× UCB Sticker Card
সোমবার, ০৬ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ৬, ২০২৬, ১০:১৫ পিএম

খেলা দেখে ভোরে ঘুমাতে গেলেন ব্রাজিল সমর্থক, সকালে মিলল ঝুলন্ত মরদেহ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ৬, ২০২৬, ১০:১৫ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখে ভোরে ঘুমাতে যাওয়ার পর সকালে নিজ ঘর থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় এক তরুণের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৬ জুলাই) সকালে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের পশ্চিম গট্রিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত রতন (২০) ওই গ্রামের হোসেন মিস্ত্রির ছেলে। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রির সহকারী ছিলেন। তিনি ব্রাজিলের সমর্থক ছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

রোববার দিবাগত রাতে বিশ্বকাপ ফুটবলে নরওয়ে ২–১ গোলে ব্রাজিলকে পরাজিত করে। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, ওই খেলা দেখে ভোরের দিকে নিজ ঘরে ঘুমাতে যান রতন। সকালে দীর্ঘ সময় ঘুম থেকে না ওঠায় পরিবারের সদস্যরা জানালার ফাঁক দিয়ে তাকে ঘরের ভেতরে গলায় ওড়না প্যাঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।

পরে পরিবারের সদস্যরা ঘরের দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে কুমারখালী থানা–পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন করে।

রতনের বাবা হোসেন মিস্ত্রী বলেন, ছেলে ব্রাজিল ফুটবল দলের সমর্থক ছিল। গতকাল (রোববার) রাতে খেলায় ব্রাজিল হেরে যাওয়ার পর তার মন খারাপ ছিল। এরপর নিজ ঘরে ঘুমাতে যায়। সকালে উঠতে দেরি হলে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ না পাওয়ায় জানালা দিয়ে দেখতে পাই গলায় ওড়না দেওয়া অবস্থায় ঝুলছে। এ ছাড়া নির্দিষ্ট করে আত্মহত্যার কারণও বলতে পারছি না।

স্বজনদের ভাষ্য, বছরখানেক আগে রতন বিয়ে করেন। বাড়ির পাশেই তার শ্বশুরবাড়ি। কন্যাসন্তান হওয়ার পর থেকে তার স্ত্রী সেখানেই আছে। ঘটনার সময় রতন ঘরে একাই ছিলেন।

কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, একজন ব্যক্তি একটি দলকে সমর্থন করতেই পারে। তাই বলে পছন্দের দল হেরে যাওয়ায় আত্মহত্যা করেছে, এমনটাও নিশ্চিত নয়। নিহত ব্যক্তির পরিবার ও স্থানীয় ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত ছাড়া দাফনের আবেদন করা হয়। মৃত্যুর বিষয়ে কারও কোনো আপত্তি না থাকায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে দেওয়া হয়েছে।

Link copied!