ঢাকা শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

প্রতীকবিহীন নির্বাচনে কৌশলী বিএনপি

মেহেদী হাসান খাজা
প্রকাশিত: জুন ১৯, ২০২৬, ১২:৪১ এএম
ছবি- রূপালী বাংলাদেশ গ্রাফিক্স

সংসদ নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও বাজিমাত করতে চায় বিএনপি। আশানুরূপ ফল আনতে প্রতীক ছাড়া নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে ব্যক্তির জনপ্রিয়তায় গুরুত্ব দেবে দলটি। একই সঙ্গে চলবে তৃণমূলে দল পুনর্গঠনের প্রক্রিয়াও। নেতারা বলছেন, সরকারের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের সুফল স্থানীয় নির্বাচনে আনতে চান তারা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ে ফুরফুরে মেজাজে ক্ষমতাসীন বিএনপি। দীর্ঘ বছর পর অনূকুল পরিবেশে এখন সাংগঠনিক সক্ষমতা বাড়াতে ব্যস্ততা দলটির।

এর মধ্যেই কড়া নাড়ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমের পর সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাস থেকে পর্যায়ক্রমে দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে এই নির্বাচন। এক বছরের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

প্রতীক ছাড়া নির্বাচনে থাকবে নানা সমীকরণ

এরই মধ্যে বিএনপির স্থানীয় নেতারা মাঠে নেমেছেন শক্তিমত্তা জানান দিতে। ফ্যাসিস্টমুক্ত পরিবেশে উপজেলা-পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী হতে চান অনেকেই। তবে প্রতীক ছাড়া নির্বাচনে সামনে থাকবে নানা সমীকরণ। প্রতীক না থাকায় দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা এবং একাধিক প্রার্থী ঠেকানোর চ্যালেঞ্জ এখন বিএনপির সামনে। তবে প্রতীকবিহীন নির্বাচনে সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করে বিএনপি। প্রার্থীকে সমর্থনের ক্ষেত্রে ব্যক্তি জনপ্রিয়তার ওপর জোর দেওয়া হবে বলে জানান দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের ব্যাপারটা যখন আনা হলো, তখন সমাজের মধ্যে একটা বিবাদ সৃষ্টি হলো। ফলে সেটাকে তুলে দেওয়া যথার্থ হয়েছে। এটার সুদূরপ্রসারী ফল হবে ইতিবাচক।’

বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা আরও বলেন, ‘নির্বাচনে অবশ্যই ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা বেশি কাজ করবে। আমাদের প্রার্থী যথাসময়ে ঘোষণা করা হবে। যখনই দলীয় হাইকমান্ডের কাছে কোনো দুর্বলতা দৃশ্যমান হবে, তখন সেটা বাতিলের মাধ্যমে নতুন আহ্বায়ক কমিটি করে কাউন্সিল সম্মেলনে সংগঠনকে শক্তিশালী করা হবে।’

ফ্যামিলি কার্ড, খাল খননের মতো নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণ হওয়ায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও জনগণ বিএনপি নেতাদের বেছে নেবে বলে মনে করেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেন, ‘আমাদের যেসব প্রতিশ্রুতি রয়েছে, সেগুলো আমরা পূরণ করছি। এসব প্রতিশ্রুতি পূরণের মাধ্যমে জনগণ স্বস্তি পাবে বলে আশা করি। এতে জনগণ আগের মতোই আমাদের সমর্থন করবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সমাজে যারা সবচেয়ে সুপ্রতিষ্ঠিত, তারাই অংশ নেয়। এবারও তাই হবে।’

সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরে হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন

চলতি বছরের সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর থেকে দেশজুড়ে হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এক বছরের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনের নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে ইসির। সম্প্রতি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে এ তথ্য জানান বিএনপির মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে নির্বাচনের সুস্পষ্ট তারিখ ঘোষণার আগে থেকেই নিজেদের প্রার্থিতা জানান দিচ্ছেন ক্ষমতাসীন বিএনপির নেতারা। ইতোমধ্যে ভোটারদের দোয়া চেয়ে ব্যানার ফেস্টুন পোস্টারে ছেয়ে গেছে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকা। তৃণমূলে যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন নেতারা। একই এলাকায় রয়েছেন মনোনয়নপ্রত্যাশী একাধিক নেতা। সবাই নিজস্ব অবস্থান থেকে প্রচারণা চালাচ্ছেন। জানা গেছে, নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না থাকায় প্রার্থী বাছাইয়ে নানা কৌশল অবলম্বন করবে বিএনপি। ভেতরে ভেতরে প্রস্তুতি নিয়েছে কেন্দ্রীয় সংগঠন। নির্বাচন হবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ। কাউকে কোনো ধরনের অন্যায় হস্তক্ষেপের সুযোগ দেওয়া হবে না। অগ্রাধিকার দেওয়া হবে ক্লিন ইমেজধারীদের। পরিস্থিতি অনুযায়ী যুগপতের শরিকদেরও কিছু কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হতে পারে। তবে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সমর্থিতদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সুযোগ দেওয়া হবে কি না, সেটিও খোলাসা করেননি ক্ষমতাসীন দলের নেতারা।

সম্ভাব্য রোডম্যাপ

তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের চার মাসের মাথায় দেশের বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদে দলীয় নেতাদের প্রশাসক হিসেবে বসানো হয়েছে। তখন বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন ওঠে- আসলে কি স্থানীয় নির্বাচন হবে? নাকি প্রশাসক দিয়ে বাকি মেয়াদ শেষ করা হবে? এ নিয়ে সব মহল থেকেই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। তবে অবশেষে নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে মুখ খোলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমের পর সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে দেশজুড়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে বলে জানান তিনি। বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনের নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এদিকে গত মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি

এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ বিধিমালা পাস হলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ যেকোনো দলের কর্মী-সমর্থকেরা অংশ নিতে পারবেন বলে জানা গেছে। আলোচনা আছে, তাহলে কি আওয়ামী লীগ নেতাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে কোনো বাধা নেই? এ নিয়ে নির্বাচন কমিশন একধরনের দৃষ্টিভঙ্গির কথা বললেও বিএনপির দলগত সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

প্রার্থী হওয়ার যোগ্য যে কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন

গত ১০ জুন এই বিধিমালা প্রণয়ন কমিটির সভাপতি ও নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ সাংবাদিকদের বলেন, কোনো দল বাদ দেওয়ার মতো কোনো বিধান আচরণবিধিতে রাখা হয়নি। নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার যোগ্য যে কেউ অংশ নিতে পারবেন। এ বিষয়ে গত ১৫ জুন জাতীয় সংসদে বিএনপি বা সরকারের মনোভাব জানতে চান স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে আমি আশ্বস্ত করতে পারি যে যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে আওয়ামী লীগের নেতারা অংশগ্রহণ করতে পারবেন কি না, প্রশ্নের উত্তর তিনি পাশ কাটিয়ে যান।

ভেতরে ভেতরে প্রস্তুতি, গুডবুকে কারা? স্থানীয় সরকার নির্বাচন একধরনের চ্যালেঞ্জ

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপি চেয়ারপারসনের এক উপদেষ্টা বলেন, এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে একধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন তারা। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতারা নির্বাচনে দাঁড়াতে পারেন। আবার প্রধান বিরোধী দল জামায়াতের প্রার্থীরাও শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়তে পারেন, তা মাথায় রেখেই তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ নিয়ে অচিরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হবে। সব বিষয়ে খোঁজ রাখছেন বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরই মধ্যে অতীতের পরীক্ষিত নেতারা রয়েছেন দলের গুডবুকে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে বিএনপির প্রস্তুতি অনেকটাই এগিয়ে। ইতোমধ্যে দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে অভ্যন্তরীণ পর্যায়ে যোগ্য প্রার্থীদের গ্রিন সিগন্যাল দেওয়া হয়েছে। তবে চূড়ান্ত প্রার্থী বাছাই নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

দলীয় প্রতীক না থাকলেও নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের সমর্থন থাকে

জানতে চাইলে বিএনপির আরেক ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘দলীয় প্রতীক না থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের সমর্থন থাকে।’ তিনি বলেন, ‘দলের নিবেদিতপ্রাণ ও ক্লিন ইমেজের নেতাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বিএনপি যেহেতু বড় দল, তাই একেকটি এলাকায় একাধিক প্রার্থী থাকেন। তাদের মধ্যে কীভাবে সমন্বয় করা যায়, সেই কৌশল নিয়েও কাজ করছেন শীর্ষ নেতারা।’

কোনো বিতর্কিতদের সুযোগ দেওয়া হবে না

জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, ‘দলের নিবেদিতপ্রাণ ও ক্লিন ইমেজের নেতাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। জনবান্ধব ও ত্যাগীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। কোনো বিতর্কিতদের সুযোগ দেওয়া হবে না। এ ক্ষেত্রে যোগ্যতাকেই মাপকাঠি হিসেবে দেখা হবে। তিনি বলেন, যুগপতের শরিকেরা যদি কোনো জায়গায় যোগ্য হয়, সেটা পরিস্থিতি অনুযায়ী বিবেচনা করা হবে। আর দলের নির্দেশ অমান্য করলে কঠোর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নির্বাচনে দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব দূর করে প্রতিটি পদে একক প্রার্থী নিশ্চিত করা

এসব বিষয় নিয়ে বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক প্রফেসর ড. দিলারা চৌধুরী বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের পর বিএনপির দলীয় কোনো কার্যক্রম নেই বললেই চলে। দলের অনেক নেতা এখন সরকারে দায়িত্ব পালন করছেন। মন্ত্রিসভার বৈঠক, সংসদীয় দায়িত্ব, বৈশ্বিক পরিস্থিতি সামাল দেওয়া এবং নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নেই তাদের সব ব্যস্ততা। দলের স্বাভাবিক কোনো কর্মসূচি নেই। তৃণমূল পর্যন্ত নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব অনেক। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব দূর করে প্রতিটি পদে একক প্রার্থী নিশ্চিত করা বিএনপির জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ।

ক্লিন ইমেজের প্রার্থীদের নামানোর কৌশলে বিএনপি

তবে বিএনপি আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন গোছানো এবং যোগ্য ও জনপ্রিয় একক প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন দলের একাধিক নেতা। তথ্যমতে, দলীয় প্রতীকে নির্বাচন না হওয়ায় স্বতন্ত্রভাবে ক্লিন ইমেজের প্রার্থীদের নির্বাচনে নামানোর কৌশল নিয়ে দলটি এগোচ্ছে। দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব দূর করে একক প্রার্থী নিশ্চিত করতেও সাংগঠনিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এজন্য স্থানীয় পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক ও সমঝোতার বিষয়টিও গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি।

দলটির নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুধু প্রশাসনিক শূন্যতা পূরণের বিষয় নয়, এটি দলকে আবার মাঠে সক্রিয় করারও সুযোগ। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে হলে একক প্রার্থী নিশ্চিত করা, বিদ্রোহী প্রার্থী ঠেকানো এবং নির্বাচন ঘিরে সহিংসতা নিয়ন্ত্রণ- এই তিন চ্যালেঞ্জ সামলাতে হবে দলটিকে। দলীয় সমর্থন না পাওয়া প্রার্থীরাও স্বতন্ত্রভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে পারেন, এমন আশঙ্কা রয়েছে।

নির্বাচন ঘিরে দলীয় প্রস্তুতি চলছে

বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে আমাদের দলীয় প্রস্তুতি চলছে। এবার দলীয় প্রতীকে নির্বাচন না হওয়ায় একই স্থানে দল সমর্থিত একাধিক প্রার্থী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিদ্রোহী প্রার্থীদের নিরুৎসাহিত করতে বিভাগীয়, সাংগঠনিক ও সহসাংগঠনিক সম্পাদকদের বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে চলার নির্দেশনা দিচ্ছেন। সব মিলিয়ে আমরা আশা করছি, বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের যে সফলতা, তা স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও বিএনপি ধরে রাখতে পারব।