বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে এক অদৃশ্য গ্যাসের বিশাল মেঘ। সাধারণ চোখে দেখা না গেলেও মহাকাশে ঘুরতে থাকা অত্যাধুনিক স্যাটেলাইটের লেন্সে তা বেশ স্পষ্টভাবেই ধরা পড়ছে। এই গ্যাসটি হলো মিথেন, যা কার্বন ডাই-অক্সাইডের চেয়েও অন্তত ৮০ গুণ বেশি শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসা’ এবং ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা ‘ইএসএ’র সাম্প্রতিক ডেটা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বাংলাদেশ এখন বিশ্বের অন্যতম প্রধান ‘মিথেন নিঃসরণকারী কেন্দ্র’ বা হটস্পট।
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা ব্লুমবার্গ ২০২১ সালে তাদের এক বিশেষ প্রতিবেদনে প্রথম বাংলাদেশের ওপর মিথেন গ্যাসের বিশাল কু-লী শনাক্ত করার খবর জানায়। পরে প্যারিসভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘কাইরোস’-এর ডেটা উদ্ধৃত করে জানানো হয়, বাংলাদেশের এই নিঃসরণ পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ।
চলতি বছরের শুরুতে নাসা তাদের ‘আর্থ ইন্ডিকেটর’ ড্যাশবোর্ডে জানিয়েছে, বায়ুম-লে মিথেনের ঘনত্ব এখন ইতিহাসের সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯৪১ পার্টস পার বিলিয়ন (পিপিবি) ছাড়িয়েছে। নাসার ইএমআইটি মিশন (মিথেন সুপার-এমিটর) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সেন্টিনেল-৫পি স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত মানচিত্র বলছে, বাংলাদেশের ওপর এই মিথেনের স্তর দীর্ঘস্থায়ী রূপ নিচ্ছে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের নির্দিষ্ট কিছু উৎস থেকে নিয়মিতভাবে এই গ্যাস নির্গত হচ্ছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ হোসেনের মতে, স্যাটেলাইটে ধরা পড়া মিথেনের এই ঘন কু-লী প্রমাণ করে যে, আমাদের ভূগর্ভস্থ গ্যাসলাইনগুলো কতটা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আমরা কতটা পিছিয়ে।
নাসার আর্থ ইন্ডিকেটর এবং ইএসএর ম্যাপ অনুযায়ী, বাংলাদেশের মিথেন নিঃসরণের প্রধান তিনটি উৎস রয়েছে। সেগুলো হলোÑ
বর্জ্য অব্যবস্থাপনা
ঢাকা মাতুয়াইল, আমিনবাজার ও চট্টগ্রামের বিশাল আবর্জনার ভাগাড় (ল্যান্ডফিল) থেকে পচন প্রক্রিয়ায় বিপুল পরিমাণ মিথেন বের হয়ে সরাসরি বায়ুম-লে মিশছে। ইএসএর বিজ্ঞানীরা একে ‘মিথেন বোমা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
ত্রুটিপূর্ণ গ্যাসলাইন
প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন। দেশের পুরোনো এবং লিকেজ হওয়া গ্যাসলাইন থেকে বিপুল পরিমাণ মূল্যবান জ্বালানি নিঃশব্দে আকাশে উড়ে যাচ্ছে।
সনাতন কৃষি পদ্ধতি
দীর্ঘ সময় ধানখেতে পানি জমিয়ে রাখায় সেখানে অ্যানেরোবিক ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়, যা প্রচুর মিথেন তৈরি করে।
এ ছাড়া, পরিবেশকেন্দ্রিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘দ্য গ্রিন পেজ’-এ আরও দুটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। সেগুলো হলোÑ
গবাদিপশুর বর্জ্য
গবাদিপশু (গরু, মহিষ, ছাগল) থেকে দুইভাবে মিথেন নির্গত হয়। জাবর কাটা প্রাণীদের পাকস্থলীতে এক ধরনের বিশেষ ব্যাকটেরিয়া থাকে যা ঘাস বা খড় পচিয়ে হজম করতে সাহায্য করে। এই প্রক্রিয়ায় প্রচুর মিথেন গ্যাস তৈরি হয়, যা প্রাণীটি ঢেকুর বা নিশ্বাসের মাধ্যমে বাতাসে ছেড়ে দেয়। অন্যটি গবাদিপশুর মল বা গোবর স্তূপ করে রাখলে পচন ধরে মিথেন গ্যাস বের হয়।
নদীভাঙন
পচনশীল জৈব বস্তু যখন পানির নিচে কাদার স্তরে চাপা পড়ে, তখনই মিথেন তৈরি হয়। এই হিসেবে নদীভাঙন পরোক্ষভাবে মিথেন তৈরি করে। যেমনÑ নদীভাঙনের সময় পাড়ের গাছপালা, লতাগুল্ম, ফসলি জমি এবং পশুপাখির দেহাবশেষ নদীর তলদেশে মাটির নিচে চাপা পড়ে যায়। সেগুলো নদীর তলদেশে পচন ধরে প্রচুর পরিমাণে মিথেন গ্যাস তৈরি করে।
এদিকে মিথেন সরাসরি বিষাক্ত না হলেও এটি বায়ুম-লের নিচের স্তরে ‘গ্রাউন্ড লেভেল ওজোন’ তৈরিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। পরিবেশবিদ ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, মিথেন-সৃষ্ট ওজোনের ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে। যেমনÑ
জ্বালানির অপচয়
বাংলাদেশের গ্যাস পাইপলাইন থেকে যে মিথেন লিক হচ্ছে, তা আসলে আমাদের কেনা জ্বালানি। নাসার তথ্যমতে, যে পরিমাণ গ্যাস বাতাসে উড়ে যাচ্ছে, তা দিয়ে দেশের কয়েক মাসের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানো সম্ভব। এটি সরাসরি জাতীয় অর্থনীতির অপচয়।
গ্যাস পাইপলাইনের লিকেজ এবং মিথেন নিঃসরণ নিয়ে বুয়েটের সাবেক অধ্যাপক ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, গ্যাস সঞ্চালন লাইনের সিস্টেম লস বা লিকেজ কেবল অপচয় নয়, এটি একটি বড় পরিবেশগত ঝুঁকি। এ ছাড়া নাসার স্যাটেলাইট ইমেজে ঢাকার ওপর যে মিথেন কু-লী দেখা গেছে, তা মূলত তিতাস গ্যাসের লিকেজ এবং ল্যান্ডফিল (বর্জ্য ভাগাড়) থেকে আসছে বলে মত দেন তিনি।
ফুসফুসের স্থায়ী ক্ষতি
হাঁপানি বা অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস ও দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসকষ্টের প্রধান কারণ এই নীরব ঘাতক মিথেন। এ ছাড়া ওজোন দূষণের কারণে অকালমৃত্যুর ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. এম এ আজিজ বলেন, গ্রাউন্ড লেভেল ওজোন (যা মিথেন থেকে তৈরি হয়) ফুসফুসের অ্যালভিওলাই নষ্ট করে দেয়, যা দীর্ঘমেয়াদি ব্রঙ্কাইটিসের কারণ।
তাপমাত্রা বৃদ্ধি
মিথেন প্রচুর তাপ ধরে রাখে। ফলে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও আশপাশের শহরগুলোতে অসহনীয় দাবদাহ বা ‘হিট আইল্যান্ড’ তৈরি হচ্ছে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি)-এর সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. আকতার মাহমুদ এবং তার গবেষক দল দেখিয়েছেন যে, ঢাকা ও চট্টগ্রামের নির্দিষ্ট কিছু এলাকা (যেমন- মাতুয়াইল ল্যান্ডফিল বা শিল্পাঞ্চল) সংলগ্ন এলাকায় মিথেন ও অন্যান্য গ্রিনহাউস গ্যাসের কারণে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩-৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি থাকে।
ফসলের ফলন হ্রাস
নাসার গবেষণায় দেখা গেছে, মিথেন-সৃষ্ট ওজোনের প্রভাবে ধান ও গমের ফলন ৫ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে, যা সরাসরি আমাদের খাদ্য নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলবে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. এনামুল হক বলেন, মিথেন শুধু তাপমাত্রা বাড়ায় না, বরং স্থানীয় পর্যায়ে আবহাওয়াম-লের গঠন পরিবর্তন করে ফসলের উৎপাদনশীলতা ৫-১৫ শতাংশ কমিয়ে দিচ্ছে।
ওজোন স্তরের ক্ষতি
মিথেন নিঃসরণ বায়ুম-লের ওজোন স্তরের ক্ষতি করছে, যা জলবায়ু সংকটকে আরও ত্বরান্বিত করছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি ধারণা প্রচলিত যে, ওজোন স্তরের ক্ষতি মানেই সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি সরাসরি পৃথিবীতে আসা। তবে পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মতে, মিথেনের ভূমিকা এখানে অত্যন্ত জটিল এবং দ্বিমুখী।
গ্রাউন্ড লেভেল ওজোন (ক্ষতিকর)
মিথেন মূলত বায়ুম-লের নিচের স্তরে (ট্রপোস্ফিয়ার) সূর্যালোকের উপস্থিতিতে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে ‘গ্রাউন্ড লেভেল ওজোন’ তৈরি করে। এটি একটি শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস এবং স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এটিই জলবায়ু সংকটকে সরাসরি ত্বরান্বিত করছে। এটি মানুষের ফুসফুস এবং ফসলের মারাত্মক ক্ষতি করে।
উপরের স্তরে জটিল প্রভাব (স্ট্রাটোস্ফিয়ার)
মাথার অনেক উপরে ওজোন স্তর যখন সিএফসি গ্যাসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, মিথেন তখন সেখানে পৌঁছে কিছু রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে ওজোন স্তর পুনর্গঠনে সহায়তা করার চেষ্টা করে। কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় সেখানে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প তৈরি হয়, যা মহাকাশের তাপকে আটকে ফেলে। ফলে ওজোন স্তর কিছুটা সুরক্ষিত হলেও পৃথিবী আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদারের মতে, সাধারণত ওজোন স্তর বলতে যা বুঝি, মিথেন তার চেয়েও বড় ক্ষতি করছে আমাদের বেঁচে থাকার স্তরে। মিথেন-সৃষ্ট এই নিচু স্তরের ওজোন ঢাকার তাপমাত্রাকে অসহনীয় করে তুলছে এবং আমাদের কৃষি উৎপাদনকে সরাসরি হুমকির মুখে ফেলছে।
রপ্তানি বাণিজ্যে বাধা
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আমেরিকা এখন আমদানিকৃত পণ্যের ওপর ‘মিথেন ট্যাক্স’ আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বাংলাদেশের ওপর এই মিথেনকু-লী বজায় থাকলে আমাদের তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতের ‘সবুজ ভাবমূর্তি’ নষ্ট করতে পারে এবং রপ্তানি খরচ বেড়ে যাওয়ার কথা প্রতিবেদন উল্লেখ করা হয়েছে।
সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেমের মতে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘কার্বন বর্ডার অ্যাডজাস্টমেন্ট মেকানিজম’ (সিবিএএম) বা মিথেন ট্যাক্স কার্যকর হলে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি খরচ বেড়ে যাবে। দেশের টেক্সটাইল কারখানাগুলোতে ব্যবহৃত বয়লার এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা থেকে মিথেন নিঃসরণ কমাতে না পারলে আন্তর্জাতিক বাজারে আমাদের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমবে।
এ ছাড়া এর ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশের মতো নিচু দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়বে, যা প্রতিবেদনে বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার মিশন ম্যানেজার ক্লাউস জেনার বলেন, ‘স্যাটেলাইট প্রযুক্তির এই ডেটা ব্যবহার করে সরকারগুলো এখন খুব সহজেই তাদের লিকেজগুলো শনাক্ত করে মেরামত করতে পারে, যা শুধু পরিবেশ নয়, বরং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।’
যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির গবেষক রবার্ট জ্যাকসন বলেন, ‘বর্তমানে সবাই কার্বন-ডাই-অক্সাইড কমানো নিয়ে ব্যস্ত। অবশ্যই তার কারণ আছে, কিন্তু আমরা যদি এখনই মিথেন নিঃসরণ নিয়ে সচেতন না হই, তবে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে আমাদের এই লড়াই কাক্সিক্ষত ফল দেবে না।’
এদিকে নাসা এবং ইএসএ’র প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ সমস্যা থেকে উত্তরণে কিছু সুনির্দিষ্ট এবং কার্যকর সমাধানের কথা বলা হয়েছে। পদক্ষেপগুলো দ্রুত গ্রহণ করলে মিথেন নিঃসরণ উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব। সেগুলো হলোÑ
বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ
ল্যান্ডফিল বা ভাগাড় থেকে নির্গত মিথেন গ্যাস সংগ্রহ করে তা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা। এতে বায়ুম-লে মিথেন ছড়ানো বন্ধ হবে এবং জ্বালানি সাশ্রয় হবে।
স্যানিটারি ল্যান্ডফিল
উন্মুক্ত স্থানে ময়লা না ফেলে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মাটি চাপা দেওয়া। এর ফলে অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে ময়লা পচলেও নির্গত গ্যাস পাইপের মাধ্যমে সংগ্রহ করা সম্ভব হয়।
স্মার্ট মনিটরিং
বাংলাদেশের মতো দেশে যেখানে মাটির নিচে পুরোনো গ্যাস পাইপলাইন রয়েছে, সেখানে ড্রোন এবং অত্যাধুনিক আইওটি সেন্সর ব্যবহার করে লিকেজ শনাক্ত করা। এটি তিতাস গ্যাসের মতো প্রতিষ্ঠানের জন্য অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে।
এডব্লিউডি পদ্ধতি
ধান চাষে সারাক্ষণ জমি ডুবিয়ে না রেখে ‘অল্টারনেট ওয়েটিং অ্যান্ড ড্রাইং’ (এডব্লিউডি) পদ্ধতি ব্যবহার করা। গবেষণায় দেখা গেছে, এই পদ্ধতিতে পানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি ধানখেত থেকে মিথেন নিঃসরণ প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব।
বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক গবেষণা পরিচালক ড. এম. আসাদুজ্জামান বলেছেন, মিথেন কেবল একটি পরিবেশগত সমস্যা নয়, এটি একটি বাণিজ্যিক সুযোগ। যদি আমরা ল্যান্ডফিল থেকে গ্যাস সংগ্রহ করতে পারি, তবে তা আমাদের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি সংকট মেটাতে বড় ভূমিকা রাখবে।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন