ঢাকা মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

আদমদীঘিতে ছাত্রীর মোবাইল ফোনে চ্যাটিং শিক্ষককে ধোলায় দিয়ে পুলিশে সোর্পদ

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: জুন ৩০, ২০২৬, ০৯:১৭ পিএম
ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

বগুড়ার আদমদীঘিতে ধামাইল ঘোড়াদহ ছিদ্দিকীয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারি মৌলভী শিক্ষক মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে মোবাইল ফোনে দেখা করাসহ নানা ভাবে মোবাইল ফোনে (চ্যাটিং) বার্তা আদান-প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। এতে অভিভাবক ও স্থানীয়রা ক্ষিপ্ত হয়ে ওই শিক্ষককে মারাধর করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেল ৪টায় ওই মাদ্রাসাতেই এ ঘটনা ঘটে। শিক্ষক মাহমুদুল হাসান (৩৮) উপজেলার কুন্দগ্রাম ইউনিয়নের কড়ই গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই মাদ্রাসার নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ রাখতেন ওই শিক্ষক। অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিভিন্ন সময় ছাত্রীকে একান্তে দেখা করার প্রস্তাবসহ নানা ধরনের বার্তা পাঠাতেন। বিষয়টি ছাত্রী তার পরিবারের সদস্যদের জানালে তারা শিক্ষকের গতিবিধির ওপর নজরদারি শুরু করেন।

মঙ্গলবার সকালে শিক্ষক মাদ্রাসায় এলে ছাত্রীর স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে বিকেলে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে আদমদীঘি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিক্ষককে হেফাজতে নেয়।

এ সময় কিছু উত্তেজিত ব্যক্তি শিক্ষককে মারধর করে পুলিশের কাছে তুলে দেয় বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

মাদ্রাসার সুপার মাওলানা রহমতুল্যাহ বলেন, বিষয়টি মঙ্গলবারই জানতে পেরেছেন। শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আগেই এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

আদমদীঘি থানার ওসি কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, অভিযোগের বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।