× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫, ০৭:৪০ পিএম

শীতে বিপর্যস্ত শেরপুর, হাসপাতালে বাড়ছে শীতজনিত রোগী

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫, ০৭:৪০ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

বগুড়ার শেরপুরে দিন দিন তীব্র হচ্ছে শীতের প্রকোপ। ঘন কুয়াশা, হাড় কাঁপানো ঠান্ডা ও হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া রিকশা শ্রমিক, দিনমজুর ও ছিন্নমূল মানুষ। শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন শিশু ও বয়স্করা। ফলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বাড়ছে রোগীর চাপ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোর থেকেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে উপজেলার গ্রামাঞ্চলের রাস্তাঘাট। কয়েক দিন ধরে সূর্যের দেখা নেই বললেই চলে। এতে কাজকর্ম ব্যাহত হওয়ায় চরম সংকটে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।

উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের ঝাঝর গ্রামের আটোচালক বাবলু মিয়া বলেন, ‘ভোর থেকেই কুয়াশায় চারদিক ঢেকে থাকে। কয়েক দিন ধরে সূর্যের দেখা নেই। অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে গাড়ি নিয়ে বের হওয়াই সম্ভব হচ্ছে না।’

একই উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের দিনমজুর আয়াজ আলী বলেন, ‘শীতে কাজ অনেক কমে গেছে। ঠান্ডায় শরীর চলে না, কিন্তু কাজে না বের হলে সংসার চলবে না। তাই কষ্ট করেই কাজের সন্ধানে বের হচ্ছি।’

এদিকে প্রচণ্ড শীতে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়ার মতো রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভুগছেন শিশু ও বয়স্করা। শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিকিট কাউন্টার সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন গড়ে ৬৫০ থেকে ১,১০০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে আসছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগীই শীতজনিত সমস্যায় আক্রান্ত।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, শিশুদের নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট ও জ্বর নিয়ে প্রতিদিনই বহু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।

খানপুর ইউনিয়নের ছাতিয়ানী গ্রামের বাসিন্দা মোছা. সুমি খাতুন বলেন, ‘আমার পাঁচ বছরের ছেলে শাফি প্রচণ্ড ঠান্ডায় শ্বাস নিতে কষ্ট পাচ্ছিল। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে এখন অনেকটা ভালো।’

শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজিদ হাসান সিদ্দিকী বলেন, ‘শীতকালে শিশু ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। এ সময় ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টের রোগী বাড়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সবাইকে গরম কাপড় ব্যবহার, ঠান্ডা এড়িয়ে চলা এবং অসুস্থ হলে দ্রুত হাসপাতালে আসার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। জরুরি চিকিৎসার জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডার সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে।’

শীতের প্রকোপ মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের কথা জানিয়ে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম. আবদুল্লাহ ইবনে মাসুদ আহমেদ বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি ইউনিয়নে ১৫০টি করে শীত নিবারণের কম্বল বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে কিছু কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরও কম্বল দেওয়া হবে।’

Link copied!