× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

জুয়েল হাসান, শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২৯, ২০২৬, ০৩:৩৯ পিএম

শৈলকুপায় সাংস্কৃতিক স্থবিরতা : দায় কার, উত্তরণের পথ কোথায়?

জুয়েল হাসান, শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২৯, ২০২৬, ০৩:৩৯ পিএম

শৈলকুপার সাংস্কৃতিক কর্মীরা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

শৈলকুপার সাংস্কৃতিক কর্মীরা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

নিজ জন্মভূমি ঝিনাইদহের শৈলকুপাকে এগিয়ে নিতে ৫ আগস্টের পর থেকে বর্তমান আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। অবকাঠামোসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগলেও উপজেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গন যেন ক্রমেই স্থবির হয়ে পড়ছে—এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় সাংস্কৃতিকপ্রেমী মানুষ। কদিন আগেও মন্ত্রী শৈলকুপা মিলনায়তনে এক বক্তব্যে বলেছেন, ‘আজ থেকে সকল সংস্কৃতি, সামাজিক এবং ভাল কাজের সকল দুয়ার খুলে দেওয়া হলো।’

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলো ঘিরে এই হতাশা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আশপাশের উপজেলার জমকালো ও সৃজনশীল আয়োজনের তুলনায় শৈলকুপার অনুষ্ঠানকে অনেকেই ‘দায়সারা’ বলে মন্তব্য করেছেন। অনেকের মতে, এ ধরনের আয়োজন অতীতের মতোই গতানুগতিক ধারার পুনরাবৃত্তি ছাড়া আর কিছু নয়।

স্থানীয় সাংস্কৃতিক কর্মীরা বলছেন, একটি জাতিকে দুর্বল করতে হলে প্রথমেই তার সংস্কৃতিকে ধ্বংস করতে হয়। শৈলকুপার বর্তমান অবস্থা দেখে তাদের আশঙ্কা, এই জনপদ সেই পথেই হাঁটছে।

বিগত সরকারের সময়ও শৈলকুপার সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতা এখনো বজায় রয়েছে। নেই আধুনিকতার ছোঁয়া, নেই নতুন সৃষ্টির উদ্যোগ—বরং আনুষ্ঠানিকতা রক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ছে আয়োজনগুলো।

সাংস্কৃতিক সংগঠক, শিল্পী ও মিউজিশিয়ানদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা বহুবার এ বিষয়ে শিল্পকলার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেও তেমন কোনো ফল পাননি। অভিযোগ রয়েছে, ২০১২ সালে শিল্পকলা একাডেমির নির্বাচন স্থগিত করে তৎকালীন সরকার দলীয় প্রভাবের মাধ্যমে একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করে, যা এখনো বহাল রয়েছে। অথচ নীতিমালা অনুযায়ী এখানে একজন সংস্কৃতিমনা সাধারণ সম্পাদক থাকার কথা।

তাদের মতে, শুধুমাত্র অর্থ সংকটের অজুহাতে নিম্নমানের আয়োজন করে শৈলকুপার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে, যা পার্শ্ববর্তী উপজেলা ও জেলার কাছে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।
এ অবস্থার জন্য দায় কার—উপজেলা প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, নাকি সাংস্কৃতিক কর্মী ও সাধারণ জনগণ—তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

শৈলকুপার সচেতন সাংস্কৃতিকপ্রেমী মানুষ মনে করছেন, এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ, সুষ্ঠু নেতৃত্ব ও পরিকল্পিত সাংস্কৃতিক চর্চা। তারা সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে শৈলকুপার সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য।

Link copied!