× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ৯, ২০২৬, ০১:৪৪ পিএম

স্ত্রীকে হত্যা করে মরদেহ খাটে রেখে সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে যান স্বামী

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ৯, ২০২৬, ০১:৪৪ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বলিয়াগাঁও ইউনিয়নের পূর্ব বলিয়াগাঁও এলাকায় গৃহবধূ মোছা. আছমা আক্তার (২৬) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গত মঙ্গলবার গোপালগঞ্জের মকসুদপুর উপজেলার বাটিকামারী বাজার এলাকা থেকে অভিযুক্ত স্বামী মুহাসিন মাতুব্বরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

হত্যাকাণ্ডের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মুহাসিন মাতুব্বরকে (৩২) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে আদালতে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

পিবিআই সূত্রে জানা যায়, নিহত আছমা আক্তার স্বামী মুহাসিন মাতুব্বর ও চার বছর বয়সি কন্যা মাইশাকে নিয়ে টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বলিয়াগাঁও ইউনিয়নের পূর্ব বলিয়াগাঁও এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়, বিশেষ করে আছমার পূর্বের দুটি বিয়ের তথ্য গোপন করাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল।

তদন্তে উঠে এসেছে, ঘটনার আগের রাতে এশার নামাজের পর একটি পুরোনো জামা নিয়ে দুজনের মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা হয়। এ সময় মুহাসিন স্ত্রীকে মারধর করে তার জামাকাপড় ছিঁড়ে ফেলেন।
পরদিন ৬ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নাস্তা প্রস্তুত না থাকায় আবারও তাদের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। আছমা মাথাব্যথার কথা জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে পূর্বের বিয়ে নিয়ে কটূক্তি ও গালাগাল করেন মুহাসিন। একপর্যায়ে তিনি আছমাকে মারধর করে গলায় চেপে ধরে ধাক্কা দিলে তিনি কাঠের পাটাতনে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে সাজানোর চেষ্টা করেন। তবে দেহ ঝুলাতে ব্যর্থ হয়ে মরদেহ খাটে রেখে চার বছর বয়সি কন্যাকে নিয়ে পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই মো. শামীম তালুকদার বাদী হয়ে টঙ্গীবাড়ী থানায় ৭ জুলাই হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার পর পিবিআইয়ের ক্রাইমসিন টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ ও ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তে নিশ্চিত হওয়া যায়, ৬ জুলাই বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে আছমাকে মাথা, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

পরে পিবিআই মুন্সীগঞ্জ জেলা স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পিবিআই জানিয়েছে, মামলার অন্যান্য তদন্ত কার্যক্রম এখনো চলমান।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!