× UCB Sticker Card
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কালীগঞ্জ (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২৪, ২০২৬, ০৮:০২ পিএম

ত্রাণ নয়, স্থায়ী সমাধান চান তিস্তাপাড়ের মানুষ

কালীগঞ্জ (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২৪, ২০২৬, ০৮:০২ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা নদীর পানি ওঠানামা করছে। মঙ্গলবার বিকেল থেকে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করলেও বুধবার দুপুরে তা আবার বিপৎসীমার নিচে নেমে এসেছে।

তিস্তা ও ধরলা নদীতীরবর্তী চরাঞ্চলের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে সরকারি-বেসরকারি ত্রাণ ও এনজিও সহায়তার ওপর নির্ভর করে জীবনযাপন করছেন। তবে চাহিদার তুলনায় সহায়তা অপ্রতুল হওয়ায় অনেক সময়ই তাদের খেয়ে-না খেয়ে দিন কাটাতে হয়। স্থানীয়দের অনেকেই বলছেন, ‘ত্রাণ নয়, আমরা কাজ চাই।’

তিস্তার চরাঞ্চলের মর্জিনা বেওয়া জানান, তিনি পাঁচবার ত্রাণ পেয়েছেন এবং সেটাই এখন তার একমাত্র ভরসা। একই এলাকার অন্য বাসিন্দারাও নিয়মিত ত্রাণের জন্য ছোটাছুটি করেন বলে জানা যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বন্যা ও নদীভাঙনসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে তাদের জীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে তিস্তা নদীর পানি কখনো বেড়ে আবার কখনো কমে, ফলে স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা।

চরাঞ্চলের বাসিন্দারা জানান, বর্ষায় বন্যা আর শুষ্ক মৌসুমে পানিশূন্যতা ও বালুর কারণে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হয়। পাশাপাশি যোগাযোগব্যবস্থা দুর্বল হওয়ায় নৌকা ও ভেলাই প্রধান বাহন হিসেবে ব্যবহার করতে হয়। জরুরি চিকিৎসার জন্য রোগীদেরও নৌপথে দীর্ঘ দূরত্ব পাড়ি দিতে হয়।

নদীপাড়ের সানিয়াজান গ্রামের ময়েজ আলী বলেন, ‘পানি বাড়া-কমা করছে, তাই ঘুম হয় না। বন্যা যত দিন থাকে, কষ্ট তার চেয়েও বেশি দিন থাকে।’

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, উজান থেকে পানি আসায় তিস্তার প্রবাহ ওঠানামা করছে এবং সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ডালিয়া পয়েন্টে বুধবার সকাল ৯টায় পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, পানি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার জানান, সার্বিক পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

চরাঞ্চলের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের আশা, স্থায়ী সমাধান ছাড়া বারবারের বন্যা ও ভাঙন থেকে মুক্তি মিলবে না।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!