× UCB Sticker Card
বুধবার, ০১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১, ২০২৬, ০৪:৩৬ এএম

শোকজ নোটিশ জারি

নিয়োগ জালিয়াতিতে অধ্যক্ষের এমপিও স্থগিত

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১, ২০২৬, ০৪:৩৬ এএম

নিয়োগ জালিয়াতিতে অধ্যক্ষের এমপিও স্থগিত

ভোলার লালমোহন উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের মুসলিমিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. মোস্তফা কামাল উদ্দিন জাফরীর বিরুদ্ধে ভয়াবহ জালিয়াতির প্রমাণ মিলেছে। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের প্রতিনিধির স্বাক্ষর জাল, ভুয়া চিঠি তৈরি এবং অবৈধ নিয়োগ বোর্ড গঠনের মাধ্যমে এক কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করার অপচেষ্টা চালানোয় তার এমপিও (বেতন-ভাতা) সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে জালিয়াতির অপরাধে কেন তার এমপিও স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে তিন কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিস জারি করা হয়েছে। গত সোমবার মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখা থেকে প্রকাশিত এক অফিস আদেশে এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সহকারী পরিচালক (অর্থ) ও এমপিও বাছাই এবং অনুমোদন কমিটির সদস্যসচিব মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদার স্বাক্ষরিত চিঠিতে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে।

অফিস আদেশ সূত্রে জানা যায়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০২৬ অনুযায়ী জুন মাসে এমপিও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছিল। এ সময় ওই মাদ্রাসার ‘অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর’ পদে মো. সাকিল নামের এক ব্যক্তিকে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন পাঠানো হয়। অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আবেদনটি যাচাই করতে গিয়ে দেখতে পান, নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপেই জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। নিয়োগের ক্ষেত্রে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিনিধির ভুয়া চিঠি, জাল ফলাফল বিবরণী এবং মহাপরিচালকের প্রতিনিধির স্বাক্ষর হুবহু জাল করা হয়েছে।

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের নীতিমালা অনুযায়ী, এই জালিয়াতি ও প্রতারণামূলক কর্মকা-ের পরিপ্রেক্ষিতে অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল উদ্দিন জাফরীর (ইনডেক্স নং: বি৩৬৭৬৬১) বেতন-ভাতা সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এটিই তার প্রথম অপরাধ নয়। ইতিপূর্বে একই মাদ্রাসায় ‘সহকারী শিক্ষক (গ্রন্থাগারিক ও তথ্যবিজ্ঞান)’ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রেও একই জালিয়াতি করায় ওই শিক্ষকের নাম এমপিও শিট থেকে বাদ দিয়েছে এবং অধ্যক্ষের বেতন স্থগিত করা হয়েছিল।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল উদ্দিন জাফরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি উল্টো প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘তদ্বির ছাড়া বিল পাঠালে অধিদপ্তর এমনটিই করে। জালিয়াতির বিষয়টি দেখা যাক কী হয়। কারণ দর্শানোর বিষয়টি আমি আইনিভাবে চ্যালেঞ্জ করব।’

অন্যদিকে, এ ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মীর এ কে এম খায়রুল কবির জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়াটি তার দায়িত্ব নেওয়ার আগের। বর্তমানে দুই উপজেলার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অতিরিক্ত কাজের চাপে ফাইলগুলো পুরোপুরি দেখা সম্ভব হয় না বলে তিনি মন্তব্য করেন। তবে অধিদপ্তর কর্তৃক অধ্যক্ষকে শোকজ করার বিষয়টি তিনি শুনেছেন বলে জানান।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!