বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা, রুপির ওপর চাপ কমানো এবং অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১০ বিলিয়ন ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীলতা সহায়তা তহবিল চেয়েছে পাকিস্তান। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নিরসনে কূটনৈতিক মধ্যস্থতার পর ইসলামাবাদ এই সহায়তার আবেদন করেছে বলে জানা গেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, সর্বোচ্চ পাঁচ বছরমেয়াদি এই তহবিল অনুমোদিত হলে পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও শক্তিশালী হবে, রুপির ওপর চাপ কমবে এবং আন্তর্জাতিক ঋণের ওপর নির্ভরশীলতাও কিছুটা হ্রাস পাবে। বর্তমানে দেশটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সাত বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচির আওতায় রয়েছে এবং কঠোর রাজস্ব ও মুদ্রানীতি বাস্তবায়ন করছে। ২০২৩ সালে জরুরি ঋণ কর্মসূচির মাধ্যমে ঋণখেলাপির ঝুঁকি এড়ালেও পাকিস্তানের অর্থনীতি এখনো বিদেশি ঋণ, সহায়তা ও মিত্র দেশগুলোর আমানতের ওপর নির্ভরশীল। ফলে নতুন সহায়তা না এলে অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
অর্থনীতিবিদদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র এই সহায়তা অনুমোদন করলে তা শুধু পাকিস্তানের অর্থনীতির জন্যই নয়, বরং দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্কের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করবে। তবে এ বিষয়ে এখনো যুক্তরাষ্ট্র কিংবা পাকিস্তানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

