× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫, ০৪:৩২ পিএম

ফুলবাড়ীতে তীব্র ঠান্ডায় বাড়ছে শীতজনিত রোগ

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫, ০৪:৩২ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বাড়ছে শীতজনিত রোগ। এতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা। বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও দীর্ঘ সময় ধরে ঘন কুয়াশা থাকায় শীতের অনুভূতি তীব্র হয়ে উঠেছে। ফলে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, যানবাহনচালক, শিশু ও বয়স্করা।

দিনাজপুর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন জানান, শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় দিনাজপুর জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৩ শতাংশ। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় দিনাজপুর জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৩ শতাংশ।

এদিকে ঘন কুয়াশা ও তীব্র ঠান্ডার কারণে প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে কেউ তেমন বের হচ্ছেন না। সকাল ১১টার দিকেও সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। রাস্তাঘাট জনশূন্য। হাটবাজারে লোকজনের উপস্থিতি কম। ঘন কুয়াশার কারণে যানবাহনকে দিনের বেলাতেও হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। তীব্র ঠান্ডার ফলে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। ঠান্ডার মধ্যে শ্রমজীবীরা মাঠে-ঘাটে কাজ করতে পারছেন না। কাজে নামলেও ঠান্ডার কারণে বেশিক্ষণ টিকতে পারছেন না। শীতজনিত রোগে আক্রান্তরা ভিড় করছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ ক্লিনিক ও স্থানীয় চিকিৎসকদের কাছে।

উপজেলার আলাদিপুর ইউনিয়নের বাসুদেবপুর গ্রামের কৃষিশ্রমিক পাতরাজ কিস্কু, জোৎস্না টুডু, রোজিনা হেম্ব্রম, ইলিয়াস মুর্মু জানান, ঘন কুয়াশা আর তীব্র ঠান্ডার কারণে কদিন থেকে কাজ বন্ধ রেখে বাড়িতে অবস্থান করছেন। দু-চার জন মাঠে কাজে গেলেও তারা বেশিক্ষণ কাজ করতে না পেরে বাড়ি ফিরে আসছেন।

পৌর এলাকার বর্গাচাষি আমিনুল ইসলাম বলেন, সপ্তাহ ধরে যেভাবে কুয়াশা আর ঠান্ডা পড়ছে তাতে করে বোরো বীজতলাসহ শীতকালীন শাক-সবজি খেত রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, শীতার্তদের জন্য দুই কিস্তিতে ৯ লাখ টাকা বরাদ্দ এসেছে। সেই অর্থ থেকে প্রাথমিকভাবে ৩ লাখ টাকায় ৯৫০টি কম্বল কেনা হয়েছে। একই সাথে জেলা থেকে ৩৪০টি কম্বল পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যেই কম্বলগুলো দুস্থদের মাঝে বিতরণ কার্যক্রম চলছে। বরাদ্দের অবশিষ্ট টাকা দিয়ে কম্বল কিনে বিতরণ করা হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মশিউর রহমান বলেন, বর্তমানে শীতজনিত রোগে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা। তাদের ঠান্ডা থেকে দূরে রাখতে প্রয়োজনীয় গরম কাপড় পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!