× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৯, ২০২৬, ০৬:৫২ এএম

ইইউর ১৯টি প্রস্তাবনা

জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা স্থানীয় নির্বাচনে কাজে লাগাতে চায় ইসি

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৯, ২০২৬, ০৬:৫২ এএম

জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা  স্থানীয় নির্বাচনে কাজে  লাগাতে চায় ইসি

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিগত জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটকেন্দ্র স্থাপন থেকে শুরু করে নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি সেই আলোকেই সাজানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, নির্বাচনের বিষয়ে ইইউ যে সুনির্দিষ্ট ১৯টি প্রস্তাবনা দিয়েছে, তা আমাদের আগামী দিনের পথচলায় পাথেয় হবে।

গতকাল বুধবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ-সংক্রান্ত বিভিন্ন সুপারিশ, সংস্কারের অগ্রাধিকার এবং তা বাস্তবায়নের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। ওই সংলাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা জানান।

অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অবজারভেশন মিশনের সুনির্দিষ্ট ১৯টি প্রস্তাবনার কথা উল্লেখ করে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরামর্শগুলোকে নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। সামনের দিনগুলোতে ইইউর সঙ্গে এই বিষয়গুলো সমন্বয় করা হবে।

তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধিমালা সংশোধনের কাজ চলছে। ইসির নিজস্ব দক্ষতা এবং পর্যবেক্ষকদের প্রস্তাবিত বিষয়গুলো ভালোভাবে আমলে নিলে সামনের দিনগুলোতে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় ভালো কিছু করা সম্ভব।

ইসি সানাউল্লাহ বলেন, জাতীয় এবং স্থানীয় নির্বাচন কিন্তু এক নয়। তবে জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা আমলে নিয়ে আমরা স্থানীয় নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র স্থাপন থেকে শুরু করে সার্বিক প্রস্তুতি নিচ্ছি। ইইউ যে সুনির্দিষ্ট ১৯টি প্রস্তাবনা দিয়েছে, তা আমাদের আগামী দিনের পথচলায় পাথেয় হবে।

সংলাপে ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার জানান, বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার উন্নয়নে আগামীতেও সম্পৃক্ত থাকতে চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন। বিশেষ করে নারী, সংখ্যালঘু ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে কীভাবে আরও বেশি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা যায়, তা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।

নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে ইসি নিরলসভাবে কাজ করছে। সামনের দিনগুলোতে নির্বাচনকে আরও বেশি অংশগ্রহণমূলক করার প্রত্যাশা রয়েছে কমিশনের। অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে যে বিষয়বস্তু উঠে আসবে, সেই অনুযায়ী মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

অক্টোবরে প্রথম ধাপে ইউপি ও পৌরসভা নির্বাচন: নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ও পৌরসভা নির্বাচনের আয়োজন করা হতে পারে।  দুইদিন আগে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, সরকারের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি শেষ করা সম্ভব হবে।

এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, পর্যায়ক্রমে সকল স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করতে প্রায় এক বছর সময় লাগতে পারে।রহমানেল মাছউদ বলেন, বর্তমানে স্থানীয় সরকারের প্রায় সব স্তরের নির্বাচন বাকি রয়েছে। সংবিধান ও আইনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এসব নির্বাচন পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করতে হবে। কমিশন ইতোমধ্যে অক্টোবরকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করেছে।

তিনি বলেন, কোন স্তরের নির্বাচন আগে হবে, সে বিষয়ে কমিশনের আনুষ্ঠানিক কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে বাস্তবতা ও প্রশাসনিক প্রয়োজন বিবেচনায় প্রথমে ইউপি এবং পৌরসভা নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। উপজেলা পরিষদ গঠনের ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচনের গুরুত্ব রয়েছে। তাই এ দুটি নির্বাচন আগে সম্পন্ন করে পরবর্তী সময়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান।

নির্বাচন কমিশনার মাছউদ বলেন, নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় নির্ধারণে বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে পাবলিক পরীক্ষা, ধর্মীয় উৎসব ও আচার-অনুষ্ঠান, বর্ষা মৌসুম এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগোলিক ও যোগাযোগ পরিস্থিতি। এসব বিষয় পর্যালোচনা করেই কমিশন চূড়ান্ত তফসিল ঘোষণা করবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!