× UCB Sticker Card
সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর

প্রকাশিত: জুন ২৯, ২০২৬, ০৬:৫২ পিএম

গাকৃবিতে স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত দুই বিজ্ঞানীকে সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর

প্রকাশিত: জুন ২৯, ২০২৬, ০৬:৫২ পিএম

গাকৃবিতে স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত দুই বিজ্ঞানীকে সংবর্ধনা

শিক্ষা, বিজ্ঞান ও গবেষণায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালের স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত দুই কৃতী বিজ্ঞানীকে সংবর্ধনা দিয়েছে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি)। তারা হলেন প্রফেসর ড. জহুরুল করিম এবং প্রফেসর ড. এম. এ. রহিম।

সোমবার (২৯ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক আন্তরিক ও আবেগঘন অনুষ্ঠানে দেশের এই দুই গুণী ব্যক্তিত্বকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং রেজিস্ট্রার মো. আবদুল্লাহ্ মৃধার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (বিপিএসসি) সাবেক ও প্রথম নারী চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. জেড. এন. তাহমিদা বেগম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. সফিউল ইসলাম আফ্রাদসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরিচালক, প্রক্টর, শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে উপাচার্য স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত দুই বিজ্ঞানীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। পরে তাদের হাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। এরপর রেজিস্ট্রার দুই গুণী ব্যক্তিত্বের বর্ণাঢ্য কর্মজীবন, গবেষণা এবং জাতীয় অবদানের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে গবেষণা ও প্রশিক্ষণে স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রফেসর ড. এম. এ. রহিম তার দীর্ঘ গবেষণা ও শিক্ষকতা জীবনের নানা অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি গবেষণায় নিষ্ঠা, ধৈর্য এবং নতুন প্রজন্মের বিজ্ঞানীদের দায়িত্ববোধের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অন্যদিকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি অব সায়েন্সের (বিএএস) প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. জেড. এ. করিম বলেন, জীবনে নিয়মানুবর্তিতার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বজুড়ে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন গবেষণা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন হচ্ছে। সেসব জ্ঞান ও প্রযুক্তিকে দেশের বাস্তবতার সঙ্গে সমন্বয় করে গবেষণায় কাজে লাগাতে হবে। বাংলাদেশকে গবেষণায় আরও এগিয়ে নিতে তরুণ গবেষকদের আন্তর্জাতিক মানের জ্ঞানচর্চা ও উদ্ভাবনী চিন্তার প্রতি মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সমাপনী বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আপনাদের পদচারণায় গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আজ গর্বিত ও সম্মানিত। দেশের জন্য আপনাদের যে অনন্য অবদান তা বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত এই দুই বিজ্ঞানীর আদর্শ, অভিজ্ঞতা ও দিকনির্দেশনাকে ধারণ করে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের একটি ব্যতিক্রমধর্মী গবেষণা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

উল্লেখ্য, প্রফেসর ড. জেড. এ. করিম বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তন গবেষণার অন্যতম পথিকৃৎ। ধানক্ষেতের মাটিতে ফেরিহাইড্রাইট খনিজ শনাক্তকরণ, দেশের প্রথম খরা তীব্রতা মানচিত্র প্রণয়ন এবং উত্তরাঞ্চলের মঙ্গা সমস্যার কার্যকর সমাধানে তার গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তার গবেষণার ভিত্তিতে স্বল্পমেয়াদি ধানের জাত উদ্ভাবিত হয়েছে এবং দেশের লবণাক্ততার মানচিত্র ও শ্রেণিবিন্যাস প্রণয়ন সম্ভব হয়েছে। এসব অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি এর আগে আন্তর্জাতিক সিইআরইএস পদক লাভ করেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রফেসর ড. এম. এ. রহিম বাংলাদেশের ফল গবেষণার এক উজ্জ্বল নাম। তার নেতৃত্বে ১২৮টি নতুন ফলের জাত উদ্ভাবিত হয়েছে, যার মধ্যে বিইউ কুল বিশেষভাবে জনপ্রিয়। তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিইউ জার্মপ্লাজম সেন্টারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। এই কেন্দ্রটি বর্তমানে দেশের ফল, ঔষধি উদ্ভিদ ও কৃষি-বনায়নের বৃহত্তম সংগ্রহশালা এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জার্মপ্লাজম সংগ্রহকেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃত।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!