× UCB Sticker Card
রবিবার, ০৫ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

যশোর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ৫, ২০২৬, ০৭:৩৬ এএম

মাদ্রাসায় তালা দিলেন বিএনপি কর্মী খুলে দিলেন নেতা

যশোর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ৫, ২০২৬, ০৭:৩৬ এএম

মাদ্রাসায় তালা দিলেন বিএনপি কর্মী  খুলে দিলেন নেতা

যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটির বাগডাঙ্গা বাদামতলা বিএনডি শামসুল উলুম মাদ্রাসা ও মুন্সী আন্তার উদ্দিন এতিমখানায় তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় সৃষ্টি হওয়া উত্তেজনা স্থানীয় বিএনপি নেতাদের হস্তক্ষেপে শান্ত হয়েছে। গত শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যস্থতায় এই পরিস্থিতির অবসান ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত গত ২৭ জুন। মাদ্রাসাটিতে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিভাবক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে অনুপস্থিত অভিভাবকদের উপস্থিত হওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে বারবার তাগিদ দেওয়া হচ্ছিল। এ বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ হন ছোট দোগাছিয়া গ্রামের অভিভাবক ও স্থানীয় বিএনপি কর্মী উজ্জল হোসেন। তিনি মুঠোফোনে শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনকে গালিগালাজ করেন। এর জের ধরে গত বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে উজ্জল হোসেন তার সহযোগী শাহাজান, ইমান আলী, হাকিম ও নেজোকে নিয়ে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের বের করে দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে তালা ঝুলিয়ে দেন।

এই ঘটনায় মাদ্রাসা শিক্ষক ও স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝতে পেরে ওই দিন বিকেলে চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মনি ওই কর্মীর কাছ থেকে চাবি নিয়ে তালা খুলে দেন। তালা ঝুলানোর ঘটনায় জড়িতরা এলাকায় মনির অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শুক্রবার বিকেলে যশোর সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস আলী, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক আবু সাইদ, সাধারণ সম্পাদক মাস্টার মিজানুর রহমানসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ মাদ্রাসায় যান। তারা মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি রুহুল আমিন, শিক্ষক ও এলাকাবাসীর সঙ্গে আলোচনা করেন। এ সময় অভিযুক্তরা তাদের কৃতকর্মের জন্য দুঃখ প্রকাশ করলে বিষয়টির মীমাংসা হয়।

ভুক্তভোগী শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘শিক্ষক হিসেবে আমি দায়িত্ব পালন করেছি। কেন অকারণে আমাকে গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়া হলো, তা বোধগম্য নয়।’

মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি রুহুল আমিন বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক। আমরা বৃহস্পতিবারই আলোচনার জন্য তাদের ডেকেছিলাম, কিন্তু তারা আসেননি। শেষ পর্যন্ত দলের নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে।’

চুড়ামনকাটি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাস্টার মিজানুর রহমান জানান, শিক্ষক ও এলাকাবাসীর ক্ষোভ নিরসনে তারা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং উভয়পক্ষকে নিয়ে বিষয়টি নিষ্পত্তি করেছেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!