরো

প্রকাশিত: জুন ২৪, ২০২৬, ০৬:২৮ এএম

বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি

লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে বেড়েছে পানি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এরই মধ্যে নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এদিকে বন্যা ও নদীভাঙন আতঙ্কে রয়েছেন তীরবর্তী মানুষ।

পাউবো সূত্রে জানা গেছে, সোমবার পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক থাকলেও গতকাল মঙ্গলবার সকালে উজানের ঢলে তিস্তার পানি বাড়তে শুরু করে। ডালিয়া পয়েন্টে বিকেল ৩টায় পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত কয়েকদিন ধরেই নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছিল।

হঠাৎ করে পানি বাড়ায় দিশাহারা হয়ে পড়েছেন তিস্তা পাড়ের মানুষ। মহিষখোচা ইউনিয়নের গোবর্ধন এলাকার মৎস্যচাষি রাইসুল ইসলাম বলেন, হঠাৎ করে পানি বাড়ছে, এদিকে আবার বৃষ্টিও পড়ছে। পুকুরে মাছ রয়েছে, সেগুলো ভেসে যায় কিনা তা নিয়ে খুব চিন্তায় আছি। তাছাড়া পানি কমার সঙ্গে সঙ্গেই আবার ভাঙনও দেখা দেবে। কবে যে তিস্তার কাজ হবে আর আমাদের এই কষ্ট দূর হবে তা জানি না।

একই শঙ্কার কথা জানিয়েছেন খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের আনন্দবাজার এলাকার বাসিন্দা সানজিদা বেগম। তিনি বলেন, শুনলাম তিস্তায় পানি বেড়ে গেছে। ইতোমধ্যে অল্প অল্প করে পানি বাসার দিকে ঢোকা শুরু হয়েছে। রাতের মধ্যে হয়তো আরও বাড়বে, কী যে হবে আমাদের।

সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার জানান, লালমনিরহাটের প্রধান দুটি নদী তিস্তা ও ধরলায় প্রতি বছরই উজানের ঢল ও ভারি বৃষ্টিপাতে পানি বৃদ্ধি পায়, ফলে বন্যা ও নদীভাঙন দেখা দেয়। গত দুই দিনে উজানের ঢল ও বৃষ্টির কারণে পানির এই ওঠানামায় ইতোমধ্যে বেশ কিছু ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টের সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্যমতে আগামী ৭২ ঘণ্টায় ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বা এর কাছাকাছি প্রবাহিত হতে পারে এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তা আবার কমেও যেতে পারে। তবে পানি বৃদ্ধির কারণে যেসব পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিতে পারে, সেগুলো রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ভাঙনরোধে পর্যাপ্ত বালুভর্তি জিও ব্যাগ প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বেলা ৩টায় ৫২ দশমিক ১৬ সেন্টিমিটার দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার। এর আগে মঙ্গলবার সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার এবং সকাল ৯টায় পানি ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। পরে ১২টার দিকে তা বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচে নেমে যায়। কিন্তু এরপরই পানি বাড়তে থাকে এবং বেলা ৩টার দিকে বিপৎসীমা ছাড়িয়ে যায় বলে জানান এই প্রকৌশলী।

তিনি আরও বলেন, পানি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খোলা রয়েছে। উজানের ঢলে এভাবে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তিস্তার নি¤œাঞ্চলের মানুষকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে বলা হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!