× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

শেকৃবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২, ২০২৬, ১০:৪৯ পিএম

শেকৃবিতে হলের খাবারের মান যাচাইয়ে সিওয়াইবি ও প্রশাসনের যৌথ অভিযান

শেকৃবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২, ২০২৬, ১০:৪৯ পিএম

শেকৃবিতে হলের খাবারের মান যাচাইয়ে সিওয়াইবি ও প্রশাসনের যৌথ অভিযান। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

শেকৃবিতে হলের খাবারের মান যাচাইয়ে সিওয়াইবি ও প্রশাসনের যৌথ অভিযান। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) ক্যাম্পাসে হলের খাবারের মান, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে ভোক্তা অধিকার বিষয়ক সংগঠন কনজুমার্স ইয়ুথ অব বাংলাদেশ (সিওয়াইবি) এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে বিশেষ  অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

সোমবার (২ মার্চ) বিকাল ৪টায় শেকৃবি মিনিবাজার পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে অভিযানের কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম ধাপে অপরাজিতা ২৪ হল, বেগম রোকেয়া হল, বেগম সৈয়দুন্নেসা হল ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাফেটেরিয়া পরিদর্শন করা হয়। আগামী ৫ তারিখে দ্বিতীয় ধাপে পুনরায় অভিযান পরিচালনার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল হলগুলোতে ইফতারের খাবারের মানোন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা, কর্মচারীদের স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণে সচেতন করা, শিক্ষার্থীদের অভিযোগ পর্যালোচনা করে কার্যকর সমাধান খোঁজা এবং যৌক্তিক দাবিগুলোর বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা। পাশাপাশি সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে ডাইনিং ও ক্যান্টিন সংশ্লিষ্ট বিক্রেতাদের অবহিত করা হয়।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আরফান আলী, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আশাবুল হক এবং শেকৃবি সিওয়াইবি সভাপতি মোহাম্মদ ফাহিম ফয়সাল।

এ বিষয়ে সিওয়াইবি সভাপতি মোহাম্মদ ফাহিম ফয়সাল বলেন, ‘মানসম্মত ও নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমাদের এই অভিযান। হলগুলোর ডাইনিং ও ক্যান্টিন ম্যানেজার, কর্মচারী এবং ক্যাম্পাসসংলগ্ন দোকানিদের নিরাপদ খাদ্যব্যবস্থা সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে অস্বাস্থ্যকর উপাদান ব্যবহার না করা, বাসি বা পচা খাবার বিক্রি না করা এবং খাবারের মানের সঙ্গে দামের সামঞ্জস্য বজায় রাখার বিষয়ে আমরা পরামর্শ দিয়েছি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আরফান আলী বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যেন নিরাপদ খাদ্য দিয়ে ইফতার করতে পারে, সে লক্ষ্যেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ক্যান্টিনে প্রস্তুতকৃত ইফতারের খাবারে অস্বাস্থ্যকর উপাদান মেশানো থেকে বিরত থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রান্নাঘরের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, পচা বা বাসি খাবার বিক্রি না করা এবং অযৌক্তিকভাবে দাম বৃদ্ধি না করার বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে এবং দ্বিতীয় ধাপেও তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে এই উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সিওয়াইবির সদস্যদের ধন্যবাদ জানান তিনি।

অন্যদিকে সংগঠনের সদস্যরা বলেন, ‘একজন ভোক্তার ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমরা সর্বদা সোচ্চার থাকবো এবং ক্যাম্পাসভিত্তিক বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে সচেতনতা গড়ে তুলবো।’

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মতে, যৌথ এ উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিতকরণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

Link copied!