গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যু হয়নি, তবে একই সময়ে ১৩৯ জন ডেঙ্গুরোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদিকে হাম সন্দেহে মৃত্যু হয়েছে আরও দুই শিশুর।
গতকাল শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু ও হামবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
ডেঙ্গুবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৬ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৩ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২৭ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৫ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১১ জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) সাতজন রয়েছেন। ২৪ ঘণ্টায় ১৪১ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে এ যাবত মোট ছয় হাজার ১৩০ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরের ৪ জুলাই পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ছয় হাজার ৫৯৭ জন। এর মধ্যে ৬২ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৮ শতাংশ নারী রয়েছেন। চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ দুই হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়। ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়, পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।
এদিকে হামবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে সন্দেহজনক হামে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৭৩২ এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক লাখ চার হাজার ৬৯৩। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১০১, গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১২ হাজার ৫২৬। গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৭ হাজার ৯৬৬ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৪ হাজার ২১৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে দুজনের মৃত্যু এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৬৩৮ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন