× UCB Sticker Card
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রংপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২৪, ২০২৬, ০২:৫৮ পিএম

তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধের ৬০ শতাংশ নদীগর্ভে, তদন্ত কমিটি গঠন

রংপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২৪, ২০২৬, ০২:৫৮ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতু রক্ষা বাঁধ ও ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে বসানো বাঁশের পাইলিংয়ে ধসের কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) রংপুরের প্রধান প্রকৌশলীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের এ কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ ও ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

বুধবার দুপুরে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে মঙ্গলবার রাতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।  সূত্র বলছে, সেতু রক্ষা বাঁধের ভাঙন পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও সমাধানের লক্ষ্যে ঢাকা থেকে এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে আসবে।

জানা গেছে, উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও আর ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীতে পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় এলজিইডির ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে বসানো বাঁশের পাইলিং ভেঙে গেছে। একই সাথে সেতু রক্ষা বাঁধেও দেখা দিয়েছে ভাঙন। এতে হুমকির মুখে পড়েছে দ্বিতীয় তিস্তা সেতুসহ রংপুর-লালমনিরহাট আঞ্চলিক সড়ক।

গত বছর শুরু হওয়া ভাঙন পরিস্থিতি সামাল দিতে অস্থায়ীভাবে এই বাঁশের পাইলিং বসানো হয়েছিল। তবে সেই পাইলিং (স্পার) বসানোর ছয় মাস না যেতেই পানি বৃদ্ধির প্রথম ধাক্কাতেই ভেঙে গেছে। এতে করে সেতুর উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে রক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দেয়। এখন পর্যন্ত বাঁধের প্রায় ৬০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে সেখানে ৭০ ফুট গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, গত বছর ভাঙনে দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতুর রক্ষা বাঁধের ১০০ মিটারের বেশি অংশ নদীতে বিলীন হয়। এরপর স্থায়ী সমাধানের পরিবর্তে অস্থায়ীভাবে বাঁশের পাইলিং বসানো হয়।

লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ্ আল হাদী বলেন, প্রথম দিকেই ভাঙন দেখা দিলে যদি দুই-এক লাখ টাকার জিও ব্যাগ ফেলা হতো, তাহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যেত। কিন্তু দীর্ঘদিন কোনো বরাদ্দ না আসায় পরিস্থিতি জটিল হয়েছে। গত বছর থেকেই বলা হচ্ছিল বরাদ্দ আসবে, কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। বুয়েটের এক বিশেষজ্ঞের পরামর্শে বাঁশের পাইলিং করা হয়েছিল, কিন্তু এটি টেকেনি। ১৪ লাখ টাকার কাজ প্রথম ধাক্কাতেই ধ্বংস হয়ে গেছে।

এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী শাহ মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, গত বছর ভাঙন শুরু হলে এলজিইডির অভিজ্ঞতার সীমাবদ্ধতার কারণে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বুয়েটের এক ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ নেওয়া হয়। তাদের সুপারিশ অনুযায়ী ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে বাঁশের পাইলিং (স্পার) বসানো হয়েছিল।

গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার জানান, ঘটনাস্থল সরেজমিনে  পরিদর্শন করে একটি প্রতিবেদন জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত কমিটি বাকি প্রতিবেদন জমা দিবে।

রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ ও ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিবে। 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!