× UCB Sticker Card
শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২৫, ২০২৬, ০৬:২১ এএম

ওমরাহ পালনে মক্কায় যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় নিহত ৩ বাংলাদেশি

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২৫, ২০২৬, ০৬:২১ এএম

ওমরাহ পালনে মক্কায়  যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায়  নিহত ৩ বাংলাদেশি

সপরিবারে ওমরাহ হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবের রিয়াদ থেকে পবিত্র মক্কা নগরীতে যাওয়ার পথে নিহত হয়েছে একই পরিবারের তিন সদস্য। আহত হয়েছেন আরও দুজন।

ঘটনাটি ঘটেছে গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে সৌদি আরবের রিয়াদ থেকে আনুমানিক ২০০ কিলোমিটার দূরে। নিহতরা হলেনÑ তানিয়া তাহমিনা (৪৫), তার মেজ ছেলে তাজবিক (১৯) ও ছোট মেয়ে সাদাফ (১৫)। আর আহত হয়েছেন তানিয়ার স্বামী শফিকুল ইসলাম এবং তাদের বড় ছেলে নাবিল (২৪)। নিহতের স্বজনরা জানান, গতকাল শুক্রবার দুপুরে জানাজা শেষে সৌদি আরবের রিয়াদেই তাদের দাফন করা হয়।

জানা গেছে, শফিকুল ইসলাম কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার বাসিন্দা। তার স্ত্রী তানিয়া তাহমিনা ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের পুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

নিহতদের স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রিয়াদের বাসা থেকে নিজেদের গাড়িতে তিন ছেলেমেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে ওমরাহ হজ পালন উপলক্ষে মক্কার উদ্দেশে রওনা হন শফিকুল ইসলাম। গাড়ি তিনিই চালাচ্ছিলেন। তার পাশেই সামনের আসনে বসা ছিলেন বড় ছেলে নাবিল। পেছনের আসনে পাশাপাশি বসা ছিলেন তানিয়া তাহমিনা, মেজ ছেলে তাজবিক ও ছোট মেয়ে সাদাফ।

রিয়াদ থেকে আনুমানিক ২০০ কিলোমিটার যাওয়ার পর ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাদের গাড়ি। পেছন থেকে কোনো ভারী যানবাহন তাদের গাড়িতে সজোরে ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে পেছনের সিটে বসা তিনজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। কিন্তু আহত হলেও বেঁচে যান গাড়ির সামনে থাকা শফিকুল ইসলাম ও নাবিল।

শফিকুল ইসলামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ভৈরবে হলেও পরিবারের সদস্যরা প্রথমে পুরান ঢাকায় ও পরে ঢাকার উত্তরাতে বাস করতেন। শফিকুল রিয়াদে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। তানিয়ার ভাই তৌহিদ মোহাম্মদ মুরাদ বলেন, মেজ ছেলে তাজবিক ‘এ’ লেভেল শেষ করে ফিনল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিল। এক সপ্তাহ পরই তার ফ্লাইট ছিল। সে চলে যাওয়ার আগে সবাই মিলে ওমরাহ করতে যাচ্ছিলেন। এ ছাড়া বড় ছেলে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে। আর ছোট মেয়ে এবার ‘ও’ লেভেল পরীক্ষার্থী ছিল।

নিহতদের মরদেহ দেশে আনা হবে কি না, জানতে চাইলে তৌহিদ মোহাম্মদ মুরাদ বলেন, যেহেতু ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে সে কারণে মৃতদেহগুলো দেশে আনা হবে না। গতকাল শুক্রবার দুপুরে জানাজা শেষে সৌদি আরবের রিয়াদেই তাদের দাফন করা হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!