× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৩, ২০২৬, ০৫:৩০ এএম

এলডিসি উত্তরণে সময় চায় ঢাকা

আরও তিন বছর সময় বাড়ানোর সুপারিশ জাতিসংঘের

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৩, ২০২৬, ০৫:৩০ এএম

আরও তিন বছর সময়  বাড়ানোর সুপারিশ  জাতিসংঘের

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে চূড়ান্তভাবে উত্তরণের জন্য বাংলাদেশকে আরও তিন বছর বাড়তি সময় দিতে সুপারিশ করেছে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি)। ফলে এলডিসি থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতির সময়কাল ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) এক বিবৃতিতে গতকাল মঙ্গলবার এই তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক আবেদন এবং পরবর্তীতে ৬ এপ্রিল জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে প্রধানমন্ত্রীর একটি চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে সিডিপি এই সুপারিশ প্রদান করে।

সিডিপি জানিয়েছে, এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য নির্ধারিত তিনটি সূচকেই বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় মানদ- অনেক বড় ব্যবধানে ধরে রেখেছে। নিকট বা মধ্যমেয়াদে বাংলাদেশের এই মানদ- থেকে নিচে নেমে যাওয়ার ঝুঁকি নেই বললেই চলে।

তবে শক্তিশালী পারফরম্যান্স সত্ত্বেও কমিটি মনে করছে, মধ্যপ্রাচ্য সংকট, বৈশ্বিক জ্বালানি ও সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়া এবং পরিবর্তনশীল আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিস্থিতির মতো বাহ্যিক চ্যালেঞ্জগুলো বাংলাদেশের মসৃণ উত্তরণের পথে প্রভাব ফেলতে পারে। এ কারণেই প্রস্তুতির জন্য অতিরিক্ত সময় দেওয়ার প্রয়োজন বলে মনে করছে সিডিপি।

সিডিপির চেয়ারম্যান হোসে আন্তোনিও ওকাম্পো জোর দিয়ে বলেন, কমিটির মূল্যায়ন অনুযায়ী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বৃদ্ধি করা যথাযথ হবে। বরং প্রস্তুতিকাল বৃদ্ধির এই সময়ে বাংলাদেশকে তার বিদ্যমান কাঠামোগত দুর্বলতাগুলো মোকাবিলায় অভ্যন্তরীণ সংস্কার কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করতে হবে।

এলডিসি উত্তরণ আরও ৩ বছর পেছাতে চায় বাংলাদেশ : কমিটির মতে, উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশকে কয়েকটি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছেÑ আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, কর ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়ানো, উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো এবং অর্থনৈতিক বহুমুখীকরণ। এ ছাড়া এলডিসি-পরবর্তী পরিবেশের জন্য বেসরকারি খাতকে প্রস্তুত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এই সুপারিশ অনুমোদন করলে বাংলাদেশ তার ‘স্মুথ ট্রানজিশন স্ট্র্যাটেজি’ বা মসৃণ উত্তরণ কৌশল বাস্তবায়নে অতিরিক্ত সময় পাবে। ফলে বিশেষ বাণিজ্যিক সুবিধা এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সহায়তা ব্যবস্থাগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগে দেশ নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবে।

সিডিপি আরও উল্লেখ করেছে, প্রস্তুতির সময়কাল এবং উত্তরণ-পরবর্তী উভয় পর্যায়েই বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। এর মধ্যে রয়েছে স্বল্প সুদে ঋণ, কারিগরি সহায়তা, এলডিসি-সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সহায়তা ব্যবস্থার সম্প্রসারণ এবং বাণিজ্য আলোচনার সক্ষমতা বৃদ্ধি।

বাংলাদেশ সরকার সিডিপির এই ইতিবাচক মূল্যায়ন ও সুপারিশকে স্বাগত জানিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা এবং চলমান সংস্কার কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি টেকসই, মসৃণ ও সফল এলডিসি উত্তরণ নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে বলে তারা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!