নির্বাচন বিলম্বিত করার সব ষড়যন্ত্র বানচাল করে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ ব্যাপারে সরকার একনিষ্ঠভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ বলেও জানানো হয়। গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর নৃশংস হামলার নিন্দা জানিয়ে গতকাল শনিবার অন্তর্বর্তী সরকারের দেওয়া এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ বিবৃতি গণমাধ্যমে পাঠায়।
অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দৃঢ়ভাবে নিশ্চিত করছে যে, আগামী জাতীয় নির্বাচন যথাসময়ে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশের জনগণের প্রতি এটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একনিষ্ঠ অঙ্গীকার। নির্বাচন প্রসঙ্গে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নির্বাচন বিলম্বিত বা বানচাল করার জন্য সব ষড়যন্ত্র, বাধা অথবা প্রচেষ্টা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং আমাদের গণতন্ত্রপ্রেমী দেশপ্রেমিক জনগণ দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করবে। জনগণের ইচ্ছা জয়ী হবে, কোনো অশুভ শক্তিকে গণতন্ত্রের পথে আমাদের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে দেওয়া হবে না।
সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, এই সংকটকালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তির প্রতি ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানায়। আমাদের সংগ্রামের অর্জন রক্ষা করতে, জনবিরোধী সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে এবং গণতন্ত্রে আমাদের সফল উত্তরণ নিশ্চিত করতে সবার ঐক্যবদ্ধ হওয়া অপরিহার্য।
বিবৃতিতে গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা নুরুল হক নুরের ওপর নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা জানায় অন্তর্বর্তী সরকার। একইসঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকার এ হামলাকে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের স্পিরিটের ওপর আঘাত মনে করছে বলেও জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, কেবল নুরুল হক নুরের ওপরই নয়, এ ধরনের সহিংসতা ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের ঐতিহাসিক সংগ্রামে জাতিকে একত্র করা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের স্পিরিটের ওপরও আঘাত বলে মনে করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে মতামত লিখুন