× UCB Sticker Card
রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

পাউবোর গাছ বিক্রির অভিযোগ, থানায় মামলা

ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২৬, ২০২৬, ০৩:৪৮ এএম

পাউবোর গাছ বিক্রির অভিযোগ, থানায় মামলা

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে সরকারি গাছ কেটে বিক্রির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির কাজীর মধ্যস্থতায় এবং তার উপস্থিতিতে গাছগুলো বিক্রি করা হয়। সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ এবং অবৈধভাবে গাছ কাটার এই ঘটনায় চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৮ জুলাই উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আনন্দবাজার-সংলগ্ন খালপাড়ের রেইন্ট্রি, কড়ইসহ বিভিন্ন প্রজাতির মূল্যবান গাছ প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, খালপাড়ের এসব গাছ সম্পূর্ণভাবে সরকারি ও পাউবোর মালিকানাধীন হওয়া সত্ত্বেও সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির কাজী ও তার সহযোগী জব্বার মাস্টার নিজেদের মালিকানাধীন দাবি করে তা গোপনে বিক্রি করে দেন।

সম্পত্তি রক্ষায় এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চাঁদপুর পাউবোর উপসহকারী প্রকৌশলী মো. নিজাম উদ্দিন মজুমদার বলেন, সরকারি খালের পাড়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মালিকানাধীন গাছ অনুমতি ছাড়া কেটে বিক্রির ঘটনায় আমি নিজে বাদী হয়ে ফরিদগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির কাজী দাবি করেন, ‘যে স্থান থেকে গাছগুলো বিক্রি করা হয়েছে, সেটি আমাদের দুই পরিবারের ব্যক্তিমালিকানাধীন সম্পত্তি। গাছগুলো আমার শ্বশুরের হাতে রোপণ করা হয়েছিল। এগুলো আমাদের নিজস্ব সম্পত্তি হওয়ায় আমরা বিক্রি করেছি।’

গাছের ক্রেতা স্থানীয় হারুনুর রশিদ বলেন, ‘আমি সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন কাজীদের কাছ থেকে টাকা দিয়ে গাছ কিনেছি, তাই গাছ কেটে নিয়েছি। তবে গাছগুলো সরকারি সম্পত্তি কি নাÑ এ বিষয়ে তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!