নাট্যনির্মাতা শ্রাবণী ফেরদৌস। নির্মাণের পাশাপাশি অভিনয় করছেন মঞ্চে। শিগগিরই নবাগত শিল্পীদের নিয়ে নির্মাণ করবেন একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। উদ্যোক্তা হিসেবেও তার ব্যস্ততা বাড়ছে। সবকিছু নিয়ে কথা বলেছেন রূপালী বাংলাদেশের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এম তারেক
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নিয়ে জানতে চাই
‘ফেস অব টুমরো’ রিয়েলিটি শো’র মাধ্যমে নতুন নায়ক ও নায়িকা নেওয়া হবে। তারপর বিজয়ীদের নিয়ে ভ্রমণবিষয়ক একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হবে। দশটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে আমিও একটি নির্মাণ করব। ঈদের পরেই শুটিং শুরু হবে। স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটির দৈর্ঘ্য হবে ২০-৩০ মিনিট।
নিয়মিত নাটক নির্মাণ করছেন। এ সময়ে এসে কী প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হচ্ছেন?
ইদানীং সিন্ডিকেট করে শিল্পীরা অল্প কয়েকজন নির্মাতার বাইরে কাজ করছেন না। এতে তারা একই ঘরানার চরিত্রে বন্দি হয়ে পড়ছেন। এভাবে একটি ইন্ডাস্ট্রি দাঁড়াবে না। শিল্পীদের নির্মাতা নয়, স্ক্রিপ্টের মানের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। পেশাদারিত্ব গড়ে উঠলে কাজ করতে সবারই সুবিধা হবে। শিল্পীদের ম্যানেজার রাখা জরুরি হয়ে গেছে। যাতে করে নির্মাতাদের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হয়।
নাটকের নাম ও সংলাপ নিয়ে বেশ সমালোচনা হয়। এ প্রসঙ্গে আপনার মন্তব্য কী?
সত্যি বলতে, পরিচালকের হাতে তেমন কিছু নেই। শিল্পীর ঠিক করতে হবে তিনি মনের শান্তির জন্য কাজ করবেন কিনা। শিল্প তৈরি করতে হয়, যা দর্শক আজীবন মনে রাখবে। শিল্পের জায়গায় যেতে হলে সেন্সিবল হতে হবে। দায়িত্ব রয়েছে প্রডিউসারদেরও। দশটি কাজের মধ্যে ছয়টি ভিউর জন্য নির্মাণ করা হলে, চারটি হতে পারে শিল্পের জন্য।
নাট্যকেন্দ্রের সঙ্গে জড়িত আছেন। ব্যস্ততা কী নিয়ে?
কিছুদিন আগে ‘তীর্থযাত্রী’র শো করেছি। এটি আমাদের নিয়মিত শো। আরও রয়েছে ‘পুণ্যাহ’। বছরের শেষ দিকে নতুন নাটক আসতে পারে। আমার কাছে মনে হয় মঞ্চ ও ফিল্ম বড় দুই পরিসর। অনেক সময় দিতে হয়। মেধার প্রয়োজন হয়। নিজেকে তুলে ধরার অন্যতম বড় মাধ্যম।
উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন। এ নিয়ে জানতে চাই
আমার পেজের নাম ‘পেটাল গহনা’। সাধারণত গহনাগুলো তামার উপরে সিলভার বা গোল্ডের প্রলেপ দিয়ে ডিজাইন করা হয়। আমার মেয়ে মডেল হয়েছে। বিভিন্ন মেলায় অংশগ্রহণ করছি। এখনো পরিচিত সার্কেলের মধ্যে রয়েছে। ইচ্ছে আছে পরিসর বড় করার।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন