× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২৫, ২০২৬, ০১:৪৮ এএম

অর্থমন্ত্রী জানালেন

দেশের বৈদেশিক ঋণ ৭৮.২২ বিলিয়ন ডলার

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২৫, ২০২৬, ০১:৪৮ এএম

দেশের বৈদেশিক ঋণ  ৭৮.২২ বিলিয়ন ডলার

দেশের মোট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ গত মার্চ পর্যন্ত দাঁড়িয়েছে ৭৮ দশমিক ২২ বিলিয়ন বা ৭ হাজার ৮২২ কোটি মার্কিন ডলার। গতকাল বুধবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান বাবুলের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানান।

আরেক প্রশ্নের উত্তরে দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর সমীক্ষায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য সরকার থ্রি-আর কৌশল বাস্তবায়ন করছে বলে মন্ত্রী জানান।

গতকাল বুধবার দিনের কার্যসূচির শুরুতেই প্রশ্নোত্তর পর্বটি টেবিলে উত্থাপিত হয়। লিখিত জবাবে মন্ত্রী জানান, বৈদেশিক ঋণের মধ্যে ৬১ দশমিক ৯৭ শতাংশ সহজ শর্তের এবং ৩৯ দশমিক ০৩ শতাংশ কঠিন বা বাণিজ্যিক শর্তের ঋণ। মন্ত্রী বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনায় বেশকিছু চ্যালেঞ্জের কথা স্বীকার করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৫ সালে বিশ্বব্যাংকের প্রাক্কলন অনুযায়ী বাংলাদেশ নি¤œ-আয়ের দেশ থেকে নি¤œ-মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণে দেশের বৈদেশিক ঋণের সহজ শর্তের সুবিধা ধীরে ধীরে কমে আসছে। এ ছাড়া, ওই সময় থেকে সরকারের নেওয়া বৈদেশিক ঋণের পরিমাণও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এতে সামনের বছরগুলোতে সরকারের ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধের বাধ্যবাধকতা বা দায় আরও বাড়বে’। এ বিষয়গুলো মাথায় রেখে বিএনপি সরকার বেশকিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

তিনি জানান, নতুন বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে ঋণের প্রস্তাব ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প প্রস্তাবগুলো নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে, যেন উচ্চ সুদের বৈদেশিক ঋণ নিয়ে কোনো অপ্রয়োজনীয় বা কম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা না হয়।

মন্ত্রী বলেন, ‘শুধু আর্থিকভাবে লাভজনক প্রকল্পগুলোর জন্যই বৈদেশিক ঋণ বিবেচনা করা হচ্ছে। এ ছাড়া, বৈদেশিক ঋণে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর সময় এবং ব্যয় বৃদ্ধির যে সংস্কৃতি, তা থেকে বেরিয়ে আসতে আমরা প্রকল্পগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।’

তিনি জানান, সরকারের ঋণ ব্যবস্থাপনাকে টেকসই ও সহনশীল করতে সরকার মধ্যমেয়াদি ঋণ ব্যবস্থাপনা কৌশল হালনাগাদ করার কাজ করছে এবং ঋণের স্থায়িত্বশীলতা বিশ্লেষণ করছে।

সামগ্রিক ঋণ ব্যবস্থাপনায় সরকারের ভাবমূর্তি আরও উন্নত করতে সম্প্রতি প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি সংস্কারের একটি পরিকল্পনার কাজও শুরু হয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। সংসদে বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করাকে বর্তমান সরকার মধ্যমেয়াদি অর্থনৈতিক কৌশলের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে গ্রহণ করেছে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার থ্রি-আর স্ট্র্যাটেজি (রিকভারি অ্যান্ড স্ট্যাবিলাইজেশন, রেস্টোরেশন অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকশন ফর অ্যাক্সেলারেশন) বাস্তবায়ন করছে। এই কৌশলের আওতায় ২০৩০-৩১ অর্থবছরের মধ্যে দেশের প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করা, প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) জিডিপির ২ দশমিক ৭ শতাংশে উন্নীত করা এবং মোট বিনিয়োগকে জিডিপির ৪০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে’।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটের মধ্যে প্রস্তাবিত ‘দ্বিতীয় পদ্মা সেতু’ নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনার জন্য ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে’।

অর্থমন্ত্রী জানান, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে প্রতিশ্রুত অন্যতম একটি প্রকল্প। বর্তমানে এই সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে সেতু বিভাগের আওতাধীন সংস্থা বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের অধীনে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনার জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) সেতুটি নির্মাণের জন্য সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ না থাকলেও সম্ভাব্যতা সমীক্ষার জন্য বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নিজস্ব বাজেটে ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া প্রকল্পটি এডিপিতে অননুমোদিত নতুন প্রকল্প তালিকায় (সবুজ পাতা) অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে’।

দ্বিতীয় পদ্মা সেতুকে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, সমীক্ষা শেষ হওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এটি বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারমূলক উন্নয়ন প্রকল্প।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!