× UCB Sticker Card
সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৯, ২০২৬, ০২:৪৬ পিএম

প্রবল বর্ষণে ৬০ হেক্টর ফসলি জমি তলিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ৪৭০ কৃষক

দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৯, ২০২৬, ০২:৪৬ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় টানা ও প্রবল বর্ষণে উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলি জমি ও ধানের বীজতলা পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন ও দুই পৌর এলাকার প্রায় ৬০ হেক্টর ফসলি জমি এবং বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চলতি মৌসুমে এতে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন অন্তত ৪৭০ জন কৃষক। প্রাথমিক হিসাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০ লাখ ১০ হাজার টাকা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, কয়েকদিনের টানা ভারি বর্ষণে উপজেলার নিম্নাঞ্চল দ্রুত প্লাবিত হয়। দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকায় রোপা আমন ও রোপা আউশ ধানের বীজতলার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে ৫০০টি রোপা আমনের বীজতলা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে। এ ছাড়া ২৫টি রোপা আউশের বীজতলা এবং চারা রোপণের জন্য প্রস্তুত ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মধ্যে রয়েছে- চামরুল, গুনাহার, গোবিন্দপুর, জিয়ানগর, তালোড়া ও দুপচাঁচিয়া সদর ইউনিয়ন এবং তালোড়া ও দুপচাঁচিয়া পৌর এলাকার বেশকিছু জমি। 

ভুক্তভোগী কৃষক জিল্লুর হোসেন ও শহিদুল ইসলাম জানান, ভালো ফলনের আশায় ধারদেনা করে বীজতলা তৈরি করেছিলেন। কিন্তু আকস্মিক অতিবর্ষণে সবকিছু পানিতে তলিয়ে গেছে। দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকায় বীজতলা পচে নষ্ট হচ্ছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে মূল জমিতে চারা রোপণ নিয়ে তারা চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।

তারা বলেন, ‘হঠাৎ এমন ভারি বৃষ্টিতে আমাদের সব শেষ হয়ে গেছে। নতুন করে বীজতলা তৈরির মতো সামর্থ্য নেই। সরকারি সহায়তা না পেলে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হয়ে পড়বে।’

স্থানীয়দের মতে, দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনা ও পুনর্বাসনের আওতায় আনা না হলে চলতি মৌসুমে ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে স্থানীয় খাদ্য উৎপাদনেও।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাইফুল আবেদীন বলেন, আকস্মিক ভারি বর্ষণে কৃষকদের বীজতলা ও ফসলি জমির উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে কৃষকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিচ্ছেন এবং জমি থেকে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নিতে কাজ করছেন।

তিনি আরও জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করে সরকারি অনুদান ও পুনর্বাসনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা প্রদান করা হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!