ককটেল বিস্ফোরণ, ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলায় আত্মসমর্পণের পর দশমিনা উপজেলা আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের পাঁচ নেতাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন পটুয়াখালীর জেলা জজ আদালত।
বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে পটুয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে বিচারক তাদের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, কারাগারে পাঠানো পাঁচ আসামি হলেন- দশমিনা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গৌতম রায়, জাকির হোসেন (ভুট্টো), কাজী আজাদ, বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলম এবং উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি রমিজ মোল্লা।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২২ সালের ৬ মার্চ বিকেলে উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির ইউনিয়ন কাউন্সিল চলাকালে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ককটেল বিস্ফোরণ, ভাঙচুর ও হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনায় বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন বলেও এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
ওই ঘটনার জেরে বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সবুজ ঢালী বাদী হয়ে ২০২৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি দশমিনা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় পটুয়াখালী-৩ আসনের সাবেক আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্যসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়।
মামলা দায়েরের পর আসামিরা আত্মগোপনে চলে যান। পরে তারা উচ্চ আদালত থেকে দুই মাসের আগাম জামিন নিয়ে দেশে ফিরে আসেন। সেই জামিনের মেয়াদ শেষ হলে বুধবার তারা পুনরায় জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
দশমিনা থানার ওসি আতিকুল ইসলাম বলেন, বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের একটি মামলায় পাঁচ আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালতের আদেশের কপি গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

