× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশিত: মার্চ ৬, ২০২৬, ০৩:৩৫ পিএম

রাজশাহীতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশিত: মার্চ ৬, ২০২৬, ০৩:৩৫ পিএম

ফিলিং স্টেশনে ক্রেতাদের ভিড়। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ফিলিং স্টেশনে ক্রেতাদের ভিড়। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল ও অকটেনের সংকট দেখা দেওয়ায় ক্রেতাদের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। চাহিদামতো তেল না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন চালকরা। কোথাও কোথাও তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় কয়েকটি ফিলিং স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধও হয়ে গেছে। যেসব স্টেশনে তেল রয়েছে, সেগুলোতে সীমিত পরিমাণে তেল বিক্রি করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোলপাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী বিভাগে মোট ২৭৯টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। গত তিন দিন ধরে এসব স্টেশনে পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ২০০ টাকার বেশি মোটরসাইকেল চালকদের তেল দিচ্ছে না ফিলিং স্টেশন মালিকরা।

উত্তরের জেলা রাজশাহীতে তেল সংকটের বিষয়টি সামনে আসে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল থেকেই। ওই দিন নগরীর বেশিরভাগ ফিলিং স্টেশন বাইকারদের চাহিদামতো তেল দেওয়া বন্ধ করে দেয়। কোনো কোনো স্টেশনে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা এবং কোথাও ৫০০ টাকার তেল দেওয়া শুরু হয়।

শুক্রবারও একই চিত্র দেখা গেছে। সকাল থেকেই রাজশাহী নগরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে বাইকারদের দীর্ঘ সারি দেখা করা যায়।

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার বাসিন্দা শাহজামাল জানান, বৃহস্পতিবার রাতে তিনটি ফিলিং স্টেশনে মাত্র ১ হাজার টাকার পেট্রোল নিতে পেরেছেন। এর মধ্যে একটি স্টেশন থেকে ৫০০ টাকার এবং দুটি স্টেশন থেকে ২৫০ টাকা করে তেল নিয়েছেন। কোথাও চাহিদামতো তেল পাননি বলেও জানান তিনি।

শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) এলাকার নয়ান ফিলিং স্টেশনে কথা হয় বাইকার সবুজ আহমেদের সঙ্গে। তিনি জানান, প্রতিদিনই তার বাইক ব্যবহার করতে হয়। তাই বিভিন্ন পাম্পে ঘুরে তিনি বাইকের ট্যাংকিতে তেল ভরার চেষ্টা করছেন।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোলপাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের রাজশাহী বিভাগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল বলেন, ইরান যুদ্ধের প্রভাবের কারণে সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে। গত তিন দিন ধরে ফিলিং স্টেশনগুলো চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছে না। ফলে পাম্পগুলো চাহিদামতো তেল বিক্রি করতে পারছে না। ইতোমধ্যে কয়েকটি ফিলিং স্টেশন তেল না থাকায় বন্ধ হয়ে গেছে। যেগুলোতে তেল রয়েছে, সেগুলোতে অল্প অল্প করে দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হওয়ায় তেল কেনার হিড়িক পড়ে গেছে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে, কেউ বাইক খুব একটা ব্যবহার না করলেও এসে এক হাজার টাকার তেল চাইছে। আবার যারা বেশি বাইক চালায় তারা একাধিক পাম্পে ঘুরে ট্যাংকি পূর্ণ করে বাড়িতে সংরক্ষণ করছে। এতে সংকটের বিষয়টি আরও তীব্রভাবে দৃশ্যমান হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি। 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!