× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৬, ২০২৬, ১১:০৯ এএম

নাগরপুরে পাটের সোনালি আঁশে সাফল্যের হাতছানি

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৬, ২০২৬, ১১:০৯ এএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় এবারও পাটচাষে মুখর হয়ে উঠেছে কৃষক সমাজ। উপজেলার ভাদ্রা, পাকুটিয়া, সলিমাবাদ, বেকড়া, গয়হাটা, ভাড়রাসহ ১২টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের মাঠজুড়ে দুলছে সোনালি আঁশের সবুজ গাছ। কৃষকরা জানাচ্ছেন, অনুকূল আবহাওয়া ও জমির উপযোগী পরিবেশের কারণে এ বছর ভালো ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নাগরপুরে পাট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১৮৬০ হেক্টর। উৎপাদন ৩১৭৭ টন।  ইতোমধ্যেই সেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আশা করা হচ্ছে, এ বছর প্রায় ৩১ হাজার ৭৭ টন পাট উৎপাদন হবে।

স্থানীয় কৃষক দুলাল সরকার দৈনিক রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, আমরা প্রতিবছরই কমবেশি পাটচাষ করি। এবার শঙ্খ জাতের পাট দুই বিঘায় আবাদ করেছিলাম, পাটগাছের বৃদ্ধিও ভালো হয়েছে। এই জাতের বৈশিষ্ট্য হলো, পাটের আঁশ মোটা ও ওজনে ভারী এবং গাছ অনেক শক্তিশালী হয়। যদি বাজারে ন্যায্য দাম পাই, তবে আবাদ চলমান থাকবে। 

সরেজমিন গিয়ে একাধিক কৃষকের সাথে কথা বলে জানা যায়, সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের দাম দিন দিন বাড়ছে। তবুও পাটচাষ করি, কারণ এটা আমাদের ঐতিহ্য। তা ছাড়া পাটখরি আমাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজের উপকরণ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এস এম রাশেদুল হাসান প্রতিবেদককে বলেন, আমরা সরকারি উদ্যোগে পাটচাষিদের বিনা মূল্যে বীজ বিতরণসহ নানা প্রণোদনা দিয়ে থাকি। পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃষি পরামর্শের মাধ্যমে তাদের সহযোগিতা করা হচ্ছে। আশা করছি, এবার কৃষকেরা ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্য পাবেন। 

উল্লেখ্য, একসময় পাট ছিল দেশের প্রধান রপ্তানি আয়। এখনো গ্রামীণ অর্থনীতিতে এ আঁশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কৃষকেরা মনে করেন, সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ, বন্ধ জুট মিলগুলো চালু করনসহ ন্যায্য বাজার মূল্য নিশ্চিত হলে নাগরপুরসহ সারা দেশে পাটের সুদিন আবার ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!