× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

জাবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৯, ২০২৬, ০১:১১ এএম

জাবিতে গাঁজাসহ নাট্যকলার ছাত্রী আটক, তদন্ত কমিটি গঠন

জাবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৯, ২০২৬, ০১:১১ এএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবাব ফয়জুন্নেসা হলে গাঁজাসহ এক ছাত্রীকে আটক করেছে হল প্রশাসন। আটক শিক্ষার্থীর নাম ইনিশা। তিনি নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং বেগম খালেদা জিয়া হলের আবাসিক ছাত্রী।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে হলের ১১৬ নম্বর কক্ষে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। হল প্রশাসনের দাবি, তিনি ওই কক্ষে গিয়ে মাদক সেবন করছিলেন। কক্ষটি ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তনুজা তিথির।

নবাব ফয়জুন্নেসা হল সংসদের জিএস সুমাইয়া খানমের অভিযোগের ভিত্তিতে হলের ওয়ার্ডেন সুলতানা আক্তার ওই কক্ষে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে গাঁজা ও ধূমপানের সরঞ্জাম পাওয়া যায়।

ঘটনার বিষয়ে হল সংসদের সেক্রেটারি সুমাইয়া খানম নিশি বলেন, কক্ষে দুই শিক্ষার্থী অসুস্থ বলে প্রথমে একজন কর্মচারীকে পাঠানো হয়। পরে গিয়ে দেখা যায় ভেতরে ধূমপান চলছে। এরপর আমি নিজে গেলে শুরুতে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। পরে হল সুপারকে নিয়ে গেলে দরজা খোলা হয়।

তিনি আরও বলেন, কক্ষে প্রবেশ করে সিগারেট, গাঁজা ও বিভিন্ন নেশাজাতীয় উপকরণ পাওয়া যায়। বিষয়টি প্রভোস্টকে জানানো হলে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বেগম খালেদা জিয়া হল সংসদের জিএস ফাতেমা তুজ জোহরা। তিনি বলেন, ওই শিক্ষার্থী কেবল সিগারেট খাচ্ছিল। তার মানসিক সমস্যা ছিল এবং আত্মহত্যার চেষ্টা করছিল। তাই তাকে আমার সঙ্গে বাসায় নিয়ে যাই এবং পরে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে নবাব ফয়জুন্নেসা হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয় এবং গাঁজাসহ কিছু উপকরণ জব্দ করা হয়। বিষয়টি প্রক্টরকে জানানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক তদন্তের জন্য পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

এ ঘটনায় হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা দাবি করেছেন, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের কক্ষ থেকে আগেও মাদকের আলামত পাওয়া গেছে। তাদের বরাদ্দকৃত আসন বাতিলের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, হল প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!