× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ০৩ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কাজী আহমেদ শামীম, লেখক ও বিশ্লেষক

প্রকাশিত: জুলাই ৩, ২০২৬, ০২:৫৭ এএম

বিশ্বকাপে সাফল্য ও অভিবাসী ফুটবলার ফ্যাক্টর

কাজী আহমেদ শামীম, লেখক ও বিশ্লেষক

প্রকাশিত: জুলাই ৩, ২০২৬, ০২:৫৭ এএম

বিশ্বকাপে সাফল্য ও অভিবাসী ফুটবলার ফ্যাক্টর

বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই কোটি কোটি মানুষের উন্মাদনা, আবেগ আর মাঠের তুমুল লড়াই। প্রতি চার বছর পর পর যখন এই মহাযজ্ঞের আসর বসে, তখন বিশ্বজুড়ে একটাই প্রশ্ন প্রতিধ্বনিত হয়Ñ কে জিতবে সোনালি ট্রফিটি? ১৯৩০ সালে বিশ্বকাপ ফুটবল যাত্রা শুরু করার পর থেকে এ পর্যন্ত ৮০টিরও বেশি দেশ এই বৈশ্বিক মঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পেয়েছে। কিন্তু বিস্ময়কর হলেও সত্য, দীর্ঘ ৯৬ বছরের ইতিহাসে মাত্র আটটি দেশ এই পরম আরাধ্য ট্রফিটি নিজেদের ঘরে তুলতে পেরেছে। কেন ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্ব কেবল মুষ্টিমেয় কয়েকটি দেশের মাঝেই সীমাবদ্ধ? এই প্রশ্নটি কেবল সাধারণ ফুটবল অনুরাগী বা বোদ্ধাদেরই ভাবায় না, বরং বিশ্বের ক্ষমতাধর রাজনৈতিক নেতাদেরও তাড়িয়ে বেড়ায়।

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং থেকে শুরু করে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমান, সবাই নিজ নিজ দেশের ফুটবলীয় গৌরব অর্জনের জন্য ব্যাকুল। কারণ, সবুজ মাঠের এ সাফল্য কেবল খেলাই নয়, এটি একটি দুর্দান্ত রাজনৈতিক হাতিয়ারও বটে; যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি রাতারাতি উজ্জ্বল করতে পারে এবং দেশের ভেতরের জনমনে এক অভূতপূর্ব সাড়া জাগাতে পারে।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই অধরা সাফল্য অর্জনের মূল চাবিকাঠি আসলে কী? সম্প্রতি প্রভাবশালী সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট ফুটবলে জাতীয় দলগুলোর সাফল্যের রহস্য উন্মোচনে একটি গাণিতিক ও পরিসংখ্যানগত মডেল তৈরি করেছে। দলগুলোর শক্তিমত্তা যাচাইয়ের জন্য তারা টুর্নামেন্টের সাধারণ ফলাফলের চেয়ে দাবার আদলে তৈরি ‘ইলো রেটিং’ (ঊষড় জধঃরহম)-কে ভিত্তি হিসেবে ধরেছে, যা প্রতিপক্ষের মান ও খেলার গভীরতা সঠিকভাবে পরিমাপ করতে পারে। এই গবেষণায় একটি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা, জনসংখ্যা, ভৌগোলিক অবস্থান, এমনকি পুরুষদের গড় উচ্চতার মতো বিষয়গুলোও খতিয়ে দেখা হয়েছে।

দেখা গেছে, সম্পদ, জনসংখ্যা, উচ্চতা এবং অঞ্চলের মতো প্রথাগত উপাদানগুলো একটি দেশের ফুটবলীয় সাফল্যের প্রায় ৭০ শতাংশ নির্ধারণ করে দেয় । ধনী দেশগুলো স্বভাবতই তাদের উন্নত সুযোগ-সুবিধা, আধুনিক একাডেমি এবং কোচিং প্যানেলের পেছনে বিপুল অর্থ ঢালতে পারে। কিন্তু কেবল অর্থই যে সাফল্যের একমাত্র চাবিকাঠি নয়, তার বড় প্রমাণ আমেরিকা বা মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ পারস্য উপসাগরীয় রাজতন্ত্রগুলো; বিপুল অর্থ ও ফুটবলের প্রতি প্রবল উন্মাদনা থাকা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক মঞ্চে তারা এখনো আশানুরূপ পারফরম্যান্স দেখাতে পারছে না।

আবার জনসংখ্যার দিক থেকে শত কোটির দেশ চীন কিংবা ভারতও ফুটবলে পরাশক্তি হতে পারেনি, দুই দেশ মিলিয়ে এ পর্যন্ত মাত্র একবারই বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলতে পেরেছে। শারীরিক গঠনের দিক থেকে গোলরক্ষক বাদে বাকি খেলোয়াড়দের জন্য আদর্শ উচ্চতা ১৮১ সেন্টিমিটারের কাছাকাছি হওয়া প্রয়োজন। এর বাইরে সবচেয়ে বড় নিয়ামক হলো আঞ্চলিক ফুটবল সংস্কৃতি; যার কারণে দক্ষিণ আমেরিকা ও ইউরোপের দলগুলো ঐতিহাসিকভাবেই অন্যদের চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে থাকে এবং এ সাফল্য দশকের পর দশক ধরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চক্রাকারে আবর্তিত হয়।

তাহলে কি প্রথাগত পরাশক্তিদের বাইরে অন্য কোনো দেশের পক্ষে এই বৃত্ত ভাঙা অসম্ভব? ফুটবল বিশ্ব বলছেÑ না, অসম্ভব নয়। তবে তার জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি এবং অত্যন্ত ব্যয়বহুল পরিকল্পনা, যেমনটা করেছে এশিয়ার পরাশক্তি জাপান। ১৯৯২ সালে নিজেদের ঘরোয়া ফুটবল কাঠামো পুরোপুরি বদলে ফেলে তারা ১০০ বছরের এক মহাপরিকল্পনা (‘ঐঁহফৎবফ ণবধৎ ঠরংরড়হ’) হাতে নেয়, যার সুফল তারা আজ পাচ্ছে। কিন্তু বর্তমানের দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে দীর্ঘ এক শতাব্দী অপেক্ষা করার ধৈর্য বা আর্থিক সক্ষমতা সব দেশের থাকে না। বিশেষ করে অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া প্রায় অসম্ভব। আর ঠিক এই জায়গাতেই ফুটবলের আধুনিক দৃশ্যপট বদলে দিচ্ছে একটি জাদুকরী ও দ্রুততম সমাধানÑ‘প্রতিভা আমদানি’ বা অভিবাসী ফুটবলারদের অন্তর্ভুক্তি।

আজকের আধুনিক ফুটবলে অভিবাসন ও বৈচিত্র্য কেবল একটি সামাজিক বাস্তবতা নয়, এটি ট্রফি জয়ের সবচেয়ে কার্যকরী ও আধুনিক কৌশল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে এই রূপান্তরটি আরও স্পষ্টভাবে বোঝা যায়। ১৯৯৪ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে যেখানে দলগুলোতে অন্য দেশে জন্মগ্রহণকারী বা বিদেশি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের হার ছিল মাত্র ৯ শতাংশ, আজ ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে তা লাফিয়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৪ শতাংশে। অর্থাৎ, আধুনিক বিশ্বকাপের প্রতি চারজন খেলোয়াড়ের মধ্যে একজনই কোনো না কোনোভাবে অভিবাসনের সঙ্গে যুক্ত।

এই কৌশলটি ব্যবহার করে রাতারাতি বিশ্ব ফুটবলের মানচিত্রে নিজেদের অবস্থান বদলে দিচ্ছে আফ্রিকার দেশ সেনেগাল। নিজেদের দেশে বিশ্বমানের ফুটবল অবকাঠামো বা একাডেমি না থাকা সত্ত্বেও তারা আজ বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দল, কারণ তারা ইউরোপেরÑ বিশেষ করে ফ্রান্সের, উন্নত একাডেমিতে তৈরি হওয়া নিজেদের বিশাল প্রবাসী বা ডায়াসপোরা প্রতিভাকে জাতীয় দলে টেনে নিয়েছে। সেনেগালের বর্তমান স্কোয়াডের প্রায় অর্ধেক খেলোয়াড়ই হলেন ইউরোপে পাড়ি জমানো অভিবাসী বাবা-মায়ের সন্তান। এটি যেন এক অনন্য অর্থনৈতিক সমীকরণ; যেভাবে অনুন্নত দেশগুলো প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপর ভর করে অর্থনীতি সচল রাখে, সেনেগাল ঠিক তেমনি তাদের মানবসম্পদ রপ্তানির মাধ্যমে ফুটবলের বৈশ্বিক মঞ্চে সাফল্যের ফসল ঘরে তুলছে।

সেনেগালের চেয়েও আরও ভালো উদাহরণ তৈরি করেছে কুরাসাও এবং কেপ ভার্দে। কুরাসাও দলের ৯৬ শতাংশ এবং কেপ ভার্দে দলের ৬২ শতাংশ খেলোয়াড়ই জন্ম নিয়েছেন নিজ দেশের সীমানার বাইরে, অন্য কোনো উন্নত দেশে। কাতার বা চীনের মতো অতি-ধনী দেশগুলো, যারা সাধারণত নিজেদের নাগরিকত্ব বা পাসপোর্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত রক্ষণশীল ও কঠোর, তারাও ফুটবলের সাফল্যের মোহে বিদেশি ফুটবলারদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য নিজেদের আইন শিথিল করছে। এমনকি কিছু দেশ ফিফার নিয়মের তোয়াক্কা না করে ভুয়া বংশোদ্ভূত সনদ তৈরি করে খেলোয়াড় নামানোর মতো মরিয়া আচরণও করছে, যা প্রমাণ করে এই অভিবাসী প্রতিভার বাজার কতটা প্রতিযোগিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

গবেষণা এবং মাঠের ফলাফলÑ উভয়ই এই অভিবাসন নীতির পক্ষে কথা বলছে। তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, যেসব জাতীয় দলে অন্য দেশে জন্ম নেওয়া বা অভিবাসী খেলোয়াড়দের সংখ্যা বেশি, সম্পদ বা ফুটবলীয় ঐতিহ্যের সীমাবদ্ধতা থাকার পরেও তারা টুর্নামেন্টে অনেক দূর পর্যন্ত এগিয়ে যায়। এর সবচেয়ে বাস্তব ও অবিস্মরণীয় উদাহরণ হলো কাতার বিশ্বকাপের মরক্কো দল। বিশ্বের সব বড় বড় পরাশক্তিকে স্তব্ধ করে দিয়ে প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে মরক্কো যখন বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পা রাখে, তখন তাদের ২৬ সদস্যের স্কোয়াডের মধ্যে ১৪ জনই ছিলেন মরক্কোর বাইরে জন্মগ্রহণকারী অভিবাসী সন্তান। ইউরোপের মাটিতে বড় হওয়া এই ফুটবলাররাই মরক্কোকে এনে দিয়েছিল ঐতিহাসিক ফুটবলীয় গৌরব ।

অভিবাসনের এই সুফল কিন্তু একমুখী নয়, এটি একই সঙ্গে উন্নত এবং উন্নয়নশীল উভয় বিশ্বকেই সমৃদ্ধ করছে। আফ্রিকার দেশগুলো যেমন তাদের প্রবাসী প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে শক্তিশালী হচ্ছে, ঠিক তেমনি ইউরোপের পরাশক্তিগুলোও অভিবাসীদের সন্তানদের ওপর ভর করেই তাদের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখেছে। বর্তমান বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় বিস্ময় বালক ও স্পেনের প্রধান তারকা লামিন ইয়ামাল হলেন মরক্কো ও ইকুইটর গিনি থেকে আসা ভাগ্যসন্ধানী অভিবাসী দম্পতির সন্তান। ইংল্যান্ডের আক্রমণভাগের অন্যতম প্রধান দুই অস্ত্র বুকায়ো সাকা এবং মার্কাস রাশফোর্ড যথাক্রমে নাইজেরিয়ান ও ক্যারিবিয়ান বংশোদ্ভূত। আর ফ্রান্স দলের দিকে তাকালে তো একে আক্ষরিক অর্থেই এক বৈশ্বিক বহুমাত্রিক দল বলে ভুল হতে পারে, কারণ ফরাসি স্কোয়াডের সিংহভাগ খেলোয়াড়ই এসেছেন অভিবাসী পরিবার থেকে।

ফ্রান্স টিমের খেলোয়াড় ডেজিরে দুয়ে-র পারিবারিক গল্পটিই ধরুনÑ ডেজিরে নিজে খেলছেন ফ্রান্সের জাতীয় দলের জার্সিতে, অথচ তার আপন ভাই গুয়েলা আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করছেন তাদের পিতৃভূমি আইভরি কোস্টের। ২০২৩ সালের একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণায় স্পষ্টভাবে দেখা গেছে, একটি দলের ‘বংশগত বৈচিত্র্য’ (অহপবংঃৎধষ উরাবৎংরঃু) যত বেশি হয়, মাঠে তাদের পারফরম্যান্স ও কৌশলগত উদ্ভাবনী ক্ষমতা তত বৃদ্ধি পায়। এর বিপরীতে কঠোর ও সংকীর্ণ নাগরিকত্ব আইনের কারণে ইতালির মতো চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দল যখন তরুণ অভিবাসী প্রতিভাদের দলে নিতে ব্যর্থ হয়, তখন তাদের বিশ্বকাপের মূল পর্ব থেকে ছিটকে যাওয়ার মতো চরম মূল্য চোকাতে হয়।

তবে এই বৈচিত্র্য ও অভিবাসন নীতির পথ সবসময় মসৃণ বা কুসুমাস্তীর্ণ নয়। মাঠের ভেতরে এই অভিবাসী ফুটবলাররা দেশকে গৌরব এনে দিলেও, মাঠের বাইরে তাদের প্রতিনিয়ত বর্ণবাদ, ঘৃণা আর সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদের মুখোমুখি হতে হয়। ইউরোপ বা উন্নত বিশ্বের উগ্র ডানপন্থি ও অভিবাসন বিরোধীরা দলগুলোর এই বহুমাত্রিক রূপকে সহজে মেনে নিতে পারে না। ইংল্যান্ড বা ফ্রান্স যখন কোনো টুর্নামেন্টে জয়লাভ করে, তখন এই কৃষ্ণাঙ্গ বা অভিবাসী খেলোয়াড়রাই হয়ে ওঠেন জাতীয় বীর; কিন্তু দল যখনই পরাজিত বা টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যায়, তখনই সমস্ত ক্ষোভ আর জাতিগত বিদ্বেষের তীর এসে পড়ে এই অশ্বেতাঙ্গ খেলোয়াড়দের ওপর। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, বহু-জাতিগত দলের জয় সমাজে অভিবাসীদের প্রতি সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ইতিবাচক করতে ভূমিকা রাখে, কিন্তু দলের একটি মাত্র পরাজয় উগ্র ডানপন্থিদের হাতকে শক্তিশালী করে তোলে এবং অভিবাসীদের সামাজিক নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে দেয়।

পরিশেষে বলা যায়, আধুনিক ফুটবল আর কেবল নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানার ভেতরে আটকে থাকা কোনো খেলা নয়। বৈশ্বিক অভিবাসন, সংস্কৃতির মিশ্রণ এবং বংশগত বৈচিত্র্যই বর্তমান ফুটবলের নতুন চালিকাশক্তি। যে দেশগুলো নিজেদের সীমানা ও মনকে বিশ্ববাসীর জন্য উন্মুক্ত করতে পেরেছে, ফুটবলের ভাগ্যদেবী আজ তাদের দিকেই বেশি হাসছেন। ফুটবল মাঠের এই জয়-পরাজয় তাই কেবল ৯০ মিনিটের খেলা বা ট্রফি উঁচিয়ে ধরার অহংকার নয়; এটি আসলে একটি দেশের সামাজিক সহনশীলতা, উন্মুক্ততা এবং বিশ্বায়নকে গ্রহণ করার এক জীবন্ত পরীক্ষা। যে বিশ্বায়নের যুগে ফুটবল দলগুলো নিজেদের বৈচিত্র্যময় করে তুলছে, সেখানে সংকীর্ণতার দেওয়ালে বন্দি দেশগুলোর জন্য বিশ্বকাপের মঞ্চে টিকে থাকা আগামী দিনে আরও কঠিন হয়ে পড়বে, তা বলাই বাহুল্য।

(দ্য ইকোনমিস্ট অবলম্বনে)

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!