× UCB Sticker Card
বুধবার, ০৮ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২৬, ০৬:০৪ এএম

বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে তিস্তার পানি, ১২ জেলায় বন্যার শঙ্কা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২৬, ০৬:০৪ এএম

বিপৎসীমা অতিক্রম করতে  পারে তিস্তার পানি, ১২  জেলায় বন্যার শঙ্কা

দেশের সব প্রধান নদ-নদী এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তিস্তাসহ দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বেশ কয়েকটি নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে। এতে তিস্তা নদী বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে এবং ১২ জেলার বিভিন্ন এলাকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মোস্তফা কামাল জিহানের সই করা বৃষ্টিপাত ও নদ-নদীর পরিস্থিতিবিষয়ক পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশের সব প্রধান নদ-নদী বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী, পর্যবেক্ষণাধীন কোনো নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। মোট ১২৭টি পানি সমতল পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের মধ্যে ৩৮টিতে পানি বেড়েছে, ৮৬টিতে কমেছে এবং তিনটিতে অপরিবর্তিত রয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগে অতিভারি এবং সিলেট ও বরিশাল বিভাগে, পাশাপাশি ভারতের মেঘালয় ও ত্রিপুরায় ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাত হয়েছে। আগামী চার দিন চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ এবং তৎসংলগ্ন ভারতের ত্রিপুরা, আসাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ২৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে চট্টগ্রামে। এ ছাড়া চট্টগ্রামের নারায়ণহাটে ১৬৫ মিলিমিটার, কক্সবাজারের টেকনাফে ১৫৮ মিলিমিটার, কক্সবাজারে ১২৯ মিলিমিটার, চট্টগ্রামের রামগড়ে ১০৫ মিলিমিটার, বান্দরবানে ১০২ মিলিমিটার, সুনামগঞ্জের মহেশখোলায় ১০১ মিলিমিটার, চট্টগ্রামের পাঁচপুকুরিয়ায় ৯৫ মিলিমিটার, বান্দরবানের লামায় ৯৩ মিলিমিটার, ফেনীর পরশুরামে ৭৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

এদিকে ভারতের মেঘালয়ের মাওকিরওয়াতে ১৫৩ মিলিমিটার, আর কে এম সোহরায় ১৪১ মিলিমিটার, চেরাপুঞ্জিতে ১৩৩ মিলিমিটার এবং দক্ষিণ ত্রিপুরার সাবরামে ৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা বাংলাদেশের উজানের নদীগুলোর পানি বৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গোমতী, মুহুরি, ফেনী, সেলোনিয়া, হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে। এতে বান্দরবান, কক্সবাজার, ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ির কিছু স্থানে নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। ফলে নদীসংলগ্ন নি¤œাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর নদীসংলগ্ন নিচু এলাকা সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলেও বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে। আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার কিছু স্থানে নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নি¤œাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

এ ছাড়া রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি আগামী তিন দিনে দ্রুত বাড়তে পারে। এর মধ্যে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিস্তা নদী বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে নীলফামারী ও লালমনিরহাট জেলার নদীসংলগ্ন নি¤œাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। একই সময়ে ধরলা ও দুধকুমার নদী লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার কিছু স্থানে সতর্ক সীমায় পৌঁছাতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নি¤œাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

অন্যদিকে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি আগামী তিন দিন কমে পরবর্তী দুই দিন বাড়তে পারে। গঙ্গা নদীর পানি আগামী তিন দিন স্থিতিশীল থেকে পরে বাড়তে পারে। তবে পদ্মা নদীর পানি আগামী পাঁচ দিন কমতে পারে। সব প্রধান নদীই এ সময়ে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!