× UCB Sticker Card
শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২৫, ২০২৬, ০৬:০১ এএম

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ

পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২৫, ২০২৬, ০৬:০১ এএম

পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে গতকাল শুক্রবার পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টায় সংসদ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জানান, এদিন (গতকাল) বিকেল ৫টা ১ মিনিটে তার কাছে পদত্যাগপত্র দাখিল করেছেন রাষ্ট্রপ্রধান।

গুরুতর অসুস্থতার সঙ্গে বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাবের কারণে শারীরিক ও মানসিকভাবে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হওয়ায় তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন। এদিকে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ায় সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদিকে স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করায় স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

গতকালের সংবাদ সম্মেলনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি; পদত্যাগপত্রটি আমি গ্রহণ করেছি এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের রেকর্ডের সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।’

সাহাবুদ্দিন কেন পদত্যাগ করেছেন তার কারণ তুলে ধরতে গিয়ে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘তিনি লিখিতভাবে জানিয়েছেন যে, তিনি গুরুতর অসুস্থ; হৃদ্রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় তিনি ভুগছেন। তার হৃদ্যন্ত্রের বাইপাস সার্জারি হয়েছে, ইদানীং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি নামক রোগ শনাক্ত হয়েছে। এই রোগের কারণে তিনি মাঝে মাঝে অচেতন হয়ে পড়েন। এসব রোগের প্রাদুর্ভাবে এবং শারীরিক ও মানসিক অসমর্থতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তার দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন।’

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ‘তিনি স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করেছেন এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে এই পদত্যাগপত্র আমি গ্রহণ করেছি। সংবিধানে ইতোমধ্যেই আপনারা জানেন, যেদিন আমি স্পিকার হিসেবে শপথ নিয়েছি, সেদিনই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবেও শপথ নিয়েছি, যদি প্রয়োজন হয়। একইভাবে আমাদের ডেপুটি স্পিকার, তিনিও যখন ডেপুটি স্পিকার হিসেবে শপথ নেন, শপথেরই অংশে বর্ণিত থাকে, যখন বলা হবেÑ কোনো কারণে যখন স্পিকারের চেয়ার শূন্য থাকবে, তখন ডেপুটি স্পিকার স্পিকারের পদের দায়িত্ব পালন করবেন। সুতরাং বাংলাদেশে নানা ধরনের কথাবার্তা আমি দুপুরে এসেই শুনেছি। দেখা গেল যে এটি প্রকৃত, তিনি (রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন) শারীরিক অসমর্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন। আমি তার মঙ্গল এবং সুস্বাস্থ্য কামনা করি। আমার মনে হয়, তিনি মাফিয়া সরকারের আমলে নির্বাচিত হলেও বর্তমানে জনগণের ভোটে যে নতুন সরকার নির্বাচিত হয়েছে, তার প্রতি সমর্থন এবং শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন সবসময়ই। আমি তার মঙ্গল কামনা করি।’

রাষ্ট্রপতি যে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন, তার সঙ্গে কি কোনো মেডিকেল সার্টিফিকেট বা কোনো কিছু সংযুক্ত রয়েছেÑ কারণ জনমনে প্রশ্ন আছে, যে এটি কি আসলে কাগজে-কলমে অসুস্থতা, নাকি জেনুইন অসুস্থতাÑ সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের উত্তরে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ একটি গুরুতত্বপূর্ণ ঘটনা। এর সঙ্গে দেশের ভালো-মন্দও জড়িত। রাষ্ট্রপতি একজন মানুষ, তিনি অসুস্থ হতেই পারেন এবং তিনি রোগেরও নাম প্রকাশ করেছেন। লিখিতভাবে জানিয়েছেন তিনি কী কী রোগে ভুগছেন এবং মাঝে মাঝে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। এর জন্য ডাক্তারের সার্টিফিকেটের কোনো প্রয়োজন নেই, তিনি যেখানে নিজেই এটি দাবি করেছেন। সুতরাং আমরা আশা করি এই পদত্যাগের ফলে সব ধোঁয়াশা পরিষ্কার হলো। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা কোনো ধরনের বিরূপ মনোভাব কিংবা কনফিউশন যাতে এসব ব্যাপারে না ঘটে।’

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ‘এর আগেও রাষ্ট্রপতিরা পদত্যাগ করেছেন বিভিন্ন কারণে। রাষ্ট্রপতি দেশের একজন সম্মানিত মাননীয়। তিনি পদত্যাগ করতেই পারেন এবং এই চেয়ারটা কখনো শূন্য থাকে না। আমি জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে এই পদ ও পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি, এটিই হলো বাস্তবতা। আশা করি, সব ধরনের কনফিউশন এখন থেকে দূর হয়ে যাবে।’

এর আগে গতকাল বিকেল পদত্যাগের বিষয়ে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন জানান, ‘এটা তো সর্বজনবিদিত, আমার মুখ থেকে শুনে কী লাভ? আই অ্যাম সিক, সো ইট ইজ ডান’। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব সরওয়ার আলম জানান, ‘গুরুতর অসুস্থতার’ কারণে রাষ্ট্রপ্রধান মো. সাহাবুদ্দিন স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র দাখিল করেছেন।

মেয়াদের পৌনে দুই বছর বাকি থাকতেই দেশের ২২তম রাষ্ট্রপ্রধান মো. সাহাবুদ্দিন দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করলেন। সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এদিকে, চিকিৎসার জন্য গত ১৯ জুলাই ব্যাংককে যান হাফিজ উদ্দিন। সফরসূচি অনুযায়ী আগামী ২৬ জুলাই তার ফেরার জন্য ফিরতি টিকিট কাটা ছিল। কিন্তু এর মধ্যেই গত বুধবার বিকেলে প্রবাসী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের এক ফেসবুক পোস্ট ঘিরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের গুঞ্জন শুরু হয়।

রাষ্ট্রপতির দপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা জানান, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। তবে স্পিকার দেশে না থাকায় পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি বিলম্বিত হচ্ছে। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের সময় স্পিকারকে দেশে বা সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে, সংবিধানে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকলেও রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্পিকারকে দায়িত্ব নিতে হয়। সে কারণে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে সফরসূচি সংক্ষিপ্ত করে স্পিকারকে শুক্রবার দেশে ফিরতে অনুরোধ করা হয় বলে কর্মকর্তাদের ভাষ্য।

উল্লেখ্য, গত কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো আলোচনা চলছিল। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো গত বৃহস্পতিবারই জানিয়েছিল, মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগের ব্যাপারে মানসিকভাবে প্রস্তুত। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল মো. সাহাবুদ্দিন পাঁচ বছরের জন্য দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন। সে হিসাবে তার মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় পৌনে দুই বছর আগেই তিনি পদত্যাগ করলেন। শেষ পর্যন্ত তার পদত্যাগের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে পরিবর্তন ঘটল।

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই রাষ্ট্রপতি পদে মো. সাহাবুদ্দিনের থাকা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও বিতর্ক চলছিল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর তার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়। এদিকে অভ্যুত্থানের পক্ষের কয়েকটি সংগঠন গত অক্টোবরে সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে তুমুল আন্দোলনও শুরু করেছিল। কিন্তু ‘সাংবিধানিক সংকট’ এড়াতে সরকার তাকে আর সরানোর পথে যায়নি।

সব মিলিয়ে দুর্বিষহ পরিস্থিতির মধ্যে দিন কাটছিল রাষ্ট্রপ্রধানের চেয়ারে থাকা সাহাবুদ্দিনের। নির্বাচনের আগে ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনের পর সরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। রাষ্ট্রপতি বলেছিলেন, ‘আমি বিদায় নিতে আগ্রহী। আমি এখান থেকে চলে যেতে চাই।’

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তাকে কোণঠাসা করে রাখা, বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলো থেকে তার ছবি সরিয়ে ফেলা এবং বঙ্গভবনের প্রেস উইং সংকুচিত করায় ‘অপমানবোধ’ করার কথাও পরে বলেছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন। নির্বাচনের পর তারেক রহমানের নতুন সরকার রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের কাছ থেকে শপথ নেয়। সর্বশেষ স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য গত মে মাসে লন্ডনে ঘুরে আসেন রাষ্ট্রপতি। পরিবারের সদস্য, চিকিৎসক, স্টাফ নার্স ও বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও তার সঙ্গে ছিলেন। কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, লন্ডনে চিকিৎসা নেওয়ার সময় রাষ্ট্রপতি ফোনে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেছিলেন। সেই ঘটনায় তার সঙ্গে ক্ষমতাসীনদের দূরত্ব তৈরি হয়। তবে রাষ্ট্রপতি দাবি করেন, এ ধরনের কোনো ঘটনাই ঘটেনি।

পদত্যাগী রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ : রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগ করা মো. সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তাারের দাবি জানিয়ে রাজধানীর শাহবাগে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের কর্মীরা। এ সময় সাবেক রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানান তারা। গ্রেপ্তার না করা হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছে সংগঠনটি। এ সময় সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।

গতকাল বিকেলে মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের খবর প্রকাশ্যে এলে শাহবাগ মোড় থেকে মিছিল শুরু করেন ইনকিলাব মঞ্চর কর্মীরা। মঞ্চের ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র আবদুল্লাহ আল জাবেরের নেতৃত্বে মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এর আগে বেলা ৩টা থেকে শাহবাহ মোড়ে ‘জুলাইয়ের জজবা জমায়েত’ নামে একটি কর্মসূচি পালন করছিল ইনকিলাব মঞ্চ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জিএস সালাহ উদ্দিন আম্মারসহ শীর্ষ নেতারা।

বিক্ষোভ সমাবেশে মঞ্চের ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘শেখ হাসিনার গুম-খুনকে বৈধতা দিয়েছেন সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। ৫ আগস্টের পর তাকে অপসারণ করে বিচারের দাবি করা হলেও বিএনপি তা অগ্রাহ্য করেছে। আমরা চাই, তার বিচার করা হোক, অন্যথায় আমরা কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলব।’

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা সাবেক রাষ্ট্রপতিকে স্বৈরাচারের দোসর এবং খুনি হাসিনার সহযোগী ফ্যাসিস্ট আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘সাহাবুদ্দিন ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের মৃত্যুর দায় কোনোভাবেই এড়াতে পারবেন না। সেই সঙ্গে তার নীরবতার কারণে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিনে দিনে আরও বেশি ফ্যাসিস্ট হয়ে ওঠেন।’ সাবেক রাষ্ট্রপতির নীরবতার কারণেই দেশে ডামি নির্বাচন হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।

বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেওয়া ঢাকা কলেজ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক মোহাম্মদ উমায়ের বলেন, ‘সাবেক রাষ্ট্রপতির কারণে দেশে ডামি নির্বাচন হয়েছে। তিনি দেশের প্রধান দায়িত্বশীলদের একজন হয়েও হাসিনার গুম-খুনের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলেননি।’

বিচার নিশ্চিতে ইনকিলাব মঞ্চ মামলা করবে কি না প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘ইনকিলাব মঞ্চের কাজ মামলা করা না। আমরা সবার আগে তার বিচার দাবিতে প্রতিবাদ জানালাম। এখন দেশে নির্বাচিত সরকার আছে। তাদের কাছে আমাদের দাবি, ফেসিস্টের এই দোসরকে যেন বিচারের মুখোমুখি করা হয়।’

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া মোহসেন হাসান নামে একজন বেসরকারি চাকরিজীবী বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় এই লোক ফ্যাসিস্ট হাসিনার পায়ের ধুলো নিতে চাইতেন। তাকে অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।’

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!