× UCB Sticker Card
রবিবার, ০৫ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

যশোর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ৫, ২০২৬, ০৭:৩৩ এএম

চিকিৎসার নামে ফের প্রতারণার ফাঁদ

সিলগালার পরও চলছে অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার

যশোর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ৫, ২০২৬, ০৭:৩৩ এএম

সিলগালার পরও চলছে অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার

যশোরে সিলগালা করার পরও নিয়ম বহির্ভূতভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে অবৈধ ‘পিয়ারলেস ডায়াগনস্টিক সেন্টার’। প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো প্রকার অনুমতি ছাড়াই প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আবুল কাশেম প্রভাব খাটিয়ে রোগীদের চিকিৎসা, পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ সব কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পূর্বের কোনো অনিয়ম সংশোধন না করেই চিকিৎসাসেবার নামে ফের প্রতারণার ফাঁদ পেতে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে হাজার হাজার টাকা।

জানা যায়, যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তিন নম্বর গেটের সামনে অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানটি ২০১৮ সালে লাইসেন্স (রেজিস্ট্রেশন নম্বর : ৭৬০৪৮) পেলেও ২০১৯ সালের ৩০ জুন তার মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। এরপর থেকে লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই দালাল চক্রের সহায়তায় অবৈধভাবে চিকিৎসা কার্যক্রম চলছিল। গত ১৪ জুন সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা ও ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. নাজমুস সাদিক প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করে নানা অনিয়ম শনাক্ত করেন। পরবর্তীতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গুঞ্জন বিশ্বাসের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেয়।

এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, পিয়ারলেস ডায়াগনস্টিক একটি নামসর্বস্ব স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান। এখানে কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ডিগ্রিধারী সেবিকা কিংবা উন্নত মেশিনারিজ নেই। যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে আসা অসহায় রোগীদের টার্গেট করে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতারণা করে আসছিল।

অভিযোগ রয়েছে, নিজস্ব প্যাথলজিস্ট বা চিকিৎসক না থাকলেও কম্পিউটারে আগে থেকে ফরমেট করে রাখা প্যাডে নিজেদের ইচ্ছামতো ভুয়া প্যাথলজি রিপোর্ট তৈরি করে রোগীদের দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া, বিগত দিনে একাধিকবার জরিমানার মুখে পড়লেও প্রতিষ্ঠানটির প্রতারণা বন্ধ হয়নি। এমনকি ২০২২ সালের ৯ জুন ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে হাবিবুর রহমান নামের এক ভুয়া চিকিৎসককে আটক করে ১৫ দিনের কারাদ- ও ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছিল।

পিয়ারলেস পরিচালনাকারী আবুল কাশেম দাবি করেন, তারা লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদন করেছেন এবং নিয়ম মেনে কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করছেন।

তবে যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা জানান, প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্সের মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়েছে এবং পিয়ারলেসকে কোনো কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়নি। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, বর্তমানে তাদের কার্যক্রম পুরোপুরি অবৈধ। বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!