× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ১৮, ২০২৬, ০৬:৩০ এএম

আমাকে এভাবে কখনোই কেউ দেখেনি

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ১৮, ২০২৬, ০৬:৩০ এএম

আমাকে এভাবে কখনোই কেউ দেখেনি

রুপালি পর্দার আলো-ছায়ার বাঁকে যিনি রূপকথা বুনেছেন নিজের খেয়ালে, তিনি আর কেউ ননÑ এনা সাহা। কখনো স্নিগ্ধ হাসির মায়ায়, আবার কখনো ক্যামেরার পেছনে আত্মবিশ্বাসী নারীর অদম্য সাহসিকতায় তিনি জয় করেছেন টালিপাড়া। খুব অল্প বয়সেই শোবিজে পা রেখেছিলেন এই বং সুন্দরী। ধারাবাহিক দিয়ে অভিনয়জীবন শুরু করার পর নিজের অনবদ্য অভিনয় প্রতিভায় খুব দ্রুতই টালিপাড়ায় নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করে নেন তিনি। তবে এনা শুধু ক্যামেরার সামনেই সীমাবদ্ধ থাকেননি; সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে ভেঙেছেন এবং টালিউডের অন্যতম সফল ও তরুণ নারী প্রযোজক হিসেবে নিজের এক অনন্য পরিচয় তৈরি করেছেন। শুধু বাংলা সিনেমার আকাশেই নয়, হিন্দি এবং মালয়ালাম সিনেমার দক্ষিণী রূপকথাতেও তিনি নিজের প্রতিভার সুবাস ছড়িয়েছেন অবলীলায়। নতুন সিনেমা ও সমসাময়িক প্রসঙ্গে কাঁটাতারের ওপার থেকে কথা বলেছেন রূপালী বাংলাদেশের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রুহুল আমিন ভূঁইয়া

‘ডাক্তার কাকু’ নিয়ে জানতে চাই

সিনেমাটি রিয়েল লাইফের কোনো চরিত্র নিয়ে নয়। তবে বাস্তবজীবনে এমন অনেক ডাক্তার আছেন, যারা মানুষের চিকিৎসা করছেন নিজেদের কথা না ভেবে, সময় না দেখে। পরিবারকে স্যাক্রিফাইস করে, নিজেদের সময় স্যাক্রিফাইস করে তারা রোগী দেখেন, সে রকমই এক চরিত্রের গল্প ‘ডাক্তার কাকু’। এখানে একদিকে বাবা-ছেলের গল্প দেখা যাবে, অন্যদিকে একজন ডাক্তারের কথা ফুটে উঠবে। ডাক্তার কাকু এমন একটা চরিত্র, যার এথিক্স, আদর্শ, শিক্ষা অত্যন্ত স্ট্রং। প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি সিনেমাটিতে ডাক্তারের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। খুবই আদর্শবান একটি চরিত্র।

আপনার চরিত্রটা কেমন?

আমার চরিত্রটা একেবারে নতুন। আমাকে এভাবে কখনোই কেউ দেখেনি। চরিত্রটা নিজের মধ্যে ধারণ করা খুব চ্যালেঞ্জিং ছিল। তবে নিজের সেরাটা দিয়ে কাজটি করেছি। খুব অল্প সময়ের মধ্যে আমরা সবাই চেষ্টা করেছি দর্শকদের ভালো একটি সিনেমা উপহার দেওয়ার। অনেক দিন পর এমন দারুণ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছি।

বর্তমানে সিনেমার গল্প বলার ধরন ভিন্ন। সেই জায়গা থেকে সিনেমাটি বাণিজ্যিকভাবে সফলতা পাবে বলে মনে করেন?

এটি খুবই ইমোশনাল একটি সিনেমা। এ নিয়ে কোনো চাপ অনুভব করছি না। আমরা শিক্ষাব্যবস্থা এবং মেডিকেলের সিস্টেম পরিবর্তনের গল্প এই সিনেমার মাধ্যমে বলার চেষ্টা করেছি। এই মুহূর্তে এই সিনেমাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে। আশা করছি, সিনেমাটা দর্শক নিজেদের জীবনের সঙ্গে মেলাতে পারবে এবং ভালোও বাসবে। প্রতিটি চরিত্রই এখানে গুরুত্বপূর্ণ।

হাতে আর কী কী কাজ আছে?

এখন আমার পুরো মনোযোগ ‘ডাক্তার কাকু’ সিনেমা নিয়ে। এ ছাড়া কিছু ভাবতে চাই না। টিমের সবার চাওয়া সিনেমাটি দর্শকের কাছে ঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়া।

দর্শক প্রত্যাশা কেমন?

আমরা নিজেদের শতভাগ দিয়ে সিনেমাটি ভালো করার চেষ্টা করেছি। গত বৃহস্পতিবার রথের দিন সকালে প্রকাশ্যে আসে ‘ডাক্তার কাকু’র পোস্টার। এরপর বেশ সাড়া পাচ্ছি। বুম্বা আঙ্কলকে সবাই ভালোবাসেন। সে কারণে দর্শক-প্রত্যাশাও অনেক বেশি। তার সঙ্গে এর আগে অনেকগুলো কাজ করেছি। তার সঙ্গে বরাবরই কাজের অভিজ্ঞতা ভালো। আমাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক রয়েছে।

প্রায় সময়ই আপনাকে সহসী অবতারে দেখা যায়। যার কারণে কটাক্ষের শিকার হতে হয়। সমালোচনা কীভাবে নেন?

আমি আলাদা করে সাহসী কিংবা বোল্ড বুঝি না। কাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই করার চেষ্টা করি। কখনো লোকেদের ধারণা হয়, প্রয়োজনের চেয়ে একটু বেশি করেছি। তবে এটাকে কখনো আমি রেসপেক্ট-ডিসরেস্পেক্ট কোনোটাই করি না। আমার পরিচয় একজন অভিনেত্রী। আমি আমার কাজে সন্তুষ্ট। সমালোচনাকে কখনো পাত্তা দিই না।

সমালোচনা কাজে প্রভাব ফেলে?

না। কটাক্ষ খুব বাড়াবাড়ি না হলে আমার মনে হয় না কোনো অভিনেতা-অভিনেত্রী এগুলো নিয়ে মাথা ঘামায়। কারণ কারো হাতেই ততটা সময় নেই যে, এসব মন্তব্য দেখবে। সেই জায়গা থেকে বলবÑ এসব নিয়ে মন খারাপ কিংবা কাজে প্রভাব পড়ে না। খুব বেশি বাড়াবাড়ি হলে তো খারাপ লাগাটাই স্বাভাবিক। কারণ, দিনশেষে আমরাও মানুষ। সব সময় এসব এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি।

বেশ কিছু দর্শকপ্রিয় সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন। এখন সিরিয়ালে দেখা যায় না কেন?

না দেখার কারণ হচ্ছে, সিরিয়াল থেকে আমি সিনেমায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছি, যে কারণে দেখা যায় না। হাতে প্রচুর সিনেমা থাকলে আর কখনো সিরিয়ালে দেখা যাবে না। আবার সিরিয়াল করলে সিনেমায় দেখা যাবে না। আমার কাছে মাধ্যমের চেয়ে কাজে ব্যস্ত থাকাটা জরুরি। সেটাই করছি।

সিরিয়ালের দর্শকদের মিস করেন?

তা তো করিই। তবে আমার সিনেমা সব সময় টেলিভিশনে প্রচার হয়, যে কারণে দর্শকদের মিস করার সুযোগ নেই। দর্শক আমাকে মিস করলেও প্রতি সপ্তাহে টেলিভিশনের পর্দায় আমার সিনেমা থাকেই। তা ছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে সব জায়গায় আমার সরব উপস্থিতি আছে। সেই জায়গা থেকে বলব, সব সময় দর্শকরা আমাকে দেখতে পান।

ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট কোন কাজ?

‘মা...তোমায় ছাড়া ঘুম আসে না’ এবং ‘সুভাসিনি’Ñ এই দুটি সিরিয়ালে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছিলাম। অনেক বছর সিরিয়াল দুটি প্রচার হয়। সিরিয়াল দুটি থেকে আমার পরিচিতি সবচেয়ে বেশি বাড়ে। দর্শক আমাকে প্রচুর ভালোবাসা দেয়। এর পর থেকে কাজের পরিধি বাড়তে থাকে। আর সিনেমার মধ্যে ‘বোঝে না সে বোঝে না’, ‘চিরদিনি তুমি আমার ২’, ‘নিলাকশাম পাচাকদল চুভান্না ভূমি’ সিনেমাগুলো আমাকে আরও পরিচিতি এনে দেয়। এই পাঁচটি প্রজেক্ট আমার জীবনে বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে টার্নিং পয়েন্ট তৈরি করেছে।

প্রযোজনা সংস্থার কাজ এগোল কত দূর?

আমার প্রযোজিত ‘ডাক্তার কাকু’ আগামী ৪ সেপ্টেম্বরÑ অর্থাৎ শিক্ষক দিবসের ঠিক প্রাক্কালে মুক্তি পাবে। এরপর আরও দুটি সিনেমা মুক্তি পাবে। ধারাবাহিকভাবে সিনেমা দুটি মুক্তি পাবে। আপাতত ‘ডাক্তার কাকু’ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছি।

ঝুলিতে কাজের সংখ্যা এত কম কেন?

প্রডাকশন করতে গেলে যে ফোকাসটা দরকার হয়, সেটা করলে কাজের সংখ্যা একটু কম হয়। প্রডাকশনের দায়িত্ব অনেক বড় থাকে। সেই দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে নিজের কাজ একটু কমেছে। তা ছাড়া আমি বেছে বেছে কাজ করছি।

বাংলাদেশে কাজের আগ্রহ আছে?

এর আগে একটি কাজ করেছিলাম। বাংলাদেশে কাজের সুযোগ হলে অবশ্যই করব। আমার কাছে মাধ্যম বিষয় না, ভালো কাজ হলে সব কিছু ব্যাটে-বলে মিলে গেলে কাজ করতে আপত্তি নেই। যখন যে প্রজেক্টে কাজ করি, শতভাগ দিয়ে করি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!