স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর-এর মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেনের নেতৃত্বে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একটি উচ্চপর্যায়ের টিম প্রস্তাবিত ঠাকুরগাঁও সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন।
শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় তিনি কমিটির অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে পৌঁছান।
এ সময় সিভিল সার্জন ডা. আনিসুর রহমান এবং ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মোহা. ফিরোজ জামান জুয়েলসহ হাসপাতালের অন্যান্য চিকিৎসক ও কর্মচারীরা তাদের অভ্যর্থনা জানান।
ঠাকুরগাঁও সরকারি মেডিকেল কলেজের সম্ভাব্য স্থান হিসেবে তারা পুরাতন হাসপাতাল, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয় এবং বক্ষব্যাধি হাসপাতাল এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডা. নাজমুল হোসেন বলেন, ‘বিগত সময়ে অন্তর্বর্তী সরকার ছয়টি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের অনুমোদন দেয়। কিন্তু একটিরও কোনো ক্যাম্পাস বা ভবন নেই। শুধু নামকাওয়াস্তে মেডিকেল কলেজ চালু করা হয়েছে। সেখানে শিক্ষার্থীরা না পারছে ভালোভাবে লেখাপড়া করতে, না পারছে হোস্টেলে থাকতে। সে রকম কোনো পরিস্থিতি হোক, সেটা আমরা চাই না। আমরা এমনভাবে প্রস্তুতি নেব, যাতে ঠাকুরগাঁওয়ে একটি সুন্দর মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস গড়ে তোলা যায়। তবে সেটি বাস্তবায়নে আড়াই থেকে তিন বছর সময় লাগতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তার আগেই ২০২৭ সালে আমরা ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম চালু করতে চাই। সেজন্য পুরাতন হাসপাতাল এলাকায় কিছু ভবন রয়েছে। সেগুলোর সঙ্গে অস্থায়ী কিছু নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে সেখানে শিক্ষা কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পরবর্তীতে শহরের উপযুক্ত একটি বড় ও একক জায়গায় পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল কলেজ স্থাপনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা অধিদপ্তরে গিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করব। সেই প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সেখানে আলোচনা শেষে পরবর্তী ধাপগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। আমরা আশা করছি, ঠাকুরগাঁওবাসীর দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হতে যাচ্ছে।’



সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন