× UCB Sticker Card
বুধবার, ০৮ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২৬, ০৬:৩৭ এএম

তিস্তা মহাপরিকল্পনা

১১০ কিমি নদী ড্রেজিং ও ২২৪ কিমি বাঁধ নির্মাণের প্রস্তাব

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২৬, ০৬:৩৭ এএম

১১০ কিমি নদী ড্রেজিং ও ২২৪  কিমি বাঁধ নির্মাণের প্রস্তাব

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রস্তাবগুলো জাতীয় সংসদে তুলে ধরে জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। গতকাল মঙ্গলবার সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. রায়হান সিরাজীর এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে পানিসম্পদমন্ত্রী এ কথা জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, তিস্তা নদী উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিস্তা নদীর উজানে বাঁধ দেওয়াসহ নানা সীমাবদ্ধতার কারণে শুষ্ক মৌসুমে নদীর পানিপ্রবাহ কমে যায়। যার ফলে তিস্তা সেচ প্রকল্পসহ কৃষি কার্যক্রম ব্যাহত হয়। অন্যদিকে বর্ষা মৌসুমে উজানে অতি বৃষ্টির কারণে হঠাৎ বন্যা ও নদীভাঙন তীব্র হয়। তিনি বলেন, তিস্তা এলাকার ৫টি জেলায় (রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা এবং লালমনিরহাট) নদী ভাঙনরোধে বিগত ২০২৪-২৫ এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২২২.২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে মোট ৪২.১৭ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ কাজ এরই মধ্যে সমাপ্ত হয়েছে। তাছাড়াও তিস্তা নদীকেন্দ্রিক টেকসই ও সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি সমীক্ষা কার্যক্রম এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

সংসদে মন্ত্রী বলেন, এই সমীক্ষা প্রতিবেদনে তিস্তা মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে ১১০ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ (নদী শাসন); ১১০ কিলোমিটার নদী ড্রেজিং; ২২৪ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ এবং বাঁধের ওপর রাস্তা নির্মাণ; ৬৭টি গ্রোয়েন/স্পার নির্মাণ ও মেরামত এবং ১৭০ বর্গ কিলোমিটার ভূমি পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন কাজ প্রস্তাব করা হয়েছে। এই সমীক্ষার কারিগরি ও আর্থিক বিষয়গুলো বিভিন্ন পর্যায়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে।

শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে শুষ্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণ সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং ফসলের বহুমুখীকরণ সম্ভব হবে, নদী তীরবর্তী এলাকায় অবকাঠামো উন্নয়ন তথা রাস্তা, সেতু, বাঁধ নির্মাণ হবে; কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং দারিদ্র্য হ্রাসে সহায়ক হবে, নৌ-যোগাযোগ ও আঞ্চলিক বাণিজ্যের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে এবং সামগ্রিকভাবে উত্তরাঞ্চলের টেকসই ও সমন্বিত উন্নয়ন নিশ্চিত হবে বলে সমীক্ষা প্রতিবেদনের মতামতে উল্লেখ রয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!