মানিকগঞ্জের সিংগাইরে চাঞ্চল্যকর মারিয়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রেমিক আলিফকে (১৫) আটক করেছে থানা পুলিশ। আলিফ সিংগাইর উপজেলার দক্ষিণ কানাইনগর গ্রামের বরকতউল্লার ছেলে। এদিকে আজ সোমবার (২২ জুন) সারাদিন কয়েক দফায় আলিফের বাড়িঘরে ভাংচুর চালিয়েছে বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী।
স্বজনদের দেয়া তথ্যমতে, গত ১৫ জুন স্কুলের টিফিন চলাকালীন সময়ে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আলিফের সঙ্গে একটি শ্রেণিকক্ষে মারিয়াকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যায়। বিষয়টি স্কুলের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়লে স্কুল কর্তৃপক্ষ দুই শিক্ষার্থীর অভিভাবককে ডেকে পাঠায়। এরপর মুচলেকা নিয়ে তাদের দুজনকেই স্কুল থেকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) দেয়া হয়।
ঘটনার দিন মারিয়া তার নিজের মোবাইল ফোনটি বাড়িতে রেখেই বের হয়ে যায়। আত্মীয়-স্বজন থেকে শুরু করে সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেও গত ৬ দিনে তার কোনো সন্ধান পায়নি।
অবশেষে গত রোববার বিকেলে চন্দননগর এলাকার একটি ঝোপের কাছে একটি স্কুলব্যাগ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। সন্দেহ হওয়ায় তারা কাছে গিয়ে দেখতে পান এক কিশোরীর দ্বিখণ্ডিত মরদেহ গাছের ডালে ঝুলানো। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
সিংগাইর থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে দশম শ্রেণির সেই শিক্ষার্থী আলিফকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে সাথে তার বাবা বরকত উল্লাহকেও। ওসি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন