× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৩, ২০২৬, ০৫:২১ এএম

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি

সীমান্তে অপরাধে জড়িত ও অনুপ্রবেশে হত্যা ‘বর্ডার কিলিং’ নয়

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৩, ২০২৬, ০৫:২১ এএম

সীমান্তে অপরাধে জড়িত  ও অনুপ্রবেশে হত্যা  ‘বর্ডার কিলিং’ নয়

সীমান্তে অপরাধে জড়িত ও অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে হত্যাকে ‘বর্ডার কিলিং’ বলা ঠিক হবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ-সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডারের (বিএসএফ) মধ্যে মহাপরিচালক পর্যায়ের ৪ দিনব্যাপী ৫৭তম সীমান্ত সম্মেলন শুরু হচ্ছে আগামী ৮ জুন। ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এ বৈঠক চলবে ১১ জুন পর্যন্ত। এদিকে এবারের বৈঠকে বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নিবেন। এবারের সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কোন বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হবে সে বিষয়ে গতকাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

এবারের সম্মেলনটি এমন সময় হচ্ছে যখন বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশে অবৈধভাবে পুশ ব্যাক, সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া এবং সীমান্ত হত্যা নিয়ে উদ্বেগ চলছে। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন দীর্ঘ ১৫ বছরে বাংলাদেশ ভারত সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশিদের হত্যার ঘটনা ছিল চোখে পড়ার মতো। এ ছাড়া সীমান্তে চোরাচালান, বাংলাদেশিদের ধরে নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ ছিল। ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর সীমান্ত ইস্যুতে শক্ত অবস্থান নেয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এরপর থেকে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত ইস্যুতে সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়। গত ২ বছর ধরে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশ সীমান্তে অবৈধ পুশ ইন, সীমান্তে অবৈধভাবে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার চেষ্টায় বাধাগ্রস্ত হয় বিজিবির তৎপরতায়। এসব ঘটনা নিয়ে পতাকা বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। তবে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরই সীমান্ত হত্যা আবার শুরু হয় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে। বিশেষ করে বাংলাদেশিদের গুলি করে হত্যা, আহত করার ঘটনা বাড়তে থাকে। এ অবস্থায় বিএনপি সরকারের সময় এটি প্রথম সীমান্ত বৈঠক ভারতের সঙ্গে।

বিএসএফ ও বিজিবির ডিজি পর্যায়ের বৈঠকে কোন কোন বিষয় তুলে ধরা হবে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ডিজি পর্যায়ের যে মিটিংটা হবে, সেটা আমাদের সব সময়ের রেগুলার ফাংশন, প্রতিবছরই হয়। একবার এই সাইডে হয়, আরেকবার ওই সাইডে হয়। এ ক্ষেত্রে বর্ডারের ইস্যুগুলো অ্যাড্রেস করা হবে, উভয়পক্ষের কী কী সমস্যা আছে এবং সমস্যাগুলো কীভাবে হয় সেসব বিষয়ে কথা হবে। সংশ্লিষ্ট সব বিষয় উত্থাপিত হবে।’

সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আপনারা যেটাকে বর্ডার কিলিং (সীমান্ত হত্যা) বলছেন, সে সম্পর্কে যদি বিস্তারিত জানেন তা হলে খুশি হব। যদি অন্য দেশের বাহিনী কর্তৃক আমাদের সীমান্তে অথবা জিরো লাইনে এসে কিলিং করে, সেটাকে আমরা বর্ডার কিলিং বলতে পারি। কিন্তু যদি আমাদের সীমানার অভ্যন্তরে এবং তাদের সীমানার অভ্যন্তরে কোনো রকমের কোনো অপরাধে কেউ জড়িত থাকে, যদি কেউ ইললিগ্যাল ট্রেসপাস (অনুপ্রবেশ) করে যায়, সেটা তারা (সীমান্তরক্ষী বাহিনী) কীভাবে অ্যাড্রেস করবে তা তাদের দেশীয় আইনের ওপর নির্ভর করে। এটাকে বর্ডার কিলিং বলা ঠিক হবে না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ : এদিকে গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অফিসকক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকোন আরাল্ড গুলব্র্যান্ডসেন এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। অত্যন্ত সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ সহযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সাম্প্রতিক আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করে জানান, নরওয়ে এখন চিরাচরিত উন্নয়ন সহযোগিতা থেকে সরে এসে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির দিকে বিশেষভাবে মনোযোগ দিচ্ছে। মন্ত্রী নরওয়ের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশ থেকে নরওয়েতে রপ্তানিপণ্য বহুমুখীকরণের ওপর জোর দেন। তিনি নরওয়ের বাজারে বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প, চামড়াজাত পণ্য, আইটি সেবা, পাটজাত পণ্য এবং হস্তশিল্পের মতো উচ্চমূল্যের পণ্য রপ্তানির বিপুল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে, তিনি বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, জাহাজ নির্মাণ এবং প্যাকেজিং শিল্পে নরওয়ের উদ্যোক্তাদের বড় আকারের বিনিয়োগ করার আহ্বান জানান।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!