× UCB Sticker Card
সোমবার, ০৬ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn
বন কর্মকর্তার পকেট ভারী

অভয়ারণ্যে বাঁশ নিধনের মহোৎসব

চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ৬, ২০২৬, ০৭:০৬ এএম

অভয়ারণ্যে বাঁশ নিধনের মহোৎসব

সরকারি নিষেধাজ্ঞা এবং অভয়ারণ্য ঘোষণার আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দক্ষিণ চট্টগ্রামের চন্দনাইশের ধোপাছড়ী ও সাঙ্গু বিট এলাকায় চলছে বাঁশ নিধনের মহোৎসব। জুন থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত প্রজনন মৌসুমে বাঁশ কাটা ও পরিবহনে সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকলেও অসাধু বন কর্মকর্তাদের যোগসাজশ থাকায় তা মানছেন না সিন্ডিকেট সদস্যরা। বন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পকেটে নির্ধারিত ‘চাঁদা’ পৌঁছে দিলেই অভয়ারণ্যের ভেতর থেকে নির্বিঘেœ বাঁশ কেটে পাচার করা হচ্ছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, দোহাজারী রেঞ্জ কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন, ধোপাছড়ী বিট কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাব্বি এবং সাঙ্গু বিট কর্মকর্তা সুজিত চাকমার প্রত্যক্ষ মদতেই এই অবৈধ বাণিজ্য চলছে। সিন্ডিকেটের এক বাঁশ ব্যবসায়ী জানান, প্রতিটি বাঁশের চালি পরিবহনের জন্য দোহাজারী রেঞ্জকে ৩ টাকা এবং বিট অফিসকে ৫ টাকা হারে ঘুষ দিতে হয়। রুবেল সিন্ডিকেট, কামাল সিন্ডিকেট এবং বান্দরবানের মোস্তাক সিন্ডিকেট এই অবৈধ বাণিজ্যের মূল হোতা।

অভয়ারণ্যের ভেতর থেকে ছড়া দিয়ে বাঁশগুলো শঙ্খনদীর মুখে নিয়ে আসা হয়। এরপর সাঙ্গু বিট অফিসের আওতাধীন চেয়ারম্যানঘাটা ও সেমিরমুখ এলাকায় গড়ে তোলা হয়েছে বিশাল সব অবৈধ ডিপো। প্রতি বৃহস্পতিবার রাতে শুরু হওয়া বাঁশের চালি শনিবার ভোররাতে দোহাজারী রেলওয়ে শঙ্খনদী ব্রিজের নিচে পৌঁছায়। বিট অফিসের মাত্র ৫০০ ফুট দূর দিয়ে হাজার হাজার বাঁশ পাচার হলেও কর্মকর্তারা অদ্ভুত নীরবতা পালন করেন।

এ বিষয়ে দোহাজারী রেঞ্জ কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেনসহ অভিযুক্ত বিট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা সদুত্তর না দিয়ে প্রতিবেদককে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। কোনো আইনানুগ পদক্ষেপ না নিয়ে উল্টে তারা ফোন কেটে দেন।

স্থানীয় পরিবেশ সচেতন সমাজ অবিলম্বে চেয়ারম্যানঘাটা ও সেমিরমুখের অবৈধ ডিপোগুলো উচ্ছেদ এবং সিন্ডিকেটের হোতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ধোপাছড়ী ইউপি সদস্য মোজাম্মেল হক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকার জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য অভয়ারণ্য ঘোষণা করেছে, আর কর্মকর্তারা বাঁশ ও গাছ চুরির সিন্ডিকেট তৈরি করে নিজেদের পকেট ভারী করছেন।

এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের সহকারী বনসংরক্ষক (এসিএফ) মো. নাবিদ ইসলাম জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!