× UCB Sticker Card
বুধবার, ০১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ১, ২০২৬, ০৪:০৮ এএম

সূর্যাস্তের অসাধারণ স্বাস্থ্যগুণ : মন ও শরীরের মহৌষধ

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ১, ২০২৬, ০৪:০৮ এএম

সূর্যাস্তের অসাধারণ  স্বাস্থ্যগুণ : মন ও  শরীরের মহৌষধ

প্রতিদিনের চেনা গ-ি পেরিয়ে গোধূলির আলোয় আকাশ রাঙিয়ে যখন সূর্য অস্ত যায়, তখন সেই দৃশ্য কম-বেশি সবার মনেই এক অদ্ভুত প্রশান্তি এনে দেয়। বিজ্ঞান বলছে, সূর্যাস্তের এই অপরূপ সৌন্দর্য কেবল চোখ জুড়ায় না, বরং মস্তিষ্ক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এর রয়েছে জাদুকরী প্রভাব। সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত সূর্যাস্ত বা সূর্যোদয় দেখার অভ্যাস মানুষের বিষণœতা ও উদ্বেগ কমিয়ে দেয় এবং স্মৃতিশক্তি, কর্মক্ষমতা, ঘুম ও মনস্তাত্ত্বিক সুস্থতা নাটকীয়ভাবে বাড়িয়ে তোলে।

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, সূর্যাস্তের মতো বিশাল এবং গভীর কোনো প্রাকৃতিক দৃশ্য যখন মানুষের মনে এক ধরনের পরম বিস্ময় বা প্রশান্তির অনুভূতির জন্ম দেয়, তখন মানুষের আত্মকেন্দ্রিক চিন্তা বা মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যায়। এই বিস্ময়ের অনুভূতি মানুষকে নিজের দুঃখ-কষ্ট বা দৈনন্দিন সমস্যাগুলোকে মহাবিশে^র তুলনায় খুব ছোট করে দেখতে শেখায়। এর ফলে নেতিবাচক চিন্তার বৃত্ত ভেঙে মানুষ বর্তমান মুহূর্তে ফিরে আসে এবং মানসিক প্রশান্তি লাভ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত প্রকৃতির এই রূপ উপভোগ করেন, তাদের মধ্যে অন্যকে সাহায্য করার প্রবণতা এবং সামাজিক সহমর্মিতাও বৃদ্ধি পায়।

মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সূর্যাস্তের অনন্য ভূমিকা রয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রায়ই প্রকৃতিতে সূর্যাস্তের আনন্দ উপভোগ করেন, তাদের শরীরে ক্ষতিকর সাইটোকাইনের মাত্রা অনেক কম থাকে। শরীরে উচ্চ মাত্রার সাইটোকাইন বা প্রদাহ মূলত ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও বিষণœতার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। প্রকৃতি ও সূর্যাস্তের সংস্পর্শে থাকলে মানুষের মানসিক চাপ কমে যাওয়ার কারণে এই শারীরিক জটিলতাগুলোর ঝুঁকিও কমে আসে।

আমাদের শরীরের একটি নিজস্ব জৈবিক ঘড়ি বা ‘সার্কাডিয়ান রিদম’ রয়েছে, যা ২৪ ঘণ্টার ঘুম ও জাগরণের চক্র নিয়ন্ত্রণ করে। সূর্যাস্তের হালকা লাল ও সোনালি আলো আমাদের স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করার সংকেত পাঠায়, যা শরীর থেকে কর্টিসল নামে স্ট্রেস হরমোন কমিয়ে দেয় এবং ঘুমের হরমোন মেলাটোনিন তৈরিতে সাহায্য করে। এর ফলে রাতে চমৎকার ও গভীর ঘুম নিশ্চিত হয়। আধুনিক জীবনে কৃত্রিম আলো এবং স্ক্রিনের নীল আলোর কারণে আমাদের যে ঘুমের ব্যাঘাত ও মানসিক অস্থিরতা তৈরি হয়, প্রতিদিনের এক টুকরো সূর্যাস্ত তা দূর করে শরীর ও মনকে পুনরুজ্জীবিত করতে এক অনন্য প্রাকৃতিক নিয়ামক হিসেবে কাজ করে। সূত্র : বিবিসি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!