× UCB Sticker Card
শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ভিনদেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০২৬, ০৫:৩৫ এএম

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইএসির সব সদস্যকে সরালেন ট্রাম্প

ভিনদেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০২৬, ০৫:৩৫ এএম

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইএসির  সব সদস্যকে সরালেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীন ফেডারেল সংস্থা ইলেকশন অ্যাসিস্ট্যান্স কমিশনের (ইএসি) বাকি তিনজন সদস্যকেও পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে তিনি এই নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিলেন। রয়টার্স প্রথম এই খবরটি প্রকাশের পর বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে হোয়াইট হাউজ। মূলত, দেশজুড়ে নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক সহায়তা দিয়ে থাকে এই স্বাধীন কমিশন। চার সদস্যের এই দ্বিদলীয় (বাইপার্টিজান) কমিশনের একজন সদস্য গত এপ্রিলেই বিদায় নিয়েছিলেন। বাকি তিন কমিশনারকে বৃহস্পতিবার ভিন্ন উপায়ে সরিয়ে দেওয়া হয়। এদের মধ্যে রিপাবলিকান পার্টির মনোনীত সদস্য পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।

ডেমোক্রেটিক পার্টির মনোনীত বাকি দুই সদস্যকে হোয়াইট হাউজের পার্সোনেল অফিস থেকে ইমেইল পাঠিয়ে বরখাস্ত করা হয়। সেই ইমেইলে লেখা ছিল, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্পের পক্ষ থেকে জানানো যাচ্ছে যে, নির্বাচন সহায়তা কমিশনের কমিশনার পদ থেকে আপনাকে অবিলম্বে বরখাস্ত করা হলো। আপনার সেবার জন্য ধন্যবাদ।’

সম্প্রতি মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ে স্বাধীন সংস্থাগুলোর কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করার ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টকে বাড়তি ক্ষমতাকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। আর ওই রায়ের পরই ট্রাম্প প্রশাসন এমন পদক্ষেপ নিল। পাশাপাশি, আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে ভোট প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ বাড়ানোর জন্য চাপ দিচ্ছেন ট্রাম্প, যা প্রথাগতভাবে অঙ্গরাজ্যগুলোর নিজস্ব এখতিয়ার।

হোয়াইট হাউজের এক কর্মকর্তা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সূত্র ধরে বলেন, ‘আমেরিকার নির্বাচন সুরক্ষিত করা এবং প্রতিটি বৈধ ভোট গণনা নিশ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ কাজের সঙ্গে যারা পুরোপুরি একমত নন, তাদের সরিয়ে দেওয়ার অধিকার প্রেসিডেন্টের রয়েছে।’

তিনি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন নির্বাচনকে ‘জালিয়াতি’ থেকে মুক্ত রাখতে এবং একটি ‘শক্তিশালী অবকাঠামো’ তৈরি করতে সব সংস্থা ও স্থানীয় অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। ২০০২ সালে মার্কিন কংগ্রেসের ‘হেল্প আমেরিকা ভোট অ্যাক্ট’-এর মাধ্যমে এই নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছিল। এর চারজন কমিশনারকে প্রেসিডেন্ট নিয়োগ দেন এবং নিয়ম অনুযায়ী এখানে সমানসংখ্যক (দুজন ডেমোক্র্যাট ও দুজন রিপাবলিকান) সদস্য থাকতে হয়, যাদের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মার্কিন সিনেট।

বরখাস্ত হওয়া তিন কমিশনার, টমাস হিকস, বেনিয়ামিন হভল্যান্ড ও ক্রিস্টি ম্যাককরমিক সিনেটের সর্বসম্মত অনুমোদনে নিয়োগ পেয়েছিলেন। এই কমিশন মূলত নির্বাচন পরিচালনার তথ্যকেন্দ্র হিসেবে কাজ করে, ভোটদান পদ্ধতি পরীক্ষা ও প্রত্যয়ন করে এবং ডাকযোগে ভোটার নিবন্ধনের জাতীয় ফর্ম রক্ষণাবেক্ষণ করে।

ডাকযোগে ভোটের (ভোট-বাই-মেইল) নিয়মকানুন পরিবর্তন এবং ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের তদন্তের মধ্যেই তাদের বরখাস্তের ঘটনা ঘটল। ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদেও কোনো প্রমাণ ছাড়াই দাবি করে আসছেন, ২০২০ সালের নির্বাচনে কারচুপি হয়েছিল এবং সেবার তিনি ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের কাছে হেরেছিলেন।

কমিশনের আইন অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট নতুন সদস্য নিয়োগ দিতে পারলেও ট্রাম্প এই কমিশনকে কীভাবে এগিয়ে নেবেন তা এখনো স্পষ্ট নয়। হঠাৎ করে সব সদস্যকে সরিয়ে দেওয়ায় কমিশনের ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন ভার্জিনিয়ার ডেমোক্র্যাট সিনেটর মার্ক ওয়ার্নার। এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে সব কমিশনারকে সরিয়ে দেওয়া একটি নজিরবিহীন পদক্ষেপ।’

তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে প্রশাসনের কাছ থেকে অবিলম্বে ব্যাখ্যা চাই। এই ঘটনা নির্বাচনি প্রতিষ্ঠানগুলোতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের গভীর উদ্বেগ তৈরি করছে, যা দলমত নির্বিশেষে প্রতিটি মার্কিন নাগরিককে শঙ্কিত করবে।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!