× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

যমুনার ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত শতাধিক পরিবার

গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৪, ২০২৬, ০৭:১৩ এএম

যমুনার ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত  শতাধিক পরিবার

টাঙ্গাইলের গোপালপুর ও ভূঞাপুর উপজেলায় চলতি বর্ষায় যমুনা নদীর তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। ঢলের পানি বৃদ্ধি ও প্রবল স্রোতের কারণে একের পর এক বসতভিটা ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। এতে ইতিমধ্যে শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে সম্পূর্ণ নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে ভূঞাপুর-তারাকান্দি যমুনা বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ কাম আঞ্চলিক মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ ‘শাখারিয়া স্লুইসগেট’ এলাকা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বর্ষা মৌসুমে যমুনার পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই এই ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়। গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের চর শাখারিয়া ও নলিন এলাকায় প্রথমে ভাঙন দেখা দেয়। শাখারিয়া স্লুইসগেটের পশ্চিম পাশে নদীভাঙনে ইতিমধ্যে বিপুল পরিমাণ আবাদি জমি নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে এবং এখনো ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।

হেমনগর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শামসুল আলম উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘যমুনার ভাঙনে প্রতি বছরই এ অঞ্চলের মানুষ বাড়িঘর ও আবাদি জমি হারাচ্ছে। এবারও অনেক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঐতিহ্যবাহী নলিন বাজার ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক এলাকাও এখন ভাঙনের মুখে রয়েছে।’

অন্যদিকে ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের জগৎপুরা, গোবিন্দাসী ইউনিয়নের চিতুলিয়া এবং নিকরাইল ইউনিয়নের কোনাবাড়ী, নলছিয়া ও পাটিতাপাড়া গ্রামের শতাধিক পরিবার নদীভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়ে আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে এসব পরিবারের অনেকে যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের (সেতু বিভাগ) সড়কের পাশে অস্থায়ী ছাপড়া ঘর তুলে কোনোমতে দিনাতিপাত করছে। গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি নিয়ে তারা চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম জানান, ‘ঢলের পানির প্রচ- চাপে ভূঞাপুর-তারাকান্দি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের শাখারিয়া স্লুইসগেট এলাকায় সিসি ব্লকের নিচের অংশের কিছু ক্ষতি হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ২৩৫ মিটার এলাকায় জিওব্যাগ ডাম্পিং করে আপাতত বাঁধটি ঝুঁকিমুক্ত করা হয়েছে। নলিন বাজারের উজানে ক্ষতিগ্রস্ত অংশও দ্রুত মেরামত করা হবে, যাতে বাঁধের আর কোনো অংশ নদীগর্ভে বিলীন না হয়।’ এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য বলেন, যমুনার ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো যাতে দ্রুত সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসনের সুবিধা পায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!