× UCB Sticker Card
রবিবার, ০৫ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কুমিল্লা উত্তর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ৫, ২০২৬, ০৭:৫৪ এএম

তিন মাসেও মেরামত হয়নি ভেঙে পড়া বেইলি সেতু

কুমিল্লা উত্তর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ৫, ২০২৬, ০৭:৫৪ এএম

তিন মাসেও মেরামত হয়নি  ভেঙে পড়া বেইলি সেতু

কুমিল্লার দাউদকান্দী উপজেলার খিরাই নদীর ওপর নির্মিত একটি বেইলি সেতু মালবাহী ট্রাকসহ নদীতে ভেঙে পড়ার তিন মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো মেরামত বা পুনর্নির্মাণের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে দাউদকান্দি ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার লাখো মানুষের চলাচল এবং স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। গৌরীপুর-পিতামুদ্দি-নায়েরগাঁও আঞ্চলিক সড়কটি দাউদকান্দি উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ। প্রতিদিন এই সড়ক ব্যবহার করে দুই উপজেলার হাজারো মানুষ ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পিতামুদ্দি বাজার এলাকায় খিরাই নদীর ওপর নির্মিত বেইলি সেতুটি প্রায় তিন মাস আগে একটি মালবাহী ট্রাকসহ নদীতে ভেঙে পড়ে। পরে স্থানীয়দের উদ্যোগে অস্থায়ীভাবে সেতুটি মেরামত করা হলেও বর্তমানে কেবল পথচারীরা ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে পারছেন। ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে নানা ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।

পিতামুদ্দি ও নায়েরগাঁও বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, পণ্য পরিবহনে অতিরিক্ত সময় ও ব্যয় গুনতে হচ্ছে। এতে ব্যাবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা।

স্থানীয় ব্যবসায়ী নূরে আলম বলেন, ১৯৮০ সালের দিকে খিরাই নদীর ওপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হয়েছিল। ২০১৫ সালে সেটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হলে ২০১৬ সালে অস্থায়ী সমাধান হিসেবে বেইলি সেতু নির্মাণ করা হয়। সে সময় পুরোনো সেতুর পরিবর্তে নতুন স্থায়ী সেতু নির্মাণের কথা থাকলেও দীর্ঘদিনেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

এ বিষয়ে দাউদকান্দি উপজেলা প্রকৌশলী জাহিদ হাসান বলেন, বেইলি সেতুটি ভেঙে পড়লেও একই নদীর ওপর পাশেই আরেকটি সেতু রয়েছে, যা দিয়ে মানুষ চলাচল করতে পারছে। পাশাপাশি নতুন সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ জানান, নতুন সেতু নির্মাণের প্রাক্কলন ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। জুন মাসের পর দরপত্র (টেন্ডার) আহ্বান করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!