× UCB Sticker Card
বুধবার, ০৮ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২৬, ০৬:৩৫ এএম

শিশু মাহফুজ অপহরণের পর হত্যার মামলায়  ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড 

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২৬, ০৬:৩৫ এএম

শিশু মাহফুজ অপহরণের পর হত্যার মামলায়  ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড 

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানায় ১৫ বছর আগে ৮ বছরের শিশু মাহফুজকে অপহরণের পর হত্যার অভিযোগে করা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদ-ের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক ফারজানা ইয়াসমিন এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামিরা হলেনÑ জামাল শেখ, শামীম শেখ ও রঞ্জু শেখ। দ-বিধির ৩০২/৩৪ ধারায় তাদের মৃত্যুদ-ের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া একই ধারায় মাহমুদা খানম ঊষার যাবজ্জীবন কারাদ-ের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

এদিকে মাহফুজকে অপহরণ করায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭/৩০ ধারায় আসামি বিল্লাল শেখ, জামাল শেখ, রঞ্জু শেখ, শামীম শেখ ও মাহমুদা খানম ঊষার যাবজ্জীবন কারাদ-ের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদ- দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গিয়াস উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১২ সালের ৫ জুলাই সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার বরাশুর গ্রামের বাড়ি থেকে ভাটিয়াপাড়া রেলওয়ে জামে মসজিদে যাওয়ার পথে ৮ বছরের শিশু মাহফুজকে অপহরণ করে আসামিরা। পরে তারা মুক্তিপণ দাবি করে। দাবি অনুযায়ী অর্থ না পেয়ে প্রায় দেড় মাস আটকে রাখার পর ২০১২ সালের ২০ আগস্ট রাতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মাহমুদা খানম ঊষার বাড়িতে শিশুটিকে ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে লাশ ভুক্তভোগী পরিবারের বাড়ির পাশের একটি মেহগনি বাগানে ফেলে রাখা হয়।

এ ঘটনায় ২০১২ সালের ৬ জুলাই মাহফুজের মা স্বপ্না বেগম কাশিয়ানী থানায় মামলা করেন। একই বছরের ২০ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. নিজাম শিকদার আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় ২০১৩ সালের ২২ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইন শাখার সিদ্ধান্তে মামলাটি ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এ স্থানান্তর করা হয়। ২০১৪ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষে ২৫ জনের মধ্যে ২৩ জন সাক্ষ্য দেন।
 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!