× UCB Sticker Card
বুধবার, ০৮ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মেহেদী হাসান খাজা

প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২৬, ০৬:৩২ এএম

অভ্যন্তরীণ আস্থাহীনতায় অসন্তোষ-অস্বস্তি বাড়ছে

মেহেদী হাসান খাজা

প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২৬, ০৬:৩২ এএম

অভ্যন্তরীণ আস্থাহীনতায়  অসন্তোষ-অস্বস্তি বাড়ছে

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকে সুবিধাবাদীদের ভিড়ে কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন ত্যাগী নেতাকর্মীরা। দলের অভ্যন্তরে দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ, অসন্তোষ ও অবমূল্যায়নের অভিযোগ ক্রমশ প্রকাশ্যে আসছে। মাঠ পর্যায়ের একাংশের দাবি, দলের জন্য যারা বছরের পর বছর হামলা-মামলা ও নানামুখী প্রতিকূলতা সহ্য করে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন, বর্তমানে দলীয় পুনর্গঠন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় তারা কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন।

রাজনীতি বিশ্লেষক ও আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠে থাকা বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী দৈনিক রূপালী বাংলাদেশকে জানান, রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় ক্ষমতার বাইরে থাকা একটি দলের জন্য সবচেয়ে বড় শক্তি তার তৃণমূলের কর্মীরা। প্রতিকূল সময়ে যারা দলীয় পতাকা বহন করেন, মামলা-মোকদ্দমা, গ্রেপ্তার, আর্থিক ক্ষতি কিংবা সামাজিক চাপ মোকাবিলা করেও সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রাখেন, তারাই হয়ে ওঠেন রাজনৈতিক সংগ্রামের মূল ভিত্তি। কিন্তু রাজনৈতিক বাস্তবতা বদলে গেলে সেই কর্মীদের অবস্থান সব সময় একই থাকে না। নতুন পরিস্থিতি, নতুন ক্ষমতার সমীকরণ এবং নতুন স্বার্থগোষ্ঠীর উত্থানের কারণে অনেক সময় পুরোনো যোদ্ধারা নিজেদের সংগঠনের ভেতরে উপেক্ষিত বোধ করেন। সরকার গঠনের পর বিএনপির বিভিন্ন স্তরে বর্তমানে ‘হাইব্রিডরা’ এগিয়ে থাকায় পরীক্ষিত ও ত্যাগীরা পিছিয়ে পড়ছেন; যার কারণে নেতাকর্মীদের মধ্যে একধরনের অসন্তোষ ও অস্বস্তি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। 

সম্প্রতি লক্ষ করা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা অনেক নেতাকর্মীর অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে এমন কিছু ব্যক্তি প্রভাবশালী হয়ে উঠছেন, যারা দুর্দিনে মাঠে ছিলেন না। বরং সুসময়ের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ার পর তারা সক্রিয় হয়ে সাংগঠনিক পদ, প্রভাব এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্রবিন্দুতে জায়গা করে নিচ্ছেন। ফলে ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীদের একটি অংশ নিজেদের ক্রমশ কোণঠাসা মনে করছেন। দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বললে একটি বিষয় বারবার সামনে আসেÑ দীর্ঘ সময় ধরে রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যে থাকা কর্মীদের অনেকেই মনে করছেন, তাদের অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়িত হচ্ছে না।

দুঃসময়ের রাজনীতি আর সুসময়ে রাজনীতি করা এক নয় :

তৃণমূলের একাধিক নেতাকর্মী আক্ষেপ করে বলছেন, ‘দুঃসময়ে রাজনীতি করা আর সুসময়ে রাজনীতি করা এক বিষয় নয়। যারা কঠিন সময়ে দলের জন্য মূল্য দিয়েছেন, তাদের অনেকেই এখন সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ার বাইরে চলে যাচ্ছেন।’ ত্যাগীদের এ ধরনের বক্তব্য শুধু একটি অঞ্চল বা ইউনিটে সীমাবদ্ধ নয়। বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও মহানগর পর্যায় থেকেও একই ধরনের অভিযোগ উঠে আসছে। অনেক জায়গায় এসব বিষয় নিয়ে ত্যাগীরা ব্যাপক ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন।

‘হাইব্রিডরা’ এগিয়ে; পরীক্ষিত ও ত্যাগীরা পিছিয়ে :

বিএনপির অভ্যন্তরীণ আলোচনায় সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত শব্দগুলোর একটি হলো ‘হাইব্রিড’। দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষায়, হাইব্রিড বলতে এমন ব্যক্তিদের বোঝানো হয়, যারা দীর্ঘ সময় দলীয় কর্মকা-ে সক্রিয় ছিলেন না কিংবা ভিন্ন রাজনৈতিক বলয়ের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন কিন্তু রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনের পর দ্রুত বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। তৃণমূলের অনেক নেতার অভিযোগ, এসব ব্যক্তির একটি অংশ অর্থনৈতিক সামর্থ্য, সামাজিক প্রভাব কিংবা ব্যক্তিগত যোগাযোগকে কাজে লাগিয়ে সাংগঠনিক কাঠামোর ভেতরে দ্রুত অবস্থান তৈরি করছেন। ফলে বহু বছরের পরীক্ষিত কর্মীরা নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন। যদিও দলীয়ভাবে এ ধরনের অভিযোগের সবকিছু স্বীকৃত নয়, তবু বিভিন্ন পর্যায়ে এই আলোচনা এতটাই বিস্তৃত হয়েছে যে বিষয়টি এখন সংগঠনের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির অন্যতম আলোচিত ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।

নতুনদের প্রভাব পুরোনো ও পরীক্ষিতদের অবস্থান দুর্বল করে দেয় :

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলে অনুপ্রবেশ শুধু বিএনপির সমস্যা নয় বরং দক্ষিণ এশিয়ার বহু রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রেই দেখা যায়, যখন কোনো দল দীর্ঘ সংগ্রামের পর শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছায়, তখন সেখানে নতুন মুখের আগমন বেড়ে যায়। কারণ রাজনৈতিক প্রভাব, সামাজিক মর্যাদা, ব্যাবসায়িক সুযোগ কিংবা প্রশাসনিক যোগাযোগÑ এসব বিষয় অনেক মানুষকে রাজনৈতিক সংগঠনের দিকে আকৃষ্ট করে। কিন্তু সমস্যার সৃষ্টি হয় তখনই, যখন নতুন আগতদের প্রভাব সংগঠনের পুরোনো ও পরীক্ষিত কর্মীদের অবস্থান দুর্বল করে দেয়।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, কোনো দলের জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি বাইরের প্রতিপক্ষ নয়, বরং অভ্যন্তরীণ আস্থাহীনতা। যখন একজন কর্মী মনে করেন তার ত্যাগের মূল্য নেই, তখন তার সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা কমে যেতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এটি দলীয় শক্তিকে দুর্বল করে। তৃণমূল পর্যায়ের কিছু নেতাকর্মী অভিযোগ করছেন, কোথাও কোথাও নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা কিংবা রাজনৈতিক অবদানের চেয়ে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ে আত্মীয়স্বজন, ঘনিষ্ঠ ব্যাবসায়িক সহযোগী কিংবা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আশপাশের মানুষদের সাংগঠনিক সুবিধা পাওয়ার অভিযোগও শোনা যাচ্ছে। যদিও এসব অভিযোগের সব কটির স্বাধীন যাচাই সম্ভব নয়, তবু অভিযোগগুলোর ব্যাপকতা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে মাঠ পর্যায়ে একটি আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। অনেক কর্মীর ভাষায়, ‘সমস্যা শুধু পদ পাওয়া-না-পাওয়ার নয়; সমস্যা হলো অবদানের স্বীকৃতি।’ এই স্বীকৃতির প্রশ্নটিই এখন বিএনপির তৃণমূল রাজনীতির অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

নেতাকর্মীরা নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব নিয়ে শঙ্কায় :

দলীয় সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে কেন্দ্র থেকে শুরু করে জেলা ও তৃণমূল পর্যায়ের বিভিন্ন কমিটিতে অপেক্ষাকৃত নতুন ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের অনুপ্রবেশ ঘটছে। এর ফলে রাজপথের লড়াকু নেতাকর্মীরা নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষায় চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। ত্যাগী নেতাদের অভিযোগÑ অর্থনৈতিক প্রভাব, লবিং ও চাটুকারিতার ভিড়ে তাদের দীর্ঘদিনের আত্মত্যাগ ও অবদান ঢাকা পড়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠতা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন না করে পকেট কমিটি গঠনের কারণে অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও উপদলীয় কোন্দল মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।

দলের কঠিন সময়ের সাহসীরা অবমূল্যায়িত :

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রবীণ নেতা জানান, দলের কঠিন সময়ে যারা বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, আজ তাদেরই নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়া থেকে দূরে রাখা হচ্ছে। এই অবমূল্যায়ন মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের মনোবল ভেঙে দিচ্ছে, যা আগামী দিনের যেকোনো রাজনৈতিক কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি যদিও একটি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত রাজনৈতিক দল হিসেবে এসব সংকট সমাধান করে হয়তো ঘুরে দাঁড়াবে; তবে সর্বাগ্রে অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক চর্চা ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

দলের ভেতরে ষড়যন্ত্র হচ্ছে :

এদিকে বেশ কিছুদিন আগে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক বৈঠকে তৃণমূল ও মাঠ পর্যায়ের একাধিক নেতাকর্মী অভিযোগ করেন, বিএনপির ভেতরে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এর সমাধান না হলে বিএনপি সাংগঠনিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে উল্লেখ করা হয়।

এসব বিষয় নিয়ে সৈয়দপুর জেলার বিএনপি নেতা মো. আলমগীর বলেন, যারা আমাদের ওপর অত্যাচার করেছে, তারাই আজ বিএনপির প্রথম কাতারে। এই হাইব্রিড যেন বিএনপিতে কোনো জায়গা না পায়। নীলফামারী জেলার যুবদল নেতা শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী বলেন, দলের ভেতরে এখন বিশৃঙ্খলা দেখতে পাচ্ছি। কিছু সুবিধাবাদীদের দেখা যাচ্ছে। এসব সুবিধাবাদী ত্যাগীদের বিতাড়িত করতে চায়। দলের অনেক নেতা ত্যাগ স্বীকার করেছেন। এই ত্যাগীদের কথা যাতে আমরা ভুলে না যাই।  নওগাঁর মহাদেবপুর এলাকার আলী আকবর বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন আন্দোলন করে জনগণকে নিয়ে দলকে রাষ্ট্রক্ষমতায় এনেছি এবং দল সুসংগঠিত করেছি। এখন সুবিধাবাদীদের দ্বারা যেটা হচ্ছে, সেটা মেনে নিতে পারছি না।’ যশোর জেলার যুবদল নেতা জনি জানান, প্রত্যেক জায়গায় হাইব্রিড ও গ্রুপিং হচ্ছে। নিজেদের মধ্যে এসব গ্রুপিং দূর করে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিএনপিকে কাজ করতে হবে। সেটা না হলে দল ক্ষতিগ্রস্ত হবে, পাশাপাশি আমরাও ক্ষতির মুখে পড়ব। কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির নেতা বিপ্লব বলেন, ‘আমরা অনেক মামলা-হামলার শিকার হয়েছি। দলের দুঃসময়ে যারা ছিলেন না, সেই সব সুবিধাবাদী এখন বিএনপিতে ভালো জায়গায় আছে।’ দিনাজপুর জেলা ছাত্রদলের নেতা নুরুজ্জামান জানান, দলকে শক্তিশালী করতে হবে। ৫ আগস্টের পর বিএনপির ভেতরে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। তাদের চিহ্নিত করতে হবে। ত্যাগীদের কোণঠাসা ও বহিষ্কার করা হচ্ছে। পদ স্থগিত করা হচ্ছে। তাদের পদ ফিরিয়ে দিতে হবে। তৃণমূলকে জাগাতে হবে, হাইব্রিডদের ঠেকাতে হবে। টাঙ্গাইলের মধুপুর এলাকার বিএনপি নেতা আরিফ হোসেন জানান, যারা গত ১৫ বছর ছিল না, তারা এখন আমাদের ঘরে ঢুকে ঐক্য বিনষ্ট করতে চাইছে। তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করলে বিএনপি আরও শক্তিশালী হবে। সারা দেশে এমন অসংখ্য নেতাকর্মীর সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, হাইব্রিডদের ঠেকাতে হবে। আর সেটা না হলে দল রাজনৈতিক সংকটে পড়বে বলে তাদের ধারণা। 

যারা আন্দোলন-সংগ্রামে অবদান রেখেছে, দল তাদেরই মূল্যায়ন করবে : এসব বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চোধুরী বলেছেন, দলে হাইব্রিড ও সুবিধাভোগীদের অনুপ্রবেশ ঘটছে, এরকম অভিযোগ আমরা শুনছি। এ ছাড়া এতদিন আওয়ামী লীগ করছে, এখন বিএনপি করছে, এমন কথাও বলা হচ্ছে। আমরা এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখছি। যারা ১৭ বছর আন্দোলন-সংগ্রামে অবদান রেখেছে, দল তাদেরই মূল্যায়ন করবে।

আন্দোলনে যাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি, তারাই এখন প্রভাবশালী : জানতে চাইলে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিএনপির রাজনীতিতে বর্তমান যেসব হাইব্রিড নেতা দেখা যাচ্ছে, তাদের বিষয়ে বিএনপি সাংগঠনিকভাবে বেশ সতর্ক আছে। পাশাপাশি বিএনপিতে এখন অনেকেই যোগদান করতে চাইছে, আপাতত দলে যোগদানের কার্যক্রমের কোনো নির্দেশনা নেই।

সিনিয়র বেশ কয়েকজন নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, এটা শুধু বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। দল সমর্থিত বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের মধ্যেও বিস্তার করেছে। সাংবাদিক, চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ার, উকিল, শিক্ষক থেকে শুরু করে অন্যান্য পেশার মধ্যেও দৌরাত্ম্য বেড়েছে। অনেকেই আক্ষেপ করে বলছেন, আন্দোলনের সময় যাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি, তারাই এখন প্রভাবশালী। আর যারা জীবন বাজি রেখে রাজপথে ছিলেন, তারা অবহেলিত।

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!