× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ৩, ২০২৬, ০৭:০০ এএম

বিপাকে ‘কালা হিরণ’

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ৩, ২০২৬, ০৭:০০ এএম

বিপাকে ‘কালা হিরণ’

বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের দীর্ঘদিনের আলোচিত কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলা এবার রূপ নিচ্ছে সিনেমায়, আর সেই সিনেমা মুক্তির আগেই শুরু হয়েছে নতুন আইনি বিতর্ক। ‘কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লিগ্যাসি’ নামের এই সিনেমা নিয়ে ইতোমধ্যে পরিচালক ও প্রযোজকের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সালমান খানের আইনজীবীর পক্ষ থেকে সিনেমাটির পরিচালক ভারত শ্রীনাথ এবং প্রযোজক অমিত জানিকে এই নোটিশ পাঠানো হয়। এতে সিনেমাটির মুক্তি আপাতত স্থগিত রাখার পাশাপাশি এর সঙ্গে সম্পর্কিত সব প্রচারণামূলক কনটেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলার দাবি জানানো হয়েছে।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, সিনেমাটির নাম, ধারণা ও প্রচারণার মাধ্যমে সালমান খানের ব্যক্তিগত জীবন ও চলমান মামলার বিষয়টি ব্যবহার করা হচ্ছে, যা তার অনুমতি ছাড়া করা হয়েছে। আইনজীবীদের দাবি, এতে তার ব্যক্তিত্ব ও সুনামের অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে।

সালমান খানের এই কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলার ঘটনা ১৯৯৮ সালের। রাজস্থানের কোঙ্কানি গ্রামে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ সিনেমার শুটিং চলাকালে তার বিরুদ্ধে কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের অভিযোগ ওঠে। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০১৮ সালে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয় এবং দুই দিন কারাগারে থাকতে হয়। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান। তবে মামলাটি এখনো সম্পূর্ণভাবে নিষ্পত্তি হয়নি এবং বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নতুন সিনেমাটি নিয়ে ইতোমধ্যে পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছে এবং নির্মাতারা ঘোষণা দিয়েছেন যে আগামী ২০ জুন এর টিজার প্রকাশ করা হবে। কিন্তু তার আগেই আইনি নোটিশের কারণে সিনেমাটি বিতর্কের মুখে পড়েছে।

নোটিশে বলা হয়েছে, যদি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাবি পূরণ না করা হয়, তাহলে নির্মাতাদের বিরুদ্ধে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা করা হতে পারে। এ ছাড়া নিঃশর্ত লিখিত ক্ষমা চাওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, প্রযোজক অমিত জানি এই নোটিশকে ‘ভয় দেখানোর চেষ্টা’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নোটিশের ছবি শেয়ার করে বলেন, এটি মানুষকে ভয় দেখানোর একটি কৌশল। তিনি দাবি করেন, তিনি কোনোভাবেই ভয় পাবেন না এবং বিষয়টি আইনিভাবে মোকাবিলা করবেন।

তিনি আরও বলেন, সিনেমাটি কোনো বায়োপিক নয়, বরং এটি একটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির গল্প হিসেবে নির্মিত হচ্ছে। তার মতে, সিনেমাটিকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া তৈরি করা হচ্ছে।

প্রযোজক এক সাক্ষাৎকারে আরও জানান, লিগ্যাল নোটিশটি অপ্রয়োজনীয় এবং এটি শিল্পের স্বাধীনতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

অন্যদিকে আইনজীবীদের দাবি, এ ধরনের মামলাভিত্তিক সিনেমা বিচারাধীন বিষয়ের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এবং জনমতকে প্রভাবিত করার আশঙ্কা রয়েছে। তারা আরও বলেন, সালমান খানের নাম বা পরিচয় ব্যবহারের কোনো অনুমতি নির্মাতারা পাননি।

এ ছাড়া অভিযোগ করা হয়েছে, নির্মাতারা সালমান খানের জনপ্রিয়তা ব্যবহার করে বাণিজ্যিক লাভের চেষ্টা করছেন, যা আইনগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।

সব মিলিয়ে, সিনেমাটি মুক্তির আগেই যে আইনি লড়াই শুরু হয়েছে, তা বলিউডে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এখন নজর রয়েছে আদালত ও নির্মাতাদের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!