× UCB Sticker Card
সোমবার, ০৮ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ৮, ২০২৬, ১০:০১ পিএম

চেয়ারম্যানের পদ নিয়ে বিএনপি-আ.লীগ সংঘর্ষ, ওসিসহ অর্ধশত আহত

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ৮, ২০২৬, ১০:০১ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার বড়ইউড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকে কেন্দ্র করে বর্তমান চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সমর্থকদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে থানার ওসিসহ উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছেন।

সোমবার (৮ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বড়ইউড়ি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অপারেশন ডেভিল হান্টের সময় বড়ইউড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরিদ আহমেদ গ্রেপ্তার হন। তার অনুপস্থিতিতে ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও যুবদল নেতা কফিল উদ্দিন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। পরবর্তীতে দীর্ঘদিন কারাভোগের পর ফরিদ আহমেদ জামিনে মুক্তি পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণের উদ্যোগ নেন। তবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিন এতে আপত্তি জানালে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

এদিন সকালে সরকারের মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ উপস্থিত হলে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিনের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। পরে ফরিদ আহমেদের সমর্থনে নোয়াগাঁও, কদুপুরসহ কয়েকটি গ্রামের লোকজন এবং কফিল উদ্দিনের সমর্থনে হলদারপুর গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে পুরো ইউনিয়ন পরিষদ এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

খবর পেয়ে বানিয়াচং থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। সংঘর্ষ ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ তিনটি টিয়ারশেল ও পাঁচটি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হকসহ চারজন পুলিশ সদস্য এবং উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক লোকজন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বানিয়াচং থানার ওসি নাজমুল হক বলেন, চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

Link copied!