× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ০৩ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ভিনদেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২, ২০২৬, ০২:৩০ এএম

ছয় দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার তিন বছরের শিশু

ভিনদেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২, ২০২৬, ০২:৩০ এএম

ছয় দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার তিন বছরের শিশু

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ জোড়া ভূমিকম্পের ছয় দিন পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে তিন বছর বয়সি এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় পর জীবিত উদ্ধার হওয়ায় ঘটনাটি দেশজুড়ে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। তবে একই সময়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় দুই হাজারে পৌঁছেছে এবং হাজার হাজার মানুষ এখনো নিখোঁজ থাকায় উদ্বেগ আরও গভীর হয়েছে। উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা জানান, ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার হওয়ার পর শিশুটিকে দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের ভাষ্য, তার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূমিকম্পের পর প্রথম বাহাত্তর ঘণ্টাকে জীবিত উদ্ধারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় ধরা হয়। সেই সময় পেরিয়ে ছয় দিন পর একটি শিশুর জীবিত উদ্ধার অত্যন্ত বিরল ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। গত সপ্তাহে দেশটিতে পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে এখন পর্যন্ত এক হাজার ৯৪৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন দশ হাজারের বেশি মানুষ। বহু মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাজধানী সংলগ্ন লা গুয়াইরা অঞ্চল, যেখানে অসংখ্য ভবন ধসে পড়েছে এবং বহু মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন।

প্রাথমিক মূল্যায়নে দেখা গেছে, প্রায় ৫৯ হাজার ভবন আংশিক বা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, স্বাস্থ্যসেবা ও খাদ্য সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। জাতিসংঘ সতর্ক করেছে, খাদ্যসংকট ও নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে পরিস্থিতি দ্রুত মানবিক বিপর্যয়ে রূপ নিচ্ছে। উদ্ধার অভিযানে দেশীয় বাহিনীর পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞ দল অংশ নিচ্ছে। তবে সময় গড়িয়ে যাওয়ায় জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা ক্রমেই কমে আসছে। অনেক এলাকায় এখন উদ্ধারকারীরা জীবিত মানুষের বদলে মরদেহ উদ্ধারে বেশি সময় ব্যয় করছেন। তবু কোথাও কোথাও স্থানীয় বাসিন্দারা এখনো নিজেদের উদ্যোগে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে স্বজনদের খুঁজে চলেছেন। এদিকে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশ জনবল ও সরঞ্জাম পাঠিয়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো জরুরি খাদ্য, চিকিৎসা ও আশ্রয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে কাজ শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূমিকম্প-পরবর্তী এই মানবিক সংকট কাটিয়ে উঠতে শুধু উদ্ধার অভিযান নয়, দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন, অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতাও অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে।

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!